রাতুল মণ্ডল, (শ্রীপুর) গাজীপুর

পুব আকাশে উঁকি দিয়েছে সূর্য। ভোরের আলো ফুটতেই একের পর এক টাটকা সবজি বহনকারী ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভিড়তে শুরু করেছে গাজীপুরের শ্রীপুরের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে। প্রাচীন বরমী বাজার ঘাট এটি। যেখানে দুই ঘণ্টায় বিক্রি হয় কয়েক লাখ টাকার শাকসবজি।
এ হাট থেকে কৃষকদের টাটকা শাকসবজি যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রতিবছরের মতো এ বছর শাকসবজির দাম কম থাকার কথা জানিয়েছেন কৃষকেরা।
হাটে আগত ও স্থানীয় প্রবীণেরা জানান, শ্রীপুর উপজেলার সাড়ে ৪০০ বছরের প্রাচীন হাট এটি। প্রাচীন হাটটির সঙ্গে পরিচয় আশপাশের কয়েক জেলার মানুষের। শীতকাল এলেই শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে বসে বিশাল এ শাকসবজির হাট।
আজ বুধবার সকালে হাট বরমীতে গেলে চোখে পড়ে, ভোরের সূর্য উঁকি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পার্শ্ববর্তী গফরগাঁও, হোসেনপুর উপজেলা কৃষকেরা নৌকায় টাটকা শাকসবজি নিয়ে হাটে আসছেন। এ সময় দূর থেকে দেখলে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরকে মনে হয় একটি ফুলবাগান। আর সেই বাগানে বিভিন্ন বাহারি রঙের ফুট ফুটেছে। কিন্তু গেলে দেখা যায় লাল আলু, টমেটোসহ নানান শাকসবজির পসারা সাজিয়ে বসেছে স্থানীয় কৃষকেরা।
দূরদূরান্তর পাইকারেরা দরদাম করে টাটকা শাকসবজি কিনে নিচ্ছেন। সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয়েছে লাল আলু, টমেটো, সাদা আলু, কাঁচা মরিচ, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ধনেপাতা, মুলা, লাউসহ শীতকালীন টাটকা শাকসবজি। কৃষক ও পাইকারেরা জানান কোনো ধরনের খাজনা ছাড়া শীতলক্ষ্যার তীরে টাটকা শাকসবজি বেচাকেনা চলে সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত।

গফরগাঁও উপজেলার কৃষক গিয়াসউদ্দিন জানান, এ বছর চার বিঘা জমিতে আলু, টমেটো ও কাঁচা মরিচ চাষ করেছেন। ফলন মোটামুটি ভালো। প্রতিবছরের মতো এ বছর শাকসবজি দাম নেই। তবুও খুশি তিনি ভালো ফলনে। প্রায় প্রতিবছর বরমীর হাটে শাকসবজি বিক্রি করতে আসেন। এখন পর্যন্ত আড়াই লাখ টাকার শাকসবজি বিক্রি করছেন।
গিয়াসউদ্দিন বলেন, ‘শুধু আমি না, আমাদের আশপাশের কয়েকটি গ্রামের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত শাকসবজি বরমী বাজারে বিক্রি করতে আসে।’
আলু, টমেটো বিক্রি করতে এসেছেন কৃষক মোফাজ্জল হোসেন। তিনি বলেন, ‘শীতলক্ষ্যা তীরে শাকসবজি বিক্রি করতে আমাদের অনেক সুবিধা। নৌকা থেকে তীরে উঠিয়ে সাজিয়ে রাখি। এরপর পাইকারেরা দরদাম করে নিয়ে যায়। এখানে শাকসবজি বিক্রি করতে কোনো টাকাপয়সা দিতে হয় না।’

কৃষক হাফেজ উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের শাকসবজি খুবই ভালো। শাকসবজি উৎপাদন করতে আমরা ক্ষতিকারক কিছু ব্যবহার করি না। জৈব সার প্রয়োগ করি জমিতে। বীজ উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম খুবই কম। এ জন্য কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দাম ভালো হলে কৃষক লাভের মুখ দেখত।’
পাইকার সোহেল মিয়া বলেন, ‘টাটকা শাকসবজি কিনতে প্রতি বুধবার বরমী বাজারের শীতলক্ষ্যা তীরে আসি। টাটকা শাকসবজির কদর ভালো বলে এখান থেকে শাকসবজি কিনে ঢাকায় বিক্রি করি। এখানে শাকসবজি খুবই ভালো। টাটকা শাকসবজির তুলনায় দামও একটু কম।’
বরমী বাজারের শীতলক্ষ্যা তীরের আড়তদার আব্দুল কাদির বলেন, শীতলক্ষ্যা নদীতীরে প্রতিদিন বসে টাটকা শাকসবজি হাট। দুই ঘণ্টা চলে বেচাকেনা। অল্প সময়ে এই হাটে লাখ লাখ টাকার টাটকা শাকসবজি বিক্রি হয়। সপ্তাহে এক দিন শাকসবজি বিক্রি করতে কোনো টাকাপয়সা দিতে হয় না কৃষকদের। সপ্তাহে বুধবার ছাড়াও প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি বিক্রি হয়। দূরদূরান্তর পাইকারেরা শাকসবজি কিনে নিয়ে যায়। নদীর তীরে বাজার বসার কারণে মালামাল ওঠানামা করা খুবই সহজ। তাই কৃষকেরা শীতলক্ষ্যা তীরে শাকসবজি নিয়ে আসে।

পুব আকাশে উঁকি দিয়েছে সূর্য। ভোরের আলো ফুটতেই একের পর এক টাটকা সবজি বহনকারী ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভিড়তে শুরু করেছে গাজীপুরের শ্রীপুরের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে। প্রাচীন বরমী বাজার ঘাট এটি। যেখানে দুই ঘণ্টায় বিক্রি হয় কয়েক লাখ টাকার শাকসবজি।
এ হাট থেকে কৃষকদের টাটকা শাকসবজি যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রতিবছরের মতো এ বছর শাকসবজির দাম কম থাকার কথা জানিয়েছেন কৃষকেরা।
হাটে আগত ও স্থানীয় প্রবীণেরা জানান, শ্রীপুর উপজেলার সাড়ে ৪০০ বছরের প্রাচীন হাট এটি। প্রাচীন হাটটির সঙ্গে পরিচয় আশপাশের কয়েক জেলার মানুষের। শীতকাল এলেই শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে বসে বিশাল এ শাকসবজির হাট।
আজ বুধবার সকালে হাট বরমীতে গেলে চোখে পড়ে, ভোরের সূর্য উঁকি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পার্শ্ববর্তী গফরগাঁও, হোসেনপুর উপজেলা কৃষকেরা নৌকায় টাটকা শাকসবজি নিয়ে হাটে আসছেন। এ সময় দূর থেকে দেখলে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরকে মনে হয় একটি ফুলবাগান। আর সেই বাগানে বিভিন্ন বাহারি রঙের ফুট ফুটেছে। কিন্তু গেলে দেখা যায় লাল আলু, টমেটোসহ নানান শাকসবজির পসারা সাজিয়ে বসেছে স্থানীয় কৃষকেরা।
দূরদূরান্তর পাইকারেরা দরদাম করে টাটকা শাকসবজি কিনে নিচ্ছেন। সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয়েছে লাল আলু, টমেটো, সাদা আলু, কাঁচা মরিচ, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ধনেপাতা, মুলা, লাউসহ শীতকালীন টাটকা শাকসবজি। কৃষক ও পাইকারেরা জানান কোনো ধরনের খাজনা ছাড়া শীতলক্ষ্যার তীরে টাটকা শাকসবজি বেচাকেনা চলে সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত।

গফরগাঁও উপজেলার কৃষক গিয়াসউদ্দিন জানান, এ বছর চার বিঘা জমিতে আলু, টমেটো ও কাঁচা মরিচ চাষ করেছেন। ফলন মোটামুটি ভালো। প্রতিবছরের মতো এ বছর শাকসবজি দাম নেই। তবুও খুশি তিনি ভালো ফলনে। প্রায় প্রতিবছর বরমীর হাটে শাকসবজি বিক্রি করতে আসেন। এখন পর্যন্ত আড়াই লাখ টাকার শাকসবজি বিক্রি করছেন।
গিয়াসউদ্দিন বলেন, ‘শুধু আমি না, আমাদের আশপাশের কয়েকটি গ্রামের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত শাকসবজি বরমী বাজারে বিক্রি করতে আসে।’
আলু, টমেটো বিক্রি করতে এসেছেন কৃষক মোফাজ্জল হোসেন। তিনি বলেন, ‘শীতলক্ষ্যা তীরে শাকসবজি বিক্রি করতে আমাদের অনেক সুবিধা। নৌকা থেকে তীরে উঠিয়ে সাজিয়ে রাখি। এরপর পাইকারেরা দরদাম করে নিয়ে যায়। এখানে শাকসবজি বিক্রি করতে কোনো টাকাপয়সা দিতে হয় না।’

কৃষক হাফেজ উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের শাকসবজি খুবই ভালো। শাকসবজি উৎপাদন করতে আমরা ক্ষতিকারক কিছু ব্যবহার করি না। জৈব সার প্রয়োগ করি জমিতে। বীজ উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম খুবই কম। এ জন্য কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দাম ভালো হলে কৃষক লাভের মুখ দেখত।’
পাইকার সোহেল মিয়া বলেন, ‘টাটকা শাকসবজি কিনতে প্রতি বুধবার বরমী বাজারের শীতলক্ষ্যা তীরে আসি। টাটকা শাকসবজির কদর ভালো বলে এখান থেকে শাকসবজি কিনে ঢাকায় বিক্রি করি। এখানে শাকসবজি খুবই ভালো। টাটকা শাকসবজির তুলনায় দামও একটু কম।’
বরমী বাজারের শীতলক্ষ্যা তীরের আড়তদার আব্দুল কাদির বলেন, শীতলক্ষ্যা নদীতীরে প্রতিদিন বসে টাটকা শাকসবজি হাট। দুই ঘণ্টা চলে বেচাকেনা। অল্প সময়ে এই হাটে লাখ লাখ টাকার টাটকা শাকসবজি বিক্রি হয়। সপ্তাহে এক দিন শাকসবজি বিক্রি করতে কোনো টাকাপয়সা দিতে হয় না কৃষকদের। সপ্তাহে বুধবার ছাড়াও প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি বিক্রি হয়। দূরদূরান্তর পাইকারেরা শাকসবজি কিনে নিয়ে যায়। নদীর তীরে বাজার বসার কারণে মালামাল ওঠানামা করা খুবই সহজ। তাই কৃষকেরা শীতলক্ষ্যা তীরে শাকসবজি নিয়ে আসে।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে