নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

যারা মানিক সাহার মতো সাংবাদিকদের হত্যা করে, তারা সত্যের শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত স্মৃতিচারণা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘এসব হত্যাকাণ্ডের বিচারের নামে যে প্রহসন হয়, এটা মানিক সাহার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাংবাদিক হত্যায় প্রহসনের বিচার প্রতিরোধ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের সামনে সাংবাদিকদের ত্যাগ ও নিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরতে প্রতিনিয়ত মানিক সাহার মতো আত্মত্যাগীদের স্মরণ করতে হবে।’
এ সভায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘আইন অন্যায্য হলে সুষ্ঠু বিচার অসম্ভব। মানিক সাহাসহ অন্যান্য সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচারের পেছনে আইনের সীমাবদ্ধতা ও সঠিক প্রয়োগের অভাবই দায়ী।’ মানিক সাহা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পকারীদের পরিচয় উন্মোচন করতে একটি টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে মানিক সাহা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার হয়নি। অথচ তিনি গণমানুষের স্বার্থে সাংবাদিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।’
সাংবাদিক শ্যামল দত্ত বলেন, ‘মানিক সাহা আমৃত্যু জনমুখী সাংবাদিকতা করেছেন, মুক্তিযুদ্ধ ও সমতার পক্ষে আপসহীন ছিলেন। জনমুখী সাংবাদিকতার জন্যই মৌলবাদী শক্তি তাঁকে হত্যা করেছে। তাঁর হত্যাকাণ্ডের বিচারের নামে যে গোঁজামিলের রায় দেওয়া হয়েছে, তা সবাই প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত চাই।’
স্মরণসভায় সাংবাদিক নিখিল চন্দ্র ভদ্রের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওমর ফারুক, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, নিউজ ২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক রাহুল রাহা প্রমুখ।
২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে দুর্বৃত্তদের বোমা হামলায় মানিক সাহা নিহত হন। সভার শুরুতে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এর আগে মানিক সাহার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

যারা মানিক সাহার মতো সাংবাদিকদের হত্যা করে, তারা সত্যের শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত স্মৃতিচারণা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘এসব হত্যাকাণ্ডের বিচারের নামে যে প্রহসন হয়, এটা মানিক সাহার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাংবাদিক হত্যায় প্রহসনের বিচার প্রতিরোধ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের সামনে সাংবাদিকদের ত্যাগ ও নিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরতে প্রতিনিয়ত মানিক সাহার মতো আত্মত্যাগীদের স্মরণ করতে হবে।’
এ সভায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘আইন অন্যায্য হলে সুষ্ঠু বিচার অসম্ভব। মানিক সাহাসহ অন্যান্য সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচারের পেছনে আইনের সীমাবদ্ধতা ও সঠিক প্রয়োগের অভাবই দায়ী।’ মানিক সাহা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পকারীদের পরিচয় উন্মোচন করতে একটি টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে মানিক সাহা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার হয়নি। অথচ তিনি গণমানুষের স্বার্থে সাংবাদিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।’
সাংবাদিক শ্যামল দত্ত বলেন, ‘মানিক সাহা আমৃত্যু জনমুখী সাংবাদিকতা করেছেন, মুক্তিযুদ্ধ ও সমতার পক্ষে আপসহীন ছিলেন। জনমুখী সাংবাদিকতার জন্যই মৌলবাদী শক্তি তাঁকে হত্যা করেছে। তাঁর হত্যাকাণ্ডের বিচারের নামে যে গোঁজামিলের রায় দেওয়া হয়েছে, তা সবাই প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত চাই।’
স্মরণসভায় সাংবাদিক নিখিল চন্দ্র ভদ্রের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওমর ফারুক, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, নিউজ ২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক রাহুল রাহা প্রমুখ।
২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে দুর্বৃত্তদের বোমা হামলায় মানিক সাহা নিহত হন। সভার শুরুতে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এর আগে মানিক সাহার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাত সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুর রহিম (৫০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।
৯ মিনিট আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আরাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
৩২ মিনিট আগে
টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
২ ঘণ্টা আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
২ ঘণ্টা আগে