
রাজধানীর ডেমরায় বাসের ধাক্কায় তিনজন লেগুনা আরোহী নিহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও তিনজন। তবে তাৎক্ষণিক নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ডেমরার বাঁশেরপুল ও বামৈল এলাকার মাঝামাঝি বার্জার পেইন্টের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতেরা হলেন আনুমানিক ৫০ বছর বয়সী এক নারী, ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী ও ৩৬ বছর বয়সী এক যুবক।
আহতেরা হলেন শামীম (৩৭), মইনুদ্দিন (৩৬) ও আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক।
দুর্ঘটনায় আহত মইনুদ্দিন আজকের পত্রিকাকে জানান, তিনি গাজীপুরের টঙ্গীতে থাকেন। উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। সকালে অফিসের কাজে ডেমরায় এসেছিলেন। ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা থেকে লেগুনাটিতে উঠেছিলেন তিনি। নামার কথা ছিল ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের সামনে। পথে কীভাবে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে, কিছুই বলতে পারছেন না।
এ বিষয়ে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার রোডে বার্জার পেইন্টের সামনে রাস্তায় একটি বাস লেগুনাকে ধাক্কা দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরপরই চিকিৎসকেরা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আরও তিনজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাৎক্ষণিক নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া লেগুনাটি পুলিশ হেফাজতে আছে।’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মাস দুয়েক আগে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে দায়িত্বরত এক কনস্টেবলকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার তদন্তে নেমে বিদেশি একটি জঙ্গি সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা থাকার সন্দেহ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো হামলা ছিল না;
৩৮ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদে আব্দুল করিম (২২) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথের কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে এই ঘটনা ঘটে। তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল।
১ ঘণ্টা আগে
মিজান ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. নান্নু মোল্লার ছেলে। তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। স্ত্রী রোজিনা ও তিন মেয়ে ফাতেমা, আয়েশা ও বিবি পাবিয়ার সংসার চলত তাঁর আয়ে। জীবিকার তাগিদে নদীতে মাছ ধরতে যেতেন তিনি। ঘটনার দিন প্রতিদিনের মতো সকালে...
১ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের ১৩৭টি হাওরের দুই লক্ষাধিক হেক্টর জমিনের পাকা ধান নিয়ে ত্রাহি অবস্থা কৃষকদের। মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টির পানি জমে ফলনের একটা অংশ আগেভাগেই নষ্ট হয়েছে। শেষমেশ শ্রমিক, জ্বালানি ও যন্ত্রের সংকট থাকায় অবশিষ্ট ধান কাটতেও নানা ঝক্কি-ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে বলে জানান তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে