কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় এক কবরস্থানের ছয়টি কবর খোঁড়া পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি কবর থেকে সাবেক ইউপি সদস্যসহ তিন লাশের কঙ্কাল চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের চিত্রাপাড়া গ্রামের কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে। আজ বুধবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। লাশের কঙ্কাল চুরির ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে কবরস্থানে দাফন করা ব্যক্তিদের স্বজন ও এলাকাবাসী সকালে সেখানে ছুটে আসে।
আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সেলিম মিয়া বলেন, ‘লাশের কঙ্কাল চুরির কথা শুনে কবরস্থানে এসে দেখি ছয়টি কবর খোঁড়া রয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী, চিত্রাপাড়া গ্রামের বায়েজিদ হোসেন ও চাঁদ মিয়ার লাশের কঙ্কাল পাওয়া যায়নি। অন্য তিনটি কবর থেকে কিছু হাড় নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাবেক ইউপি সদস্য লিয়াকত আলীর মেয়ে সালমা খানম বলেন, ‘আমার বাবা ১০ মাস আগে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। মারা যাওয়ার পরে আমরা চিত্রাপাড়া কবরস্থানে তাঁকে দাফন করি। তিনি একজন ইউপি সদস্য ছিলেন। জীবনে তিনি কারও ক্ষতি করেননি। আজ সকালে খবর পাই, কবরস্থান থেকে আমার বাবার লাশের কঙ্কাল চুরি হয়েছে। তাৎক্ষণিক কবরস্থানে ছুটে এসে আমরা দেখতে পাই বাবার কবর খোঁড়া। কবরের পাশেই কাফনের কাপড়, শরীরের চামড়া ও চুল-দাড়ি পড়ে আছে। কঙ্কালগুলো চোরেরা নিয়ে গেছে।’

চিত্রাপাড়া কবরস্থান পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম আবুল মুনসুর মুন্সী (মুনজু) বলেন, ‘এ ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এর আগে এই কবরস্থানে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় আমরা কোটালীপাড়া থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় এক কবরস্থানের ছয়টি কবর খোঁড়া পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি কবর থেকে সাবেক ইউপি সদস্যসহ তিন লাশের কঙ্কাল চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের চিত্রাপাড়া গ্রামের কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে। আজ বুধবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। লাশের কঙ্কাল চুরির ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে কবরস্থানে দাফন করা ব্যক্তিদের স্বজন ও এলাকাবাসী সকালে সেখানে ছুটে আসে।
আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সেলিম মিয়া বলেন, ‘লাশের কঙ্কাল চুরির কথা শুনে কবরস্থানে এসে দেখি ছয়টি কবর খোঁড়া রয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী, চিত্রাপাড়া গ্রামের বায়েজিদ হোসেন ও চাঁদ মিয়ার লাশের কঙ্কাল পাওয়া যায়নি। অন্য তিনটি কবর থেকে কিছু হাড় নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাবেক ইউপি সদস্য লিয়াকত আলীর মেয়ে সালমা খানম বলেন, ‘আমার বাবা ১০ মাস আগে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। মারা যাওয়ার পরে আমরা চিত্রাপাড়া কবরস্থানে তাঁকে দাফন করি। তিনি একজন ইউপি সদস্য ছিলেন। জীবনে তিনি কারও ক্ষতি করেননি। আজ সকালে খবর পাই, কবরস্থান থেকে আমার বাবার লাশের কঙ্কাল চুরি হয়েছে। তাৎক্ষণিক কবরস্থানে ছুটে এসে আমরা দেখতে পাই বাবার কবর খোঁড়া। কবরের পাশেই কাফনের কাপড়, শরীরের চামড়া ও চুল-দাড়ি পড়ে আছে। কঙ্কালগুলো চোরেরা নিয়ে গেছে।’

চিত্রাপাড়া কবরস্থান পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম আবুল মুনসুর মুন্সী (মুনজু) বলেন, ‘এ ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এর আগে এই কবরস্থানে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় আমরা কোটালীপাড়া থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে