গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী শিল্পাঞ্চলে একটি পোশাক কারখানার বাইরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় তিন-চার হাজার জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া আরেকটি কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ ৩-৪ হাজার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে তৈরি পোশাক কারখানা তুসুকার ভেতর শ্রমিকেরা ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় কারখানার সামনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারের (ডিসি) গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ সময় পুলিশ ১১ জনকে আটক করে। আটক সবাই বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক। মামলায় গ্রেপ্তার ওই ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৩-৪ হাজার জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। মামলা করার পর আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা ১২ জন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-উত্তর) আবু তোরাব মো. শামসুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এজাহারভুক্ত ১১ জন এবং মামলা করার পর অভিযান চালিয়ে আরও ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বয়স কম থাকায় দুজনকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। একজনকে পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর মামলায় এবং ১২ জনকে অপর কারখানায় ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে এই ১২ জনকে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আজ শুক্রবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত রিমান্ড আবেদনের পর শুনানির জন্য রেখে আসামিদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী শিল্পাঞ্চলে একটি পোশাক কারখানার বাইরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় তিন-চার হাজার জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া আরেকটি কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ ৩-৪ হাজার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে তৈরি পোশাক কারখানা তুসুকার ভেতর শ্রমিকেরা ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় কারখানার সামনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারের (ডিসি) গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ সময় পুলিশ ১১ জনকে আটক করে। আটক সবাই বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক। মামলায় গ্রেপ্তার ওই ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৩-৪ হাজার জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। মামলা করার পর আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা ১২ জন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-উত্তর) আবু তোরাব মো. শামসুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে এজাহারভুক্ত ১১ জন এবং মামলা করার পর অভিযান চালিয়ে আরও ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বয়স কম থাকায় দুজনকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। একজনকে পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর মামলায় এবং ১২ জনকে অপর কারখানায় ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে এই ১২ জনকে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আজ শুক্রবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত রিমান্ড আবেদনের পর শুনানির জন্য রেখে আসামিদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে