নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘দোহার ও নবাবপুর (ঢাকা-১) এলাকার জনগণ এখনো আমাকে চায়।’ —এমনটাই মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসকের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন দাখিল করে ফিরে যাওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।
জাতীয় পার্টি মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, ‘এখনো (আমাকে) চাচ্ছে তারা (জনগণ)। আমি ঘরে ঘরে গিয়েছি, জনগণের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের কথা শুনেছি। ৮৪টি রাস্তা কার্পেটিং করেছি। বেশ কিছু স্কুল-কলেজের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছি সরকারের মাধ্যমে। নবাবগঞ্জ ও দোহারের পাইলট কলেজকে সরকারিকরণ করেছি অনেক কষ্টে। নবাবগঞ্জে একটা পাইলট স্কুল আছে সেটাও আমি সরকারিকরণ করেছি।’
এলাকায় নিজের করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে সালমা ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা থেকে কেরানীগঞ্জ, দোহার ও শ্রীনগরের রাস্তাটার বেহাল দশা ছিল। একটু বৃষ্টি পড়লেই গাড়ি চলত না। সেটা আমি ঠিক করে দিয়েছি। পদ্মার ভাঙনে দোহারের মানুষ যে কষ্ট করত সেটা লাঘবে সংসদে কথা বলে ২১৭ কোটি টাকা নিয়ে তার সমাধানে কাজ করেছি।’
নির্বাচিত হলে তাঁর আগের মেয়াদের অসম্পূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করবেন এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন জাতীয় পার্টির এই নেত্রী। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের অভাব ছিল, অনেক মানুষের ঘর-বাড়ি অন্ধকারে ছিল সেগুলো আমি খেটে খেটে আলো জ্বালিয়ে দিয়ে এসেছি। বন্যার সময়ের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র করে দিয়েছি। ৬৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমি করে দিয়েছি।’
অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম আরও বলেন, ‘এত কাজ করেছি, এত কাজ করেছি...জনগণের পাশে ছিলাম। তাদের নিয়ে ভাবতাম। তাদের নিয়ে আমি বসতাম, কথা বলতাম, সুখ-দুঃখের কথা আমি শুনতাম। তোমরা কে কীভাবে আছ। আজ জনগণ আমার অপেক্ষায় আছে। যদি আমি নির্বাচিত হই অবশ্যই আমি আরও বেশি কাজ করব। আমার অসমাপ্ত কাজ আমি করে যেতে চাই।’
২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসন থেকে লাঙল প্রতীকে বিজয়ী হন অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। এ ছাড়া তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন কিছুদিন। বর্তমানে তিনি জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যানের পাশাপাশি জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা ও বর্তমান সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান।

‘দোহার ও নবাবপুর (ঢাকা-১) এলাকার জনগণ এখনো আমাকে চায়।’ —এমনটাই মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসকের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন দাখিল করে ফিরে যাওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।
জাতীয় পার্টি মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, ‘এখনো (আমাকে) চাচ্ছে তারা (জনগণ)। আমি ঘরে ঘরে গিয়েছি, জনগণের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের কথা শুনেছি। ৮৪টি রাস্তা কার্পেটিং করেছি। বেশ কিছু স্কুল-কলেজের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছি সরকারের মাধ্যমে। নবাবগঞ্জ ও দোহারের পাইলট কলেজকে সরকারিকরণ করেছি অনেক কষ্টে। নবাবগঞ্জে একটা পাইলট স্কুল আছে সেটাও আমি সরকারিকরণ করেছি।’
এলাকায় নিজের করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে সালমা ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা থেকে কেরানীগঞ্জ, দোহার ও শ্রীনগরের রাস্তাটার বেহাল দশা ছিল। একটু বৃষ্টি পড়লেই গাড়ি চলত না। সেটা আমি ঠিক করে দিয়েছি। পদ্মার ভাঙনে দোহারের মানুষ যে কষ্ট করত সেটা লাঘবে সংসদে কথা বলে ২১৭ কোটি টাকা নিয়ে তার সমাধানে কাজ করেছি।’
নির্বাচিত হলে তাঁর আগের মেয়াদের অসম্পূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করবেন এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন জাতীয় পার্টির এই নেত্রী। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের অভাব ছিল, অনেক মানুষের ঘর-বাড়ি অন্ধকারে ছিল সেগুলো আমি খেটে খেটে আলো জ্বালিয়ে দিয়ে এসেছি। বন্যার সময়ের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র করে দিয়েছি। ৬৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমি করে দিয়েছি।’
অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম আরও বলেন, ‘এত কাজ করেছি, এত কাজ করেছি...জনগণের পাশে ছিলাম। তাদের নিয়ে ভাবতাম। তাদের নিয়ে আমি বসতাম, কথা বলতাম, সুখ-দুঃখের কথা আমি শুনতাম। তোমরা কে কীভাবে আছ। আজ জনগণ আমার অপেক্ষায় আছে। যদি আমি নির্বাচিত হই অবশ্যই আমি আরও বেশি কাজ করব। আমার অসমাপ্ত কাজ আমি করে যেতে চাই।’
২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসন থেকে লাঙল প্রতীকে বিজয়ী হন অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। এ ছাড়া তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন কিছুদিন। বর্তমানে তিনি জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যানের পাশাপাশি জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা ও বর্তমান সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট আট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে পাঁচজন এবং গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে রয়েছেন তিনজন।
১৫ মিনিট আগে
দুই বছরের ব্যবধানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের নগদ অর্থ ও মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে একই সময়ে তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নগদ টাকা কমেছে।
১৮ মিনিট আগে
যাচাই করে দেখেন, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর সাইফুজ্জামান এই নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে কাবিননামার কাগজ এখনো পাননি। কিন্তু সীমা যে পুলিশের পোশাক পরে টিকটকে ভিডিও দেন, সে অভিযোগ সত্য।
৪১ মিনিট আগে
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, জামায়াত প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার আবেদনের দাবি করলেও এর কোনো প্রমাণ জমা দেননি। দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল থাকায় তাই তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে