নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার

রাজধানীর অন্যতম প্রবেশপথ সাভারের আমিনবাজারে চৌকি বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। তল্লাশি চালানো হচ্ছে বিরুলিয়া, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের ইসলামপুরেও। পাশাপাশি নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ গতকাল শুক্রবার রাতেও সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে। আশুলিয়ায় আটক করা হয়েছে জামায়াতের ৪৩ নেতা-কর্মীকে।
গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার ২০ শয্যা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে তল্লাশি চালায় সাভার মডেল থানার পুলিশ। আজও পুলিশের সদস্যরা ঢাকামুখী লেনে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি করছেন। রাজধানীমুখী বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল থামিয়ে যাত্রীদের গন্তব্য, কোথা থেকে এসেছেন এবং কী প্রয়োজনে ঢাকায় যাচ্ছেন—এসব জিজ্ঞাসা করছেন। এখান থেকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজ শনিবার সকালে অর্ধশত ব্যক্তিকে আটক করেছে।
সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, ‘আজ শনিবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সমাবেশের কথা রয়েছে। এই কর্মসূচিকে ঘিরে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কেউ যেন ঢাকায় প্রবেশ করে নাশকতা বা বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করতে না পারে, সে জন্য যানবাহনে তল্লাশি করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমিনবাজার তল্লাশি চৌকি থেকে সন্দেহজন কিছু ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁদের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এদিকে আশুলিয়া থানার পুলিশ আজ শনিবার ভোরে জামায়াতের ৪৩ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে। তাঁরা বাসে করে বগুড়া থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আশুলিয়া থানার এক কর্মকর্তা জানান, আজ ভোরে তাঁদের আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, ঢাকায় তাঁদের আজকের মহাসমাবেশে নেতা-কর্মীদের যেতে বাধা দিতে পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছেন। সাভার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমাবেশের দিন ঢাকার প্রবেশের পথে বাধা এড়াতে আমাদের অধিকাংশ নেতা-কর্মী আগেই ঢাকায় চলে এসেছেন। যাঁরা এলাকায় রয়েছেন, তাঁরা আটক-গ্রেপ্তারের ভয়ে বাসায় থাকতে পারছেন না। নেতা-কর্মীদের বাড়িতে না পেয়ে পুলিশ তাঁদের স্বজনদের আটক করে আগের বিভিন্ন মামলায় জড়িত না থাকা সত্ত্বেও আসামি করছে।’
বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মী অভিযোগ করেন, পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, যুবলীগের নেতা-কর্মীরাও তাদের নেতা-কর্মীদের সমাবেশে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ ও হকার্স লীগের নেতা-কর্মীরা সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মিছিল করেছেন। এর আগে গতকাল শুক্রবার সকালে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা থানা রোডে লাঠি হাতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

রাজধানীর অন্যতম প্রবেশপথ সাভারের আমিনবাজারে চৌকি বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। তল্লাশি চালানো হচ্ছে বিরুলিয়া, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের ইসলামপুরেও। পাশাপাশি নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ গতকাল শুক্রবার রাতেও সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে। আশুলিয়ায় আটক করা হয়েছে জামায়াতের ৪৩ নেতা-কর্মীকে।
গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার ২০ শয্যা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে তল্লাশি চালায় সাভার মডেল থানার পুলিশ। আজও পুলিশের সদস্যরা ঢাকামুখী লেনে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি করছেন। রাজধানীমুখী বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল থামিয়ে যাত্রীদের গন্তব্য, কোথা থেকে এসেছেন এবং কী প্রয়োজনে ঢাকায় যাচ্ছেন—এসব জিজ্ঞাসা করছেন। এখান থেকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজ শনিবার সকালে অর্ধশত ব্যক্তিকে আটক করেছে।
সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, ‘আজ শনিবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সমাবেশের কথা রয়েছে। এই কর্মসূচিকে ঘিরে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কেউ যেন ঢাকায় প্রবেশ করে নাশকতা বা বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করতে না পারে, সে জন্য যানবাহনে তল্লাশি করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমিনবাজার তল্লাশি চৌকি থেকে সন্দেহজন কিছু ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁদের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এদিকে আশুলিয়া থানার পুলিশ আজ শনিবার ভোরে জামায়াতের ৪৩ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে। তাঁরা বাসে করে বগুড়া থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আশুলিয়া থানার এক কর্মকর্তা জানান, আজ ভোরে তাঁদের আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, ঢাকায় তাঁদের আজকের মহাসমাবেশে নেতা-কর্মীদের যেতে বাধা দিতে পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছেন। সাভার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমাবেশের দিন ঢাকার প্রবেশের পথে বাধা এড়াতে আমাদের অধিকাংশ নেতা-কর্মী আগেই ঢাকায় চলে এসেছেন। যাঁরা এলাকায় রয়েছেন, তাঁরা আটক-গ্রেপ্তারের ভয়ে বাসায় থাকতে পারছেন না। নেতা-কর্মীদের বাড়িতে না পেয়ে পুলিশ তাঁদের স্বজনদের আটক করে আগের বিভিন্ন মামলায় জড়িত না থাকা সত্ত্বেও আসামি করছে।’
বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মী অভিযোগ করেন, পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, যুবলীগের নেতা-কর্মীরাও তাদের নেতা-কর্মীদের সমাবেশে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ ও হকার্স লীগের নেতা-কর্মীরা সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মিছিল করেছেন। এর আগে গতকাল শুক্রবার সকালে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা থানা রোডে লাঠি হাতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
২১ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে