নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে নিষেধ করাই ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আশিকুর রহমান রকিকে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা বলে দাবি করেন তাঁর সহপাঠীরা। তারা বলেন, রকি হত্যাকাণ্ডের ৮ মাস পার হয়ে গেলেও এখনো তাঁর বিচার হয়নি। তাদের বাদী কোনো অদৃশ্য শক্তির জন্য এত দিন পার হয়ে গেলেও মামলার চার্টশিট দিচ্ছে না পুলিশ।
আজ শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আশিকুর রহমান রকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত চার্জশিট প্রদান ও হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করার দাবিতে ঢাকায় বসবাসকারী গাইবান্ধাবাসীরা মানববন্ধন করেন।
এতে রকির পরিবারের সদস্যরাসহ একাত্মতা প্রকাশ করেন নিহত রকির বন্ধু মহল, স্থানীয় ছাত্রলীগ ও এলাকাবাসী। রকি হত্যার দ্রুত চার্জশিট গঠন ও হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করার দাবি করেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রকি হত্যাকাণ্ডের ৮ মাস অতিবাহিত হলেও চার্জশিট প্রদান করা হচ্ছে না। আসামিদের অনেকেই গ্রেপ্তার হলেও আবার তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন স্থানীয় প্রভাবশালীদের সঙ্গে আঁতাত করে আসামিদের রক্ষা করার পাঁয়তারা করছে। হত্যাকারীদের রক্ষার কোনো পাঁয়তারা গাইবান্ধাবাসী মেনে নেবে না। গাইবান্ধাবাসীসহ দেশের মানুষ হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ সাজা দেখতে চায়।
তারা আরও বলেন, একের পর এক হত্যা হলেও হত্যাকারীরা সাজা পাচ্ছে না। ফলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হত্যা-সন্ত্রাসের লাগাম টানতে অপরাধীদের দ্রুত বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক সাজার আওতায় নিয়ে আশার বিকল্প নেই। মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে রকি হত্যার চার্জশিট গঠন ও দ্রুত বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
নিহত রকির বড় ভাই আতিকুর রহমান রুস্তম বলেন, ‘ছোট ভাই হত্যার বিচার চেয়ে পুলিশসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের দারে দারে ঘুরেছি। কিন্তু কোনো পাত্তা পাইনি। আমার ভাই তো কারও ক্ষতি করে নি। সে ছাত্রলীগের রাজনীতি করত, এটাই কি তাঁর অপরাধ। এই জন্যই কি তাঁর হত্যা বিচার হবে না। আমার ছোট ভাইয়ের হত্যাকারীরা বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করা হলেও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
আতিকুর রহমান রুস্তম বলেন, ‘ছোট ভাই রকি হত্যার বিষয় নিয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য তাঁর বাসায় এসেছি। আমরা এসেছি ছাত্রলীগের অভিভাবক আল নাহিয়ান সঙ্গে বিষয়টি বলার জন্য। কিসের জন্য ছাত্রলীগের কর্মী হত্যার মামলা নিয়ে পুলিশ গড়িমসি করছে।’
হত্যাকাণ্ডের পরের দিন নিহত রকির বড় ভাই আতিকুর রহমান রোস্তম বাদী হয়ে ফুলছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার হন কাঞ্চন, ইমরান, রবিন, সোহাগ, মানিক, নাহিদ ও সৈকত। তবে এই হত্যা মামলার আসামি কাঞ্চন, ইমরান ও সোহাগ ছাড়া বাকিদের মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
পরে ফুলছড়ি উপজেলা যুবলীগ নেতা রেদোওয়ান আশরাফ এলিচের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়াত চৌধুরী, নিহতের বড় ভাই আতিকুর রহমান রুস্তম ও শরিফুল আনোয়ার স্বজ্জন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ জুলাই ফুলছড়ি উপজেলা শহরের কঞ্চিপাড়ায় নিজেদের বাসায় ফেরার পথে পূর্ব পাড়ায় উপজেলার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আশিকুর রহমান রকির ওপর স্থানীয় সন্ত্রাসী কাঞ্চন, ইমরান, রবিন ও সোহাগ নৃশংস হামলা করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে নিষেধ করাই ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আশিকুর রহমান রকিকে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা বলে দাবি করেন তাঁর সহপাঠীরা। তারা বলেন, রকি হত্যাকাণ্ডের ৮ মাস পার হয়ে গেলেও এখনো তাঁর বিচার হয়নি। তাদের বাদী কোনো অদৃশ্য শক্তির জন্য এত দিন পার হয়ে গেলেও মামলার চার্টশিট দিচ্ছে না পুলিশ।
আজ শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আশিকুর রহমান রকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত চার্জশিট প্রদান ও হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করার দাবিতে ঢাকায় বসবাসকারী গাইবান্ধাবাসীরা মানববন্ধন করেন।
এতে রকির পরিবারের সদস্যরাসহ একাত্মতা প্রকাশ করেন নিহত রকির বন্ধু মহল, স্থানীয় ছাত্রলীগ ও এলাকাবাসী। রকি হত্যার দ্রুত চার্জশিট গঠন ও হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করার দাবি করেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রকি হত্যাকাণ্ডের ৮ মাস অতিবাহিত হলেও চার্জশিট প্রদান করা হচ্ছে না। আসামিদের অনেকেই গ্রেপ্তার হলেও আবার তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন স্থানীয় প্রভাবশালীদের সঙ্গে আঁতাত করে আসামিদের রক্ষা করার পাঁয়তারা করছে। হত্যাকারীদের রক্ষার কোনো পাঁয়তারা গাইবান্ধাবাসী মেনে নেবে না। গাইবান্ধাবাসীসহ দেশের মানুষ হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ সাজা দেখতে চায়।
তারা আরও বলেন, একের পর এক হত্যা হলেও হত্যাকারীরা সাজা পাচ্ছে না। ফলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হত্যা-সন্ত্রাসের লাগাম টানতে অপরাধীদের দ্রুত বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক সাজার আওতায় নিয়ে আশার বিকল্প নেই। মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে রকি হত্যার চার্জশিট গঠন ও দ্রুত বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
নিহত রকির বড় ভাই আতিকুর রহমান রুস্তম বলেন, ‘ছোট ভাই হত্যার বিচার চেয়ে পুলিশসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের দারে দারে ঘুরেছি। কিন্তু কোনো পাত্তা পাইনি। আমার ভাই তো কারও ক্ষতি করে নি। সে ছাত্রলীগের রাজনীতি করত, এটাই কি তাঁর অপরাধ। এই জন্যই কি তাঁর হত্যা বিচার হবে না। আমার ছোট ভাইয়ের হত্যাকারীরা বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করা হলেও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
আতিকুর রহমান রুস্তম বলেন, ‘ছোট ভাই রকি হত্যার বিষয় নিয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য তাঁর বাসায় এসেছি। আমরা এসেছি ছাত্রলীগের অভিভাবক আল নাহিয়ান সঙ্গে বিষয়টি বলার জন্য। কিসের জন্য ছাত্রলীগের কর্মী হত্যার মামলা নিয়ে পুলিশ গড়িমসি করছে।’
হত্যাকাণ্ডের পরের দিন নিহত রকির বড় ভাই আতিকুর রহমান রোস্তম বাদী হয়ে ফুলছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার হন কাঞ্চন, ইমরান, রবিন, সোহাগ, মানিক, নাহিদ ও সৈকত। তবে এই হত্যা মামলার আসামি কাঞ্চন, ইমরান ও সোহাগ ছাড়া বাকিদের মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
পরে ফুলছড়ি উপজেলা যুবলীগ নেতা রেদোওয়ান আশরাফ এলিচের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়াত চৌধুরী, নিহতের বড় ভাই আতিকুর রহমান রুস্তম ও শরিফুল আনোয়ার স্বজ্জন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ জুলাই ফুলছড়ি উপজেলা শহরের কঞ্চিপাড়ায় নিজেদের বাসায় ফেরার পথে পূর্ব পাড়ায় উপজেলার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আশিকুর রহমান রকির ওপর স্থানীয় সন্ত্রাসী কাঞ্চন, ইমরান, রবিন ও সোহাগ নৃশংস হামলা করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে