নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নগর পরিবহন পরিচালনার পরীক্ষায় শতভাগ সফল হওয়ার দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের দুই মেয়র। আজ মঙ্গলবার নগর ভবনে বাস রুট রেশনালাইজেশনের ২২তম সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ দাবি করেন তাঁরা।
সভা শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঢাকা নগর পরিবহনসেবা এরই মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে, সমাদৃত হয়েছে। ঢাকাবাসী সাদরে গ্রহণ করেছে, যাত্রীসেবার মান অত্যন্ত সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে।’
তাপস বলেন, ‘৩০ দিনের মধ্যে ট্রান্স সিলভা আরও নতুন ২০টি বাস যাত্রাপথে যুক্ত করবে। জাহান এন্টারপ্রাইজকে ৪০টির প্রস্তাব দেওয়া আছে। আমরা দুই মেয়র মিলে এ পরীক্ষায় একশতে একশ নম্বর পেয়েছি। আনিসুল হক সাহেবের পরিকল্পনা বা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। যদিও এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অত্যন্ত দুরূহ ছিল।’
যাত্রীসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যাত্রীসেবা আমাদের প্রাধান্যের বিষয়। বাস সার্ভিসের যাত্রীরা অত্যন্ত খুশি। তাদের অতিরিক্ত টাকা ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে না। নির্দিষ্ট জায়গায় থেকে উঠতে পারে আবার নির্দিষ্ট জায়গায় নামতে পারছে। আমরা মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পেরেছি।’
সভার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘গত সভায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আরও তিনটি পথ চালু হবে। তিনটি পথ চালুর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছি। এই যাত্রাপথগুলোকে আরও সুনির্দিষ্ট করেছি। ২২তম যাত্রাপথে ৫০টি বাসসেবা চালু করা হবে। ২৩ নম্বর যাত্রাপথে ১০০টি বাস এবং ২৬ নম্বর যাত্রাপথে ৭৫টি বাস চালু করা হবে। সব মিলিয়ে ২২৫টি বাস চালু হবে। আগামী ৯০ দিনের জন্য সময় দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। ২০১৯ সালের পর থেকে এবং নতুন বাস দেওয়া হবে।’
সেই সঙ্গে বাস টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়ে মেয়র তাপস বলেন, ‘আন্তজেলা বাসগুলো আমাদের চারটি বাস টার্মিনালে নামাবে, ঢাকায় ঢুকবে না। এই টার্মিনালগুলো নির্মাণ এবং ঘাটারচরে ডিপো এবং টার্মিনাল করতে হবে। এই টার্মিনালগুলো নির্মাণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন তাদের নিজ নিজ টার্মিনাল নির্মাণে কাজ শুরু করবে। দ্রুত এই কার্যক্রম চালু করার জন্য আমরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
সভা শেষে ঢাকা উওর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাস রুট রেশনালাইজেশনের আওতায় শহরের রুট যেগুলো আছে সেগুলোতে কীভাবে দ্রুত বাসসেবা দেওয়া যায়, সে ব্যাপারে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। রুট ২২-এ কীভাবে আরও ১০০ বাস দেওয়া যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা করেছি।’
মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘২৩ নম্বর রুট বছিলা থেকে শুরু করে মোহাম্মদপুর, শিয়া মসজিদ, শ্যামলী, কমলাপুর হয়ে সরাসরি চলে যাবে কাঁচপুর পর্যন্ত। রুট ২৬ ঘাটারচর থেকে শুরু করে সুলতানা কামাল ব্রিজ পর্যন্ত চলে যাবে। আরেকটা রুট হবে ঘাটারচর থেকে শুরু হয়ে আজিমপুর হয়ে পোস্তগোলা কদমতলী থানা পর্যন্ত।’
ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন বিআরটিএ থেকে ঢাকায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ গাড়ি নামছে সড়কে। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করে সড়কে বাসের সংখ্যা বাড়ানো যায়, সেটা নিয়ে কাজ করতে হবে।’
এ সভায় দুই মেয়র ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাসরুট রেশনালাইজেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নগর পরিবহন পরিচালনার পরীক্ষায় শতভাগ সফল হওয়ার দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের দুই মেয়র। আজ মঙ্গলবার নগর ভবনে বাস রুট রেশনালাইজেশনের ২২তম সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ দাবি করেন তাঁরা।
সভা শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঢাকা নগর পরিবহনসেবা এরই মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে, সমাদৃত হয়েছে। ঢাকাবাসী সাদরে গ্রহণ করেছে, যাত্রীসেবার মান অত্যন্ত সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে।’
তাপস বলেন, ‘৩০ দিনের মধ্যে ট্রান্স সিলভা আরও নতুন ২০টি বাস যাত্রাপথে যুক্ত করবে। জাহান এন্টারপ্রাইজকে ৪০টির প্রস্তাব দেওয়া আছে। আমরা দুই মেয়র মিলে এ পরীক্ষায় একশতে একশ নম্বর পেয়েছি। আনিসুল হক সাহেবের পরিকল্পনা বা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। যদিও এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অত্যন্ত দুরূহ ছিল।’
যাত্রীসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যাত্রীসেবা আমাদের প্রাধান্যের বিষয়। বাস সার্ভিসের যাত্রীরা অত্যন্ত খুশি। তাদের অতিরিক্ত টাকা ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে না। নির্দিষ্ট জায়গায় থেকে উঠতে পারে আবার নির্দিষ্ট জায়গায় নামতে পারছে। আমরা মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পেরেছি।’
সভার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘গত সভায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আরও তিনটি পথ চালু হবে। তিনটি পথ চালুর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছি। এই যাত্রাপথগুলোকে আরও সুনির্দিষ্ট করেছি। ২২তম যাত্রাপথে ৫০টি বাসসেবা চালু করা হবে। ২৩ নম্বর যাত্রাপথে ১০০টি বাস এবং ২৬ নম্বর যাত্রাপথে ৭৫টি বাস চালু করা হবে। সব মিলিয়ে ২২৫টি বাস চালু হবে। আগামী ৯০ দিনের জন্য সময় দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। ২০১৯ সালের পর থেকে এবং নতুন বাস দেওয়া হবে।’
সেই সঙ্গে বাস টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়ে মেয়র তাপস বলেন, ‘আন্তজেলা বাসগুলো আমাদের চারটি বাস টার্মিনালে নামাবে, ঢাকায় ঢুকবে না। এই টার্মিনালগুলো নির্মাণ এবং ঘাটারচরে ডিপো এবং টার্মিনাল করতে হবে। এই টার্মিনালগুলো নির্মাণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন তাদের নিজ নিজ টার্মিনাল নির্মাণে কাজ শুরু করবে। দ্রুত এই কার্যক্রম চালু করার জন্য আমরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
সভা শেষে ঢাকা উওর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাস রুট রেশনালাইজেশনের আওতায় শহরের রুট যেগুলো আছে সেগুলোতে কীভাবে দ্রুত বাসসেবা দেওয়া যায়, সে ব্যাপারে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। রুট ২২-এ কীভাবে আরও ১০০ বাস দেওয়া যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা করেছি।’
মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘২৩ নম্বর রুট বছিলা থেকে শুরু করে মোহাম্মদপুর, শিয়া মসজিদ, শ্যামলী, কমলাপুর হয়ে সরাসরি চলে যাবে কাঁচপুর পর্যন্ত। রুট ২৬ ঘাটারচর থেকে শুরু করে সুলতানা কামাল ব্রিজ পর্যন্ত চলে যাবে। আরেকটা রুট হবে ঘাটারচর থেকে শুরু হয়ে আজিমপুর হয়ে পোস্তগোলা কদমতলী থানা পর্যন্ত।’
ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন বিআরটিএ থেকে ঢাকায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ গাড়ি নামছে সড়কে। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করে সড়কে বাসের সংখ্যা বাড়ানো যায়, সেটা নিয়ে কাজ করতে হবে।’
এ সভায় দুই মেয়র ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাসরুট রেশনালাইজেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে