
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে চলন্ত ট্রেনের ছাদে আব্দুল করিম (২২) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথের কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে এই ঘটনা ঘটে। তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল।
আহত যুবক আব্দুল করিম জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকতার হোসেন বলেন, দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করছিলেন আব্দুল করিম নামের এক যুবক। ট্রেনটি কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের আগে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন আব্দুল করিম। ছিনতাইকারীরা আব্দুল করিমের ঘাড়ে ও পেটে ছুরিকাঘাত করে মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
আকতার হোসেন আরও বলেন, পরে তিস্তা ট্রেনের যাত্রীরা বিষয়টি টের পেয়ে কাওরাইদ স্টেশন থেকে আহত আব্দুল করিমকে ময়মনসিংহগামী যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠিয়ে দেন। পরে ট্রেনটি ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে এলে জিআরপি পুলিশ আব্দুল করিমকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ছিনতাইয়ের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে, আব্দুল করিমের পুরো নাম-ঠিকানা জানার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান ওসি আকতার হোসেন।

আহত ব্যক্তিদের পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের ইসলাম মন্ডলের ছেলে কালাম মন্ডলের (৩৫) সঙ্গে হায়দার মুন্সির দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। প্রায় তিন বছর আগে একটি মামলায় তাঁর পক্ষে সাক্ষ্য না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হন কালাম। সেই বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে শনিবার সন্ধ্যায় ডেকে নিয়ে কালামের নেতৃত্বে পাঁচ-ছয়জন ধারালো...
১৮ মিনিট আগে
শিক্ষকদের দাবি, ২০২২ সালে উপজেলার ১০টি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত হয়। এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতিটি এমপিও ফাইল প্রেরণের জন্য তিনি বারবার মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। টাকা না দিলে ফাইল ফেরত দেওয়া বা আটকে রাখার অভিযোগও রয়েছে।
২৩ মিনিট আগে
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মাস দুয়েক আগে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে দায়িত্বরত এক কনস্টেবলকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার তদন্তে নেমে বিদেশি একটি জঙ্গি সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা থাকার সন্দেহ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো হামলা ছিল না;
১ ঘণ্টা আগে
মিজান ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. নান্নু মোল্লার ছেলে। তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। স্ত্রী রোজিনা ও তিন মেয়ে ফাতেমা, আয়েশা ও বিবি পাবিয়ার সংসার চলত তাঁর আয়ে। জীবিকার তাগিদে নদীতে মাছ ধরতে যেতেন তিনি। ঘটনার দিন প্রতিদিনের মতো সকালে...
২ ঘণ্টা আগে