Ajker Patrika

পল্টনে ঝটিকা মিছিল: আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের গ্রেপ্তার ১৫ জন রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৮: ১৬
পল্টনে ঝটিকা মিছিল: আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের গ্রেপ্তার ১৫ জন রিমান্ডে
ফাইল ছবি

রাজধানীর পুরানা পল্টনে আজাদ প্রোডাক্টসের সামনে ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ১৫ নেতা-কর্মীকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

রিমান্ডে নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. মোস্তফা সরদার, ঢাকা ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান রাজীব, মো. রাশেদ, মো. সেলিম মিয়া, আব্দুস সামাদ রনি, মো. মমিন হাওলাদার, মো. এ জিহাদ, মহিউদ্দিন, মো. রাহাদ, রাতুল, মো. মারুফ, মো. রায়হান সানি, মো. আপন ও নাজমুল হাসান হৃদয়।

আজ দুপুরের পর ১৫ জন আসামিকে আদালতে হাজির করে পল্টন থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. মিরাজুল ইসলাম প্রত্যেককে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ঝটিকা মিছিল থেকে এই ১৫ জনকে আটক করা হয়। পরে এই ১৫ জনসহ ১২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পল্টন থানা-পুলিশ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৫ আসামিসহ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের ১০০ থেকে ১২০ জন নেতা-কর্মী সরকার ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্ন ও ক্ষতিসাধনের ষড়যন্ত্র এবং ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করার উদ্দেশ্যে ১৫ অক্টোবর বেলা সাড়ে ৩টার সময় পুরানা পল্টন আজাদ প্রোডাক্টস গলির মুখে রাস্তার ওপর সমবেত হয়ে বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন। পল্টন থানা-পুলিশ দ্রুত সেখানে হাজির হলে মিছিলকারীরা পালানোর চেষ্টাকালে ১৫ জনকে আটক করা হয়। অজ্ঞাতনামা অনেকেই পালিয়ে যান। আসামিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা বা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার নিমিত্তে রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগানের মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য সন্ত্রাসী কার্যক্রমের হীন ষড়যন্ত্র করার জোরালো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এমতাবস্থায় মামলার ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিদের শনাক্তকরণ, বড় ধরনের নাশকতা প্রতিরোধকল্পে নেপথ্য থেকে অর্থ সরবরাহকারী গডফাদারদের চিহ্নিতকরণ ও নাশকতায় ব্যবহৃত মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র এবং সরঞ্জামাদি উদ্ধারসহ রাষ্ট্রদ্রোহে লিপ্ত স্বৈরাচারের পলাতক দোসরদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত