
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলায় মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। মহিউদ্দিনের রিভিউ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি বোরহান উদ্দিন গত ৪ অক্টোবর এই আদেশ দেন।
একই সঙ্গে আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আগামী ১৭ নভেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। এর ফলে ওই আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসি কার্যকর স্থগিত থাকবে। রিভিউ আবেদন খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার সুযোগ থাকবে।
এর আগে অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় ৫ এপ্রিল বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি গত ১৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
এদিকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত নাজমুল আলমও রিভিউ আবেদন করেছেন। তাঁদের আইনজীবী মো. তাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক আবেদন করা হয়েছে। তবে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুস সালাম রিভিউ আবেদন করেছেন কি না, তা জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারের ম্যানহোল থেকে অধ্যাপক তাহেরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ মতিহার থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল চারজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে খালাস দেন। বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য নথি পাঠানো হয় হাইকোর্টে। এর পর আপিল করেন আসামিরা। ডেথ রেফারেন্স ও আপিল নিষ্পত্তি করে হাইকোর্ট দুজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে অন্য দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা। অন্যদিকে সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া দুজনের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলায় মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। মহিউদ্দিনের রিভিউ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি বোরহান উদ্দিন গত ৪ অক্টোবর এই আদেশ দেন।
একই সঙ্গে আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আগামী ১৭ নভেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। এর ফলে ওই আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসি কার্যকর স্থগিত থাকবে। রিভিউ আবেদন খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার সুযোগ থাকবে।
এর আগে অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় ৫ এপ্রিল বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি গত ১৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
এদিকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত নাজমুল আলমও রিভিউ আবেদন করেছেন। তাঁদের আইনজীবী মো. তাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক আবেদন করা হয়েছে। তবে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুস সালাম রিভিউ আবেদন করেছেন কি না, তা জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারের ম্যানহোল থেকে অধ্যাপক তাহেরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ মতিহার থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল চারজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে খালাস দেন। বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য নথি পাঠানো হয় হাইকোর্টে। এর পর আপিল করেন আসামিরা। ডেথ রেফারেন্স ও আপিল নিষ্পত্তি করে হাইকোর্ট দুজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে অন্য দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা। অন্যদিকে সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া দুজনের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
১১ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
১১ ঘণ্টা আগে