নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর নতুন বাজারের ১০০ ফুট থেকে আফতাবনগর পর্যন্ত নৌপথ চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর সুতিভোলা খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মেয়র এ কথা বলেন।
ডিএনসিসির মেয়র বলেন, ‘সুতিভোলা খাল হয়ে সাতারকুল দিয়ে আফতাবনগর পর্যন্ত নৌপথ চালু হবে। সেভাবেই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। দখল ও দূষণমুক্ত করে হাতিরঝিলের আদলে সুতিভোলা খালকে নান্দনিকভাবে সাজানো হবে। নতুন বাজার ১০০ ফুট থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী সুতিভোলা খাল হয়ে আফতাবনগর পর্যন্ত নৌপথ চালু করা হবে। আধুনিকভাবে খালের পাড় বাঁধানো হবে, সবুজায়ন করা হবে। পাড় দিয়ে ওয়াকওয়ে ও সাইকেল লেন নির্মাণ করে দেওয়া হবে।’
এর আগে ডিএনসিসি মেয়র স্থানীয় কাউন্সিলরদের সঙ্গে নিয়ে সাতারকুল ব্রিজের নিচ থেকে নৌকায় চড়ে সরেজমিনে সুতিভোলা খাল পরিদর্শন করেন।
মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি আজকে সুতিভোলা খালে নৌকায় চড়েছি। স্থানীয় লোকজন আমাকে জানাল, দীর্ঘ চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর আগে এই ঐতিহ্যবাহী সুতিভোলা খাল দিয়ে নিয়মিত নৌকা চলত। কারওয়ান বাজার থেকে মালপত্র নিয়ে মানুষ এই খাল দিয়ে নৌকায় করে যাতায়াত করত। আজকে আবার দীর্ঘ সময় পরে আবার আমি এই খালে নৌকায় চড়লাম।’
খাল নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে নৌপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর জন্য খাল নিয়ে মাস্টারপ্ল্যানও করেছি। এক্সপার্টদের সঙ্গে আলাপ করছি কীভাবে সব নৌপথে সংযোগ সৃষ্টি করা যায়। অনেক বাজেট প্রয়োজন। বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আলাপ করছি। আশা করছি, জনগণের সহযোগিতায় দ্রুতই কার্যক্রম চালু করতে পারব।’
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এস এম শরিফুল ইসলাম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা নাছিমা খানম প্রমুখ।

রাজধানীর নতুন বাজারের ১০০ ফুট থেকে আফতাবনগর পর্যন্ত নৌপথ চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর সুতিভোলা খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মেয়র এ কথা বলেন।
ডিএনসিসির মেয়র বলেন, ‘সুতিভোলা খাল হয়ে সাতারকুল দিয়ে আফতাবনগর পর্যন্ত নৌপথ চালু হবে। সেভাবেই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। দখল ও দূষণমুক্ত করে হাতিরঝিলের আদলে সুতিভোলা খালকে নান্দনিকভাবে সাজানো হবে। নতুন বাজার ১০০ ফুট থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী সুতিভোলা খাল হয়ে আফতাবনগর পর্যন্ত নৌপথ চালু করা হবে। আধুনিকভাবে খালের পাড় বাঁধানো হবে, সবুজায়ন করা হবে। পাড় দিয়ে ওয়াকওয়ে ও সাইকেল লেন নির্মাণ করে দেওয়া হবে।’
এর আগে ডিএনসিসি মেয়র স্থানীয় কাউন্সিলরদের সঙ্গে নিয়ে সাতারকুল ব্রিজের নিচ থেকে নৌকায় চড়ে সরেজমিনে সুতিভোলা খাল পরিদর্শন করেন।
মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি আজকে সুতিভোলা খালে নৌকায় চড়েছি। স্থানীয় লোকজন আমাকে জানাল, দীর্ঘ চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর আগে এই ঐতিহ্যবাহী সুতিভোলা খাল দিয়ে নিয়মিত নৌকা চলত। কারওয়ান বাজার থেকে মালপত্র নিয়ে মানুষ এই খাল দিয়ে নৌকায় করে যাতায়াত করত। আজকে আবার দীর্ঘ সময় পরে আবার আমি এই খালে নৌকায় চড়লাম।’
খাল নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে নৌপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর জন্য খাল নিয়ে মাস্টারপ্ল্যানও করেছি। এক্সপার্টদের সঙ্গে আলাপ করছি কীভাবে সব নৌপথে সংযোগ সৃষ্টি করা যায়। অনেক বাজেট প্রয়োজন। বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আলাপ করছি। আশা করছি, জনগণের সহযোগিতায় দ্রুতই কার্যক্রম চালু করতে পারব।’
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এস এম শরিফুল ইসলাম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা নাছিমা খানম প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে