নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন দায়িত্ব পালনে এক বছর পূর্ণ করলেন। আইজিপির বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সহকর্মীরা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
সোমবার (২ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে হল অব প্রাইডে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপিরা, ঢাকার পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের গণমাধ্যম শাখা থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর আস্থা রেখে আইজিপির দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ।’
সহকর্মীদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে আইজিপি বলেন, সকল পর্যায়ের সহকর্মী দায়িত্ব পালনকালে তাঁকে আন্তরিকতার সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কর্মকালে যদি কোনো অর্জন থেকে থাকে তাহলে তা সকল সহকর্মীর। আর ব্যর্থতা থাকলে বাহিনী প্রধান হিসেবে দায় তিনি নেবেন।
পুলিশ প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের জন্য, জনগণের জন্য দায়িত্ব পালন করছেন। বাহিনীর সবাই মিলে ভালো কাজ করছেন বলেই দেশে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। বাংলাদেশ পুলিশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য বাহিনী প্রধান হিসেবে আমি গর্ববোধ করি।’
আইজিপি আশা প্রকাশ করে বলেন, কনস্টেবল থেকে শুরু করে সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য তাঁকে যেভাবে সহযোগিতা করেছেন আগামী দিনে তা আরও সম্প্রসারিত হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. মনিরুল ইসলাম, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি এসএম রুহুল আমিন, অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজিপি মো. আতিকুল ইসলাম, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. শফিকুল ইসলাম, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ প্রমুখ।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন দায়িত্ব পালনে এক বছর পূর্ণ করলেন। আইজিপির বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সহকর্মীরা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
সোমবার (২ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে হল অব প্রাইডে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপিরা, ঢাকার পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের গণমাধ্যম শাখা থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর আস্থা রেখে আইজিপির দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ।’
সহকর্মীদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে আইজিপি বলেন, সকল পর্যায়ের সহকর্মী দায়িত্ব পালনকালে তাঁকে আন্তরিকতার সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কর্মকালে যদি কোনো অর্জন থেকে থাকে তাহলে তা সকল সহকর্মীর। আর ব্যর্থতা থাকলে বাহিনী প্রধান হিসেবে দায় তিনি নেবেন।
পুলিশ প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের জন্য, জনগণের জন্য দায়িত্ব পালন করছেন। বাহিনীর সবাই মিলে ভালো কাজ করছেন বলেই দেশে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। বাংলাদেশ পুলিশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য বাহিনী প্রধান হিসেবে আমি গর্ববোধ করি।’
আইজিপি আশা প্রকাশ করে বলেন, কনস্টেবল থেকে শুরু করে সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য তাঁকে যেভাবে সহযোগিতা করেছেন আগামী দিনে তা আরও সম্প্রসারিত হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেন অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. মনিরুল ইসলাম, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি এসএম রুহুল আমিন, অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজিপি মো. আতিকুল ইসলাম, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. শফিকুল ইসলাম, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে