নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

সকল ধর্মের মানুষকে আপন করে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। আজ সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা পাঠাগার ও মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। এদিন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতামূলক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
এ সময় আইভী বলেন, ‘আগে বিভিন্ন দিবসগুলোতে পাড়া মহল্লায় দেশের গান শুনতাম। কিন্তু ইদানীং শুনি না। আমরা কোথায় যেন নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছি। ধর্মীয় অনুভূতি তো থাকবেই আমাদের। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ করব, আপনারা যখন মসজিদে খুতবা দেন কিংবা মন্দিরে কথা বলেন তখন সকল ধর্মের সম্প্রীতির কথা বলবেন। সকল ধর্মের মানুষকে আপন করে নেওয়ার প্রবণতা থাকতে হবে।’
মেয়র বলেন, ‘অনেক মসজিদে খুতবাতে দেখা যায় ধর্মীয়ভাবে বিভেদ তৈরির কথা বলা হয়। আমাদের প্রিয় নবী (স.) যেখানে অন্য ধর্মের সম্প্রীতির কথা বলেছেন, সেখানে আমরা সম্প্রীতি না বাড়িয়ে অনেক সময় বলি আমরা শ্রেষ্ঠ। এটা সত্য আমাদের ইসলাম ধর্ম শ্রেষ্ঠ, কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের বহিঃপ্রকাশ করে অন্যকে ছোট করা উচিত নয়।’
মেয়র সম্প্রীতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এই দেশ সম্প্রীতির দেশ। আমরা এখানে এক সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করি। আমাদের দেশটা আস্তে আস্তে সামনের দিকে এগিয়ে যাক। পৃথিবীর বহু দেশ আছে যেখানে একই সঙ্গে অনেক ধর্মের লোক বসবাস করছে। কিন্তু ধর্ম নিয়ে কেউই বাড়াবাড়ি করছে না। আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের স্বার্থের জন্য ধর্মীয় উসকানি দেয়। তার মধ্যে বহির্বিশ্বেরও কিছু ইন্ধন থাকে। সব মিলিয়ে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। দেশকে অস্থির করার জন্য সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো ধর্ম। এই ধর্মকে তারা হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয়।’
আইভী বলেন, বাংলাদেশকে যতবার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে ততবারই রাজনীতির পাশাপাশি ধর্মকে টেনে আনা হয়েছে। ধর্মের উন্মাদনা আমরা দেখেছি। কিন্তু এই উন্মাদনা কখনই বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। কারণ বাংলাদেশ জন্মই হয়েছে স্বাধীনভাবে ধর্মীয় স্বাধীনতা চেয়ে। আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের ধর্ম পালন করব এটাই বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন। আর সেই কারণেই বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের যুদ্ধ হয়েছিল।’
অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক, জেলা ইসলামি ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক জাকির হোসাইনসহ প্রমুখ।

সকল ধর্মের মানুষকে আপন করে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। আজ সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা পাঠাগার ও মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। এদিন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতামূলক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
এ সময় আইভী বলেন, ‘আগে বিভিন্ন দিবসগুলোতে পাড়া মহল্লায় দেশের গান শুনতাম। কিন্তু ইদানীং শুনি না। আমরা কোথায় যেন নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছি। ধর্মীয় অনুভূতি তো থাকবেই আমাদের। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ করব, আপনারা যখন মসজিদে খুতবা দেন কিংবা মন্দিরে কথা বলেন তখন সকল ধর্মের সম্প্রীতির কথা বলবেন। সকল ধর্মের মানুষকে আপন করে নেওয়ার প্রবণতা থাকতে হবে।’
মেয়র বলেন, ‘অনেক মসজিদে খুতবাতে দেখা যায় ধর্মীয়ভাবে বিভেদ তৈরির কথা বলা হয়। আমাদের প্রিয় নবী (স.) যেখানে অন্য ধর্মের সম্প্রীতির কথা বলেছেন, সেখানে আমরা সম্প্রীতি না বাড়িয়ে অনেক সময় বলি আমরা শ্রেষ্ঠ। এটা সত্য আমাদের ইসলাম ধর্ম শ্রেষ্ঠ, কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের বহিঃপ্রকাশ করে অন্যকে ছোট করা উচিত নয়।’
মেয়র সম্প্রীতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এই দেশ সম্প্রীতির দেশ। আমরা এখানে এক সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করি। আমাদের দেশটা আস্তে আস্তে সামনের দিকে এগিয়ে যাক। পৃথিবীর বহু দেশ আছে যেখানে একই সঙ্গে অনেক ধর্মের লোক বসবাস করছে। কিন্তু ধর্ম নিয়ে কেউই বাড়াবাড়ি করছে না। আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের স্বার্থের জন্য ধর্মীয় উসকানি দেয়। তার মধ্যে বহির্বিশ্বেরও কিছু ইন্ধন থাকে। সব মিলিয়ে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। দেশকে অস্থির করার জন্য সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো ধর্ম। এই ধর্মকে তারা হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয়।’
আইভী বলেন, বাংলাদেশকে যতবার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে ততবারই রাজনীতির পাশাপাশি ধর্মকে টেনে আনা হয়েছে। ধর্মের উন্মাদনা আমরা দেখেছি। কিন্তু এই উন্মাদনা কখনই বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। কারণ বাংলাদেশ জন্মই হয়েছে স্বাধীনভাবে ধর্মীয় স্বাধীনতা চেয়ে। আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের ধর্ম পালন করব এটাই বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন। আর সেই কারণেই বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের যুদ্ধ হয়েছিল।’
অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক, জেলা ইসলামি ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক জাকির হোসাইনসহ প্রমুখ।

ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১৪ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে