নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর মিরপুরের শাহআলী থানা এলাকায় শেখ মো. ওমর ফারুক (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম আবু হানিফ রনি। তিনি শাহআলী থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক।
গতকাল শনিবার রাতে শাহআলীর ডি–ব্লকের ২ নম্বর সড়কের কাজী ফার্মার পাশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় মামলা করেন নিহতের মা জাহানারা বেগম।
শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শাহীন মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মামলায় ছয়জনের নামোউল্লেখ করে এবং আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।’
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানান, দেড়-দুই মাস আগে স্থানীয় মিম নামের এক যুবকের সঙ্গে এক তরুণীকে উত্যক্ত করা নিয়ে ফারুকের কথা-কাটাকাটি হয়। সেই ঘটনার জেরে প্রতিশোধ নিতে মিম তাঁর সহযোগী সৌরভ, রনিসহ ৮-১০ জনকে নিয়ে গত শনিবার রাতে শাহআলীর ২ নম্বর সড়কে গতিরোধ করে তাঁকে মারধর করে। তিনি দৌড়ে তাঁর বাসার সামনে গিয়ে অচেতন হয় পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা রাত ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মা জাহানারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘ফারুককে পরিকল্পনা করে মিম হত্যা করেছে। এর আগেও কয়েকবার হুমকি দিয়েছিল। যারা হত্যা করেছে তাঁরা সবাই সন্ত্রাসী এবং এলাকার বখাটে ছেলে হিসেবে পরিচিত। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। তবে এখনো হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।’
মামলায় মিমসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। অপর আসামিরা হলেন—সৌরভ, লিয়ন, সৈকত, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আবু হানিফ রনি, রোমান আহমেদ। এছাড়া আরো সাত-আটজন অজ্ঞাত ব্যক্তি।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিহত ফারুকের মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর শাহআলী এলাকা থেকে মামলার ৫ নম্বর আসামি ও শাহআলী থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আবু হানিফ রনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং জড়িত বেশ কয়েকজনের নাম পেয়েছে।
এ বিষয়ে দারুস সালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মফিজুর রহমান পলাশ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইতিমধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
নিহত ফারুক গাবতলীর বাস টার্মিনালের ভেতরে ‘টায়ার ভলকানাইজিং’ নামের একটি দোকানে ব্যবসা করতেন। এটি তাঁর পুরনো ব্যবসা। বাবার মৃত্যুর পর এই দোকানেই তিনি বসতেন।

রাজধানীর মিরপুরের শাহআলী থানা এলাকায় শেখ মো. ওমর ফারুক (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম আবু হানিফ রনি। তিনি শাহআলী থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক।
গতকাল শনিবার রাতে শাহআলীর ডি–ব্লকের ২ নম্বর সড়কের কাজী ফার্মার পাশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় মামলা করেন নিহতের মা জাহানারা বেগম।
শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শাহীন মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মামলায় ছয়জনের নামোউল্লেখ করে এবং আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।’
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানান, দেড়-দুই মাস আগে স্থানীয় মিম নামের এক যুবকের সঙ্গে এক তরুণীকে উত্যক্ত করা নিয়ে ফারুকের কথা-কাটাকাটি হয়। সেই ঘটনার জেরে প্রতিশোধ নিতে মিম তাঁর সহযোগী সৌরভ, রনিসহ ৮-১০ জনকে নিয়ে গত শনিবার রাতে শাহআলীর ২ নম্বর সড়কে গতিরোধ করে তাঁকে মারধর করে। তিনি দৌড়ে তাঁর বাসার সামনে গিয়ে অচেতন হয় পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা রাত ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মা জাহানারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘ফারুককে পরিকল্পনা করে মিম হত্যা করেছে। এর আগেও কয়েকবার হুমকি দিয়েছিল। যারা হত্যা করেছে তাঁরা সবাই সন্ত্রাসী এবং এলাকার বখাটে ছেলে হিসেবে পরিচিত। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। তবে এখনো হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।’
মামলায় মিমসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। অপর আসামিরা হলেন—সৌরভ, লিয়ন, সৈকত, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আবু হানিফ রনি, রোমান আহমেদ। এছাড়া আরো সাত-আটজন অজ্ঞাত ব্যক্তি।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিহত ফারুকের মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর শাহআলী এলাকা থেকে মামলার ৫ নম্বর আসামি ও শাহআলী থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আবু হানিফ রনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং জড়িত বেশ কয়েকজনের নাম পেয়েছে।
এ বিষয়ে দারুস সালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মফিজুর রহমান পলাশ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইতিমধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
নিহত ফারুক গাবতলীর বাস টার্মিনালের ভেতরে ‘টায়ার ভলকানাইজিং’ নামের একটি দোকানে ব্যবসা করতেন। এটি তাঁর পুরনো ব্যবসা। বাবার মৃত্যুর পর এই দোকানেই তিনি বসতেন।

রাঙামাটির আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়কের কামিল্লাছড়ি মগবান এলাকায় গাছবোঝাই একটি মিনি পিকআপ খাদে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন সাদেক চাকমা (৩৮) ও মিলন চাকমা (৫০)। আহত শ্রমিক বিনয় চাকমা (৩৫) বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
৭ মিনিট আগে
রাত ১টার দিকে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থেকে তাঁরা নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুরের উদ্দেশে রওনা হন। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের সামনে ফোর লেন সড়কের টার্নিং থেকে ইউটার্ন নেওয়ার সময় একটি মুরগিবাহী পিকআপ মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে অভি দেবনাথ ঘটনাস্থলেই...
২৩ মিনিট আগে
নোয়াখালী সদর উপজেলার ডাক্তার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬২ মণ ২০ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
রাজধানীর উত্তরা সেক্টর-১১-এর রোড-১৮-এর একটি সাততলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৫ জন হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ১৩ জনকে উদ্ধার করে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে