কিশোরগঞ্জ সদর প্রতিনিধি

পোলট্রি ফিডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার খামার বন্ধ হয়ে গেছে। আজ বুধবার দুপুরে জেলা শহরের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে পোলট্রি শিল্পের বর্তমান সংকটের প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলনে খামারিরা গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি এ. কে ফজলুল হক। লিখিত বক্তব্যে এ. কে ফজলুল হক বলেন, ‘গত ১৮ মাস পূর্বে পোলট্রি ফিডের ৫০ কেজির বস্তার মূল্য ছিল ১৭০০ টাকা। খাদ্যের মূল্য প্রতি মাসে বারবার বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান মূল্য দাঁড়িয়েছে বস্তা প্রতি ২৯০০ টাকা। গত ১৮ মাসে বস্তা প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে ১২০০ টাকা। মূল্য বৃদ্ধির কারণে জমি বিক্রি করে, ব্যাংক ঋণ, ডিলারদের কাছ থেকে বাকি নিয়ে লাভের আশায় কোনো রকমে টিকে আছে কিছু খামারি। এরই মধ্যে ৬০ শতাংশ খামার বন্ধ হয়ে গেছে।’
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা চারটি দাবি জানান। দাবিগুলো হল—ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম সরকারের পক্ষ থেকে খামারি, আড়তদার ও ভোক্তা পর্যায়ে নির্ধারণ করে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার, খামারি প্রতিনিধি, ফিডমিল প্রতিনিধি, হ্যাচারি মালিক প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করে ১৫ দিন বা এক মাস অন্তর পোলট্রি পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিতে হবে। কৃষি খাতে যেভাবে সরকার সার, ওষুধ, বিদ্যুৎ ইত্যাদিতে ভর্তুকিসহ প্রণোদনা দেয় তেমনি পোলট্রি খামারিদেরও বাচ্চার মূল্য ও খাদ্যের মূল্যে ভর্তুকি দিয়ে ডিমের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। পোলট্রি খাদ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায় আনার জন্য সরকারের তরফ থেকে জাতীয় কমিটির মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য তদারকি করতে হবে।
কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা সূত্রে জানা গেছে, এ জেলায় প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি পোলট্রি খামার ছিল। করোনা মহামারির ২ বছরে এই সেক্টরে খামারিদের প্রচুর লোকসান হয়েছে। তারপর একটু একটু করে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল। কিন্তু এখন পোলট্রি খাদ্যের মূল্য প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে অনুযায়ী ডিম এবং মুরগির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে না। ডিম এবং মুরগির ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে তাঁরা খামার বন্ধ করে দিচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কিশোরগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মুজিবুর রহমান বেলাল, সহসভাপতি ইকবাল আহমেদ চৌধুরী অপু, সদস্য আলাউদ্দিন মাস্টার, বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. সাদেকুর রহমান প্রমুখ।

পোলট্রি ফিডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার খামার বন্ধ হয়ে গেছে। আজ বুধবার দুপুরে জেলা শহরের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে পোলট্রি শিল্পের বর্তমান সংকটের প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলনে খামারিরা গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি এ. কে ফজলুল হক। লিখিত বক্তব্যে এ. কে ফজলুল হক বলেন, ‘গত ১৮ মাস পূর্বে পোলট্রি ফিডের ৫০ কেজির বস্তার মূল্য ছিল ১৭০০ টাকা। খাদ্যের মূল্য প্রতি মাসে বারবার বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান মূল্য দাঁড়িয়েছে বস্তা প্রতি ২৯০০ টাকা। গত ১৮ মাসে বস্তা প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে ১২০০ টাকা। মূল্য বৃদ্ধির কারণে জমি বিক্রি করে, ব্যাংক ঋণ, ডিলারদের কাছ থেকে বাকি নিয়ে লাভের আশায় কোনো রকমে টিকে আছে কিছু খামারি। এরই মধ্যে ৬০ শতাংশ খামার বন্ধ হয়ে গেছে।’
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা চারটি দাবি জানান। দাবিগুলো হল—ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম সরকারের পক্ষ থেকে খামারি, আড়তদার ও ভোক্তা পর্যায়ে নির্ধারণ করে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার, খামারি প্রতিনিধি, ফিডমিল প্রতিনিধি, হ্যাচারি মালিক প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করে ১৫ দিন বা এক মাস অন্তর পোলট্রি পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিতে হবে। কৃষি খাতে যেভাবে সরকার সার, ওষুধ, বিদ্যুৎ ইত্যাদিতে ভর্তুকিসহ প্রণোদনা দেয় তেমনি পোলট্রি খামারিদেরও বাচ্চার মূল্য ও খাদ্যের মূল্যে ভর্তুকি দিয়ে ডিমের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। পোলট্রি খাদ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায় আনার জন্য সরকারের তরফ থেকে জাতীয় কমিটির মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য তদারকি করতে হবে।
কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা সূত্রে জানা গেছে, এ জেলায় প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি পোলট্রি খামার ছিল। করোনা মহামারির ২ বছরে এই সেক্টরে খামারিদের প্রচুর লোকসান হয়েছে। তারপর একটু একটু করে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল। কিন্তু এখন পোলট্রি খাদ্যের মূল্য প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে অনুযায়ী ডিম এবং মুরগির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে না। ডিম এবং মুরগির ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে তাঁরা খামার বন্ধ করে দিচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কিশোরগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মুজিবুর রহমান বেলাল, সহসভাপতি ইকবাল আহমেদ চৌধুরী অপু, সদস্য আলাউদ্দিন মাস্টার, বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. সাদেকুর রহমান প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে