নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার থেকে বৈধ শিক্ষার্থী ছাড়া কোনো বহিরাগত বা অতিথি হলে অবস্থান করতে পারবেন না। আজ সকালে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনার কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে আজ ২ সেপ্টেম্বর থেকে বৈধ শিক্ষার্থী ছাড়া কোনো বহিরাগত/অতিথি অবস্থান করতে পারবেন না।
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ আলাদা প্যানেল দিয়েছে। বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো দুটি প্যানেল দিয়েছে। পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে মোট প্যানেল ১০টির মতো।
এবার ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে মোট ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। সদস্য পদে সবচেয়ে বেশি ২১৭ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৮টি হলে ১৩টি পদে মোট ১ হাজার ৩৫ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।
ডাকসু ও হল সংসদের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। ছেলেদের হলে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ও মেয়েদের হলে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রচারের সুযোগ রয়েছে। তবে প্রচারে মানতে হচ্ছে কড়া আচরণবিধি।
আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থীরা যেকোনো হ্যান্ডবিল, পোস্টার ও লিফলেট বিলি করতে পারবেন। তবে ক্যাম্পাসের কোথাও এগুলো টানানো কিংবা সাঁটানো যাবে না।
ডাকসু নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে ৯ সেপ্টেম্বর।

ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার থেকে বৈধ শিক্ষার্থী ছাড়া কোনো বহিরাগত বা অতিথি হলে অবস্থান করতে পারবেন না। আজ সকালে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনার কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে আজ ২ সেপ্টেম্বর থেকে বৈধ শিক্ষার্থী ছাড়া কোনো বহিরাগত/অতিথি অবস্থান করতে পারবেন না।
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ আলাদা প্যানেল দিয়েছে। বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো দুটি প্যানেল দিয়েছে। পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে মোট প্যানেল ১০টির মতো।
এবার ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে মোট ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। সদস্য পদে সবচেয়ে বেশি ২১৭ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৮টি হলে ১৩টি পদে মোট ১ হাজার ৩৫ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।
ডাকসু ও হল সংসদের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। ছেলেদের হলে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ও মেয়েদের হলে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রচারের সুযোগ রয়েছে। তবে প্রচারে মানতে হচ্ছে কড়া আচরণবিধি।
আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থীরা যেকোনো হ্যান্ডবিল, পোস্টার ও লিফলেট বিলি করতে পারবেন। তবে ক্যাম্পাসের কোথাও এগুলো টানানো কিংবা সাঁটানো যাবে না।
ডাকসু নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে ৯ সেপ্টেম্বর।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে