নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরের সাংবাদিক মাহমুদ হোসেনকে মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি আব্দুল করিম মোল্লাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সাদী কারাগারে পাঠানোর এই নির্দেশ দেন।
বিকেলে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা-পুলিশ আব্দুল করিমকে আদালতে হাজির করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার এস আই জিহান হোসাইন আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অপরদিকে আসামির পক্ষে তার আইনজীবী এমএ মালেক তালুকদার জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিনের আবেদন শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেন। একইসঙ্গে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এসআই এশারত আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক মাহমুদ হোসেন গত ১৬ ডিসেম্বর রাত ২টা ৪০ মিনিটের দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন এশা গার্ডেন সিএনজি পাম্পে প্রাইভেট গাড়িতে গ্যাস নিতে যান। সেখানে অন্য একটি প্রাইভেট গাড়ির চালকের সঙ্গে মাহমুদ হোসেনের গাড়ির চালক বাবর আলীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। মাহমুদ হোসেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অন্য গাড়ির চালকের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু তাতে অন্য গাড়ির চালক আরও উত্তেজিত হয়ে ফোন করে ২০/২৫ জন লোক জড়ো করে। লাঠিসোঁটা নিয়ে তারা মাহমুদ হোসেন ও তার ড্রাইভারসহ গাড়িতে হামলা করেন।
এতে গাড়ির ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। দুর্বৃত্তরা তাদের কাছে থাকা ২৩ হাজার টাকা নিয়ে যায়। দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি আঘাতে মাহমুদ ও তার ড্রাইভার আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
পরে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ গতকাল বুধবার আব্দুল করিমকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আব্দুল করিম সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরের সাংবাদিক মাহমুদ হোসেনকে মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি আব্দুল করিম মোল্লাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সাদী কারাগারে পাঠানোর এই নির্দেশ দেন।
বিকেলে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা-পুলিশ আব্দুল করিমকে আদালতে হাজির করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার এস আই জিহান হোসাইন আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অপরদিকে আসামির পক্ষে তার আইনজীবী এমএ মালেক তালুকদার জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিনের আবেদন শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেন। একইসঙ্গে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এসআই এশারত আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক মাহমুদ হোসেন গত ১৬ ডিসেম্বর রাত ২টা ৪০ মিনিটের দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন এশা গার্ডেন সিএনজি পাম্পে প্রাইভেট গাড়িতে গ্যাস নিতে যান। সেখানে অন্য একটি প্রাইভেট গাড়ির চালকের সঙ্গে মাহমুদ হোসেনের গাড়ির চালক বাবর আলীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। মাহমুদ হোসেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অন্য গাড়ির চালকের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু তাতে অন্য গাড়ির চালক আরও উত্তেজিত হয়ে ফোন করে ২০/২৫ জন লোক জড়ো করে। লাঠিসোঁটা নিয়ে তারা মাহমুদ হোসেন ও তার ড্রাইভারসহ গাড়িতে হামলা করেন।
এতে গাড়ির ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। দুর্বৃত্তরা তাদের কাছে থাকা ২৩ হাজার টাকা নিয়ে যায়। দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি আঘাতে মাহমুদ ও তার ড্রাইভার আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
পরে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ গতকাল বুধবার আব্দুল করিমকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আব্দুল করিম সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে