Ajker Patrika

এনসিপির আধিপত্যবাদবিরোধী মার্চে পুলিশের বাধা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
রাজধানীর বাড্ডার শাহজাদপুর থেকে বুধবার বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশনের দিকে অগ্রসর হওয়া মিছিল আটকে দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর বাড্ডার শাহজাদপুর থেকে বুধবার বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশনের দিকে অগ্রসর হওয়া মিছিল আটকে দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তে ফেলানী খাতুন হত্যার ১৫ বছর পূর্তিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ‘আধিপত্যবাদ বিরোধী মার্চ’ আটকে দিয়েছে পুলিশ। ফেলানী হত্যার বিচারের দাবিতে আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর বাড্ডার শাহজাদপুর থেকে বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশনের দিকে মিছিল নিয়ে এগোলে তা পুলিশের বাধার মুখে পড়ে।

এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ডাকে এই কর্মসূচি পালনের লক্ষ্যে আজ বিকেলে শাহজাদপুরে জড়ো হন দলের নেতা-কর্মীরা। মিছিল নিয়ে তাঁরা বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশনের কাছাকাছি যাওয়ার আগেই ব্যারিকেড দিয়ে পুলিশ তাঁদের থামিয়ে দেয়।

এনসিপির নেতা-কর্মীরা এ সময় ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’; ‘গোলামি না আজাদি, আজাদি আজাদি’; ‘ভারতীয় আগ্রাসন, রুখে দাও জনগণ’; ‘কাঁটা তারের ফেলানী, আমরা তোমাকে ভুলিনি’; ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর, ইন্ডিয়া নো মোর’; ‘এক দুই তিন চার, ইন্ডিয়া তুই হুঁশিয়ার’; ‘ভারতের গোলামি, চলবে না চলবে না’সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হয় ১৫ বছরের কিশোরী ফেলানী খাতুন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর পাঁচ ঘণ্টা তার মরদেহ কাঁটাতারে ঝুলে থাকার দৃশ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো সরব হওয়ার পর ২০১৩ সালে ভারতের কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হয়। তবে রায়ে খালাস পান অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ।

পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) আপত্তিতে ২০১৪ সালে আবার বিচার হলে সেখানেও খালাস পান তিনি। এরপর ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ভারতের মানবাধিকার সংগঠন মাসুমের মাধ্যমে দেশটির উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম। মামলাটির এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।

আজ কর্মসূচিতে এনসিপির নেতা-কর্মীরা বলেন, ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও বিচার হয়নি। এই বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ভারত বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে হস্তক্ষেপ করে এ দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে আওয়ামী লীগের সময়।

এ সময় এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ‘সীমান্তে সেদিন শুধু ফেলানীকে ঝুলিয়ে রাখা হয়নি, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। ভারতের মদদে আওয়ামী লীগ পিলখানা ও শাপলা চত্বরে গণহত্যা চালিয়েছিল।’

এনসিপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতেরও বিচারের উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে। বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কোনো দেশ নাক গলানোর চেষ্টা করলে জনগণ তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানে ভর করে আইএমএফের ঋণ থেকে মুক্তি চায় পাকিস্তান

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত যদি বদলাতে হয় তখন, বিসিবিকে তামিমের প্রশ্ন

‘ভারতের বাইরে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেললে সেটা ক্রিকেটের জন্য বাজে দেখাবে’

একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে ৬২ বছর বয়সে গর্ভধারণ, ভাইরাল নারী

ঋণখেলাপিতে আটকে যেতে পারেন কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত