উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বহুতল ভবন থেকে পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম মো. আলমগীর হোসেন (১৮)। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ২৪ নং সড়কের ৮ নম্বর প্লটের নির্মাণাধীন ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই শ্রমিক হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার চর আতাতুলির কোদালকায়াটি গ্রামের মো. ইমাম হোসেনের ছেলে। ভবনটিতে তিনি রাজমিস্ত্রীর সহযোগী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মেহেদী হাসান অপূর্ব আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ করতে গিয়ে ৮ তলা থেকে পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওর্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের চারপাশে কোনো ধরণের নিরাপত্তা ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাজ চলছিল।
ভবনটির রাজমিস্ত্রী মো. বেলাল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা দৈনিক রোজ (হাজিরা) হিসেবে কাজ করি। আজ চারদিন ধরে কাজ করছি। নিহত আলমগীর রাজমিস্ত্রীর হেলপার হিসেবে কাজ করত। সে নির্মাণাধীন আট তলা ভবনটির ছাদের ওপর টয়লেটের কাজ করছিল। সেখানে কোনো নিরাপত্তা ছিল না। সেখান থেকে নিচে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমি ওই সময় ভবনটির বাইরে মাচার ওপর কাজ করছিলাম। নিচে দুজন শ্রমিক ছিল।’
অপর রাজমিস্ত্রী মো. আরিফ হোসেন বলেন, নিহত শ্রমিক টয়লেটের ওয়াল প্লাস্টারের কাজ করছিলেন। রাজমিস্ত্রীর সেফটি বেল্ট থাকলেও সহযোগী আলমগীরের কোনো সেফটি বেল্ট ছিল না। তাই সে পড়ে গিয়ে মারা গেছে।
ভবনটির ইঞ্জিনিয়ার মিশাইলুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, এক্সিডেন্টলি ঘটনা ঘটেছে। নিহত আলমগীর আউট সাইডে টয়লেটের কাজ করছিল।
সেফটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শ্রমিকেরা কাজ করছে, এক মাসও হয়নি। সব সময় তাঁরা সেফটি মানে না।
ভবনটির নির্মাণ কাজ করছিল বিল্ডিং কেয়ার ডেভেলপমেন্ট লি. নামের একটি কোম্পানি। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বহুতল ভবন থেকে পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম মো. আলমগীর হোসেন (১৮)। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ২৪ নং সড়কের ৮ নম্বর প্লটের নির্মাণাধীন ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই শ্রমিক হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার চর আতাতুলির কোদালকায়াটি গ্রামের মো. ইমাম হোসেনের ছেলে। ভবনটিতে তিনি রাজমিস্ত্রীর সহযোগী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মেহেদী হাসান অপূর্ব আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়া বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ করতে গিয়ে ৮ তলা থেকে পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওর্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের চারপাশে কোনো ধরণের নিরাপত্তা ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাজ চলছিল।
ভবনটির রাজমিস্ত্রী মো. বেলাল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা দৈনিক রোজ (হাজিরা) হিসেবে কাজ করি। আজ চারদিন ধরে কাজ করছি। নিহত আলমগীর রাজমিস্ত্রীর হেলপার হিসেবে কাজ করত। সে নির্মাণাধীন আট তলা ভবনটির ছাদের ওপর টয়লেটের কাজ করছিল। সেখানে কোনো নিরাপত্তা ছিল না। সেখান থেকে নিচে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমি ওই সময় ভবনটির বাইরে মাচার ওপর কাজ করছিলাম। নিচে দুজন শ্রমিক ছিল।’
অপর রাজমিস্ত্রী মো. আরিফ হোসেন বলেন, নিহত শ্রমিক টয়লেটের ওয়াল প্লাস্টারের কাজ করছিলেন। রাজমিস্ত্রীর সেফটি বেল্ট থাকলেও সহযোগী আলমগীরের কোনো সেফটি বেল্ট ছিল না। তাই সে পড়ে গিয়ে মারা গেছে।
ভবনটির ইঞ্জিনিয়ার মিশাইলুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, এক্সিডেন্টলি ঘটনা ঘটেছে। নিহত আলমগীর আউট সাইডে টয়লেটের কাজ করছিল।
সেফটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শ্রমিকেরা কাজ করছে, এক মাসও হয়নি। সব সময় তাঁরা সেফটি মানে না।
ভবনটির নির্মাণ কাজ করছিল বিল্ডিং কেয়ার ডেভেলপমেন্ট লি. নামের একটি কোম্পানি। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
২০ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে