নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামি সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন বাতিল চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন শুনানির জন্য আগামী ২৭ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে এই বিষয়ে শুনানি হবে। আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এই দিন ধার্য করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।
এর আগে তথ্য গোপন করে হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে মুক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠে সহিদুর রহমান খান মুক্তির বিরুদ্ধে। পরে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এদিকে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে আজ বৃহস্পতিবার আইনমন্ত্রী আনিসুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী আজকের পত্রিকাকে বলেন, হাইকোর্টে করা জামিন আবেদনে আপিল বিভাগের আদেশ গোপন করা হয়েছে। সেইসঙ্গে আবেদনে নাম পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে সহিদুল রহমান খান। জেলা দেখানো হয়েছে ঢাকা। এ ছাড়া দেওয়া হয়নি টেন্ডার নম্বরও।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানার পর মঙ্গলবার রাতে কারাগারের জেলারকে ফোন করে বলেছিলাম চেম্বার আদালতে যাব, তাকে যেন ছাড়া না হয়। এরপরও বুধবার দুপুরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। এই বিষয়ে চেম্বার আদালত আগামী সোমবার আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছেন।
এর আগে সহিদুর রহমান খান মুক্তি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে জামিন আবেদন বিচারাধীন থাকার তথ্য গোপন করে আরেকটি বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন। বিষয়টি নজরে আনার পর আদালত জামিন আবেদন সরাসরি খারিজ করে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করেছিলেন মুক্তি। চেম্বার আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠান। পরে গত ২৭ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার বিচারকাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।
আপিল বিভাগের নির্দেশনা গোপন করে গত ২০ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে সহিদুর রহমান খান মুক্তি জামিন পান। ওই আদেশ কারাগারে পৌছালে বুধবারই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
সহিদুর রহমান এ মামলার অন্য আসামি টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই। তাঁর বাবা আতাউর রহমান খান এই আসনের সংসদ সদস্য। দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর নিহতের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তাঁর অন্য তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামি সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন বাতিল চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন শুনানির জন্য আগামী ২৭ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে এই বিষয়ে শুনানি হবে। আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এই দিন ধার্য করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।
এর আগে তথ্য গোপন করে হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে মুক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠে সহিদুর রহমান খান মুক্তির বিরুদ্ধে। পরে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এদিকে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে আজ বৃহস্পতিবার আইনমন্ত্রী আনিসুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী আজকের পত্রিকাকে বলেন, হাইকোর্টে করা জামিন আবেদনে আপিল বিভাগের আদেশ গোপন করা হয়েছে। সেইসঙ্গে আবেদনে নাম পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে সহিদুল রহমান খান। জেলা দেখানো হয়েছে ঢাকা। এ ছাড়া দেওয়া হয়নি টেন্ডার নম্বরও।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানার পর মঙ্গলবার রাতে কারাগারের জেলারকে ফোন করে বলেছিলাম চেম্বার আদালতে যাব, তাকে যেন ছাড়া না হয়। এরপরও বুধবার দুপুরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। এই বিষয়ে চেম্বার আদালত আগামী সোমবার আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছেন।
এর আগে সহিদুর রহমান খান মুক্তি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে জামিন আবেদন বিচারাধীন থাকার তথ্য গোপন করে আরেকটি বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন। বিষয়টি নজরে আনার পর আদালত জামিন আবেদন সরাসরি খারিজ করে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করেছিলেন মুক্তি। চেম্বার আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠান। পরে গত ২৭ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার বিচারকাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।
আপিল বিভাগের নির্দেশনা গোপন করে গত ২০ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে সহিদুর রহমান খান মুক্তি জামিন পান। ওই আদেশ কারাগারে পৌছালে বুধবারই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
সহিদুর রহমান এ মামলার অন্য আসামি টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই। তাঁর বাবা আতাউর রহমান খান এই আসনের সংসদ সদস্য। দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর নিহতের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তাঁর অন্য তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া কলার হাটে উল্টে যাওয়া বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চারজন নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
১০ মিনিট আগে
টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনে বিএনপি প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর ১৭ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে এবং ব্যক্তিগত দেনা রয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪৪ হাজার ৭৫৬ টাকা। তাঁর বার্ষিক আয় ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ৭১২ টাকা।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার কাহালুতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মমতাজ সোনার (৭০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের গুড়বিশা বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মমতাজ সোনার গুড়বিশা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মালঞ্চা ইউনিয়ন পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান মনজিলা বেগমের স্বামী।
২ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়কে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা দাবি করেছেন, তাঁদের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের পর সেই জমি আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখেনি তারা।
৮ ঘণ্টা আগে