সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

স্থানীয় একটি সড়কের অংশ দখল করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী জমি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এতে বন্ধ হয়ে গেছে পার্শ্ববর্তী কবরস্থানের যাওয়ার পথটিও। এরই মধ্যে সড়কের মাটি কেটে সরানো হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করলেও আতঙ্কে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা।
আজ সোমবার সকালে সাভার উপজেলার আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া নয়াপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায় সড়কে অন্তত ৬ ফুট মাটি কেটে দখল করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাঠগড়া-জামগড়া সড়কের ব্যাপারী বাড়ি মসজিদ পয়েন্ট থেকে জিয়া হাউজিং-রংমালা হাকিম কারবালা হয়ে কান্দাইল গ্রামের সংযোগ সড়কটির একাংশে মাটি কেটে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে স্থানীয় আব্দুর রহমান নবী তাঁর জমির সামনে থাকা সড়কের অংশ কেটে নিজের জমির সঙ্গে মিলিয়ে উঁচু করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, ‘এই কারবালা আমাদের এলাকার কবরস্থান। সড়কের পূর্বদিকে কান্দাইল গ্রাম ও পশ্চিম দিকে নয়াপাড়া গ্রামের সঙ্গে সংযুক্ত। কবরস্থানে কান্দাইল ও নয়াপাড়া গ্রামের মানুষ লাশ দাফন করে। স্থানীয় জমি ব্যবসায়ী নবীর জমির পাশ দিয়ে এই সড়কের অবস্থান। শুনেছি তিনি এই জমি একটি কারখানার কাছে বিক্রি করেছেন। আমরা এলাকাবাসী যার যার বাড়ির পাশের জায়গা ছেড়ে রাস্তা বানিয়েছি। যেই অংশে রাস্তা কাটা হয়েছে সেই অংশের উল্টো পাশে যার জমি সে কিন্তু ৬ ফুট জায়গা ছেড়েছে।’
স্থানীয় আনোয়ার বলেন, ‘নবী জমির ব্যবসা করে। এই রাস্তা বন্ধ হয়ে গেলে পেছনের জমিগুলোর মানুষ ভোগান্তিতে পড়বে। এই সুযোগে নবী কম দামে সেই জমিগুলো কিনে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে।’
ওই কবরস্থানের জমিদাতা পরিবারের সদস্য অ্যাডভোকেট ফরিদুর রহমান লিটন বলেন, ‘রাস্তা ব্যবহারকারীদের আবেদনের ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের সহযোগিতায় এই রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। জমি ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান নবীর সম্মতিতেই প্রায় আড়াই বছর আগে এই রাস্তা নির্মাণ হয়। রাস্তা কেটে বেশি জমি বিক্রি করাই এখন তাঁর উদ্দেশ্য। আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের দাবি জানাই।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান নবী বলেন, ‘আমি এই জমি একটি পোশাক কারখানার কাছে বিক্রি করেছি। তাদের এখনো জমিটি বুঝিয়ে দিইনি। জমির ওপর মাটি ফেলে রাস্তা বানানো হয়েছে তা আমি জানি না। জমি বুঝিয়ে দিতে চাইলে আমার তো পুরো জমি লাগবে। ১ শতাংশ জমিও যদি কম পরে আমি কীভাবে বুঝিয়ে দেব।’
সরকারি মাটি কেন নিজের জমিতে নিলেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘আমি মাটির ব্যাপারে কিছুই জানি না। কবে এই মাটি ফেলা হয়েছে তাও আমি জানি না। আমাকে জিজ্ঞাসা না করেই আমার জমিতে মাটি ফেলেছে।’
স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার বলেন, ‘আমি শুনেছি রাস্তার মাটি কেটে ফেলা হয়েছে। কয়েক বছর আগে টিআর-কাবিখার ৪০ দিনের প্রকল্পের মাধ্যমে এই সড়কে মাটি ফেলা হয়েছিল। আমি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছি। আমরা আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব যেন মানুষ ভোগান্তিতে না পরে। চেয়ারম্যান মহোদয় পরিদর্শনে আসবেন মঙ্গলবার।’
আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলের সহ-কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ভুক্তভোগী জনগণ ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ইউএনও মহোদয়ের কাছে আবেদন করলে আমরা ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশনায় অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

স্থানীয় একটি সড়কের অংশ দখল করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী জমি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এতে বন্ধ হয়ে গেছে পার্শ্ববর্তী কবরস্থানের যাওয়ার পথটিও। এরই মধ্যে সড়কের মাটি কেটে সরানো হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করলেও আতঙ্কে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা।
আজ সোমবার সকালে সাভার উপজেলার আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া নয়াপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায় সড়কে অন্তত ৬ ফুট মাটি কেটে দখল করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাঠগড়া-জামগড়া সড়কের ব্যাপারী বাড়ি মসজিদ পয়েন্ট থেকে জিয়া হাউজিং-রংমালা হাকিম কারবালা হয়ে কান্দাইল গ্রামের সংযোগ সড়কটির একাংশে মাটি কেটে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে স্থানীয় আব্দুর রহমান নবী তাঁর জমির সামনে থাকা সড়কের অংশ কেটে নিজের জমির সঙ্গে মিলিয়ে উঁচু করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, ‘এই কারবালা আমাদের এলাকার কবরস্থান। সড়কের পূর্বদিকে কান্দাইল গ্রাম ও পশ্চিম দিকে নয়াপাড়া গ্রামের সঙ্গে সংযুক্ত। কবরস্থানে কান্দাইল ও নয়াপাড়া গ্রামের মানুষ লাশ দাফন করে। স্থানীয় জমি ব্যবসায়ী নবীর জমির পাশ দিয়ে এই সড়কের অবস্থান। শুনেছি তিনি এই জমি একটি কারখানার কাছে বিক্রি করেছেন। আমরা এলাকাবাসী যার যার বাড়ির পাশের জায়গা ছেড়ে রাস্তা বানিয়েছি। যেই অংশে রাস্তা কাটা হয়েছে সেই অংশের উল্টো পাশে যার জমি সে কিন্তু ৬ ফুট জায়গা ছেড়েছে।’
স্থানীয় আনোয়ার বলেন, ‘নবী জমির ব্যবসা করে। এই রাস্তা বন্ধ হয়ে গেলে পেছনের জমিগুলোর মানুষ ভোগান্তিতে পড়বে। এই সুযোগে নবী কম দামে সেই জমিগুলো কিনে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে।’
ওই কবরস্থানের জমিদাতা পরিবারের সদস্য অ্যাডভোকেট ফরিদুর রহমান লিটন বলেন, ‘রাস্তা ব্যবহারকারীদের আবেদনের ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের সহযোগিতায় এই রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। জমি ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান নবীর সম্মতিতেই প্রায় আড়াই বছর আগে এই রাস্তা নির্মাণ হয়। রাস্তা কেটে বেশি জমি বিক্রি করাই এখন তাঁর উদ্দেশ্য। আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের দাবি জানাই।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান নবী বলেন, ‘আমি এই জমি একটি পোশাক কারখানার কাছে বিক্রি করেছি। তাদের এখনো জমিটি বুঝিয়ে দিইনি। জমির ওপর মাটি ফেলে রাস্তা বানানো হয়েছে তা আমি জানি না। জমি বুঝিয়ে দিতে চাইলে আমার তো পুরো জমি লাগবে। ১ শতাংশ জমিও যদি কম পরে আমি কীভাবে বুঝিয়ে দেব।’
সরকারি মাটি কেন নিজের জমিতে নিলেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘আমি মাটির ব্যাপারে কিছুই জানি না। কবে এই মাটি ফেলা হয়েছে তাও আমি জানি না। আমাকে জিজ্ঞাসা না করেই আমার জমিতে মাটি ফেলেছে।’
স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার বলেন, ‘আমি শুনেছি রাস্তার মাটি কেটে ফেলা হয়েছে। কয়েক বছর আগে টিআর-কাবিখার ৪০ দিনের প্রকল্পের মাধ্যমে এই সড়কে মাটি ফেলা হয়েছিল। আমি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছি। আমরা আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব যেন মানুষ ভোগান্তিতে না পরে। চেয়ারম্যান মহোদয় পরিদর্শনে আসবেন মঙ্গলবার।’
আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলের সহ-কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ভুক্তভোগী জনগণ ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ইউএনও মহোদয়ের কাছে আবেদন করলে আমরা ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশনায় অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাত সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুর রহিম (৫০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।
৩ মিনিট আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আরাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
২৭ মিনিট আগে
টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
১ ঘণ্টা আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
২ ঘণ্টা আগে