আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সড়কে আইন ভঙ্গ করে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা না করার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ ছাড়া উল্টো পথে রিকশাচালকদের যেতে প্ররোচিত করলে যাত্রীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
আজ রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপির পক্ষ থেকে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগরীতে প্রায়ই রিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশা বিভিন্ন সড়কে উল্টো পথে চলাচল করে থাকে। প্রায় সব ক্ষেত্রে রিকশার যাত্রীরা চালককে উল্টো পথে যেতে প্ররোচিত করে থাকেন। আবার প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কেও রিকশা চলাচলে যাত্রীরা চালকে প্ররোচিত করেন। উল্টো পথে এবং অননুমোদিত সড়কে রিকশা চলাচলের ফলে যানজট বৃদ্ধির পাশাপাশি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আবার অনেক সময় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় যাত্রী-চালকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন সড়কে মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, সরকারি যানবাহন, বিভিন্ন পেশাজীবী পরিচয় বহনকারী যানবাহন উল্টো পথে চলাচল করতে দেখা যায়। এতে সড়কে যানজট বৃদ্ধির পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্য যানবাহনের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের সময় অনেক ক্ষেত্রে বাধা দেন। এমন পরিস্থিতিতে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে যাত্রী বা চালককে গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের হাতে সোপর্দ করতে হয়। এ ছাড়া সড়কে গাড়ি পার্কিং করে যানজট বৃদ্ধি করে থাকে। সম্প্রতি সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উল্টো পথে চলাচলের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর মতো ঘটনা ঘটেছে।
মহানগরীর রিকশাযাত্রী, চালক, মোটরসাইকেলচালক এবং সরকারি যানবাহন চালকসহ অন্য চালকদের উল্টো পথে না চলা, ঝুঁকিপূর্ণ অননুমোদিত যানবাহনে ভ্রমণ ও অননুমোদিত সড়কে যান নিয়ে প্রবেশ না করা এবং ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা না করার অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সড়কে আইন ভঙ্গ করে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা না করার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ ছাড়া উল্টো পথে রিকশাচালকদের যেতে প্ররোচিত করলে যাত্রীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
আজ রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপির পক্ষ থেকে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগরীতে প্রায়ই রিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশা বিভিন্ন সড়কে উল্টো পথে চলাচল করে থাকে। প্রায় সব ক্ষেত্রে রিকশার যাত্রীরা চালককে উল্টো পথে যেতে প্ররোচিত করে থাকেন। আবার প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কেও রিকশা চলাচলে যাত্রীরা চালকে প্ররোচিত করেন। উল্টো পথে এবং অননুমোদিত সড়কে রিকশা চলাচলের ফলে যানজট বৃদ্ধির পাশাপাশি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আবার অনেক সময় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় যাত্রী-চালকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন সড়কে মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, সরকারি যানবাহন, বিভিন্ন পেশাজীবী পরিচয় বহনকারী যানবাহন উল্টো পথে চলাচল করতে দেখা যায়। এতে সড়কে যানজট বৃদ্ধির পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্য যানবাহনের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের সময় অনেক ক্ষেত্রে বাধা দেন। এমন পরিস্থিতিতে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে যাত্রী বা চালককে গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের হাতে সোপর্দ করতে হয়। এ ছাড়া সড়কে গাড়ি পার্কিং করে যানজট বৃদ্ধি করে থাকে। সম্প্রতি সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উল্টো পথে চলাচলের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর মতো ঘটনা ঘটেছে।
মহানগরীর রিকশাযাত্রী, চালক, মোটরসাইকেলচালক এবং সরকারি যানবাহন চালকসহ অন্য চালকদের উল্টো পথে না চলা, ঝুঁকিপূর্ণ অননুমোদিত যানবাহনে ভ্রমণ ও অননুমোদিত সড়কে যান নিয়ে প্রবেশ না করা এবং ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা না করার অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
৫ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১০ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
২৩ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩০ মিনিট আগে