সাইফুল মাসুম ও নাজিম উদ্দিন, কেরানীগঞ্জ থেকে

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে বাইরে উৎসবমুখর হলেও ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি নেই। আর বুথগুলোতে শুধু একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর এজেন্ট রয়েছেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সব বুথে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহীন আহমেদের এজেন্টদের উপস্থিতি। তিনবারের নির্বাচিত এই উপজেলা চেয়ারম্যান আনারস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আলতাফ হোসেন বিপ্লব লড়ছেন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে। কাপ-পিরিচের এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের কোনো বুথেই আলতাফ হোসেন বিপ্লবের পক্ষের কোনো এজেন্ট পাওয়া যায়নি। তবে একটি বুথে আনারসের এজেন্ট মো. বাবুল দাবি করেন, কাপ-পিরিচের এজেন্টর জন্য চেয়ার খালি রেখেছেন।
চুনকুটিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের (কেন্দ্র নম্বর ১৮৮) প্রিসাইডিং অফিসার নুরুল জানান, তাঁর ভোটকেন্দ্রের সাতটি বুথে আনারস প্রতীকের এজেন্ট রয়েছে। কাপ-পিরিচের কোনো এজেন্ট তিনি দেখেননি।
তবে কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী আলতাফ হোসেন বিপ্লব অভিযোগ করেন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ও জিঞ্জিরার একাংশের ভোটকেন্দ্রগুলো থেকে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। অনেক কেন্দ্রে ভেতরে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহীন চেয়ারম্যানের লোকজন এসব করছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী (তালা প্রতীক) কেরানীগঞ্জ মডেল থানা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. মনির হোসেনও তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার এজেন্টদের কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রের বাইরে থেকেই এজেন্টদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’
জানতে চাইলে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, কিছু কিছু প্রার্থী ঢালাওভাবে অভিযোগ করছেন। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহীন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব মিথ্যা, বানোয়াট তথ্য। ওই প্রার্থী নিশ্চিত পরাজয় জেনে এসব অভিযোগ তুলেছেন।
জানা গেছে, নির্বাচন ঘিরে দুই প্যানেলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্থানীয় আওয়ামী লীগ। দুই এমপি দুটি প্যানেলকে আলাদা আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলতাফ হোসেন বিপ্লব ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন।
অন্যদিকে ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তাঁর সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহীন আহমেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন লিটন (মাইক), রেশমা জামান (কলস)।

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে বাইরে উৎসবমুখর হলেও ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি নেই। আর বুথগুলোতে শুধু একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর এজেন্ট রয়েছেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সব বুথে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহীন আহমেদের এজেন্টদের উপস্থিতি। তিনবারের নির্বাচিত এই উপজেলা চেয়ারম্যান আনারস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আলতাফ হোসেন বিপ্লব লড়ছেন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে। কাপ-পিরিচের এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের কোনো বুথেই আলতাফ হোসেন বিপ্লবের পক্ষের কোনো এজেন্ট পাওয়া যায়নি। তবে একটি বুথে আনারসের এজেন্ট মো. বাবুল দাবি করেন, কাপ-পিরিচের এজেন্টর জন্য চেয়ার খালি রেখেছেন।
চুনকুটিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের (কেন্দ্র নম্বর ১৮৮) প্রিসাইডিং অফিসার নুরুল জানান, তাঁর ভোটকেন্দ্রের সাতটি বুথে আনারস প্রতীকের এজেন্ট রয়েছে। কাপ-পিরিচের কোনো এজেন্ট তিনি দেখেননি।
তবে কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী আলতাফ হোসেন বিপ্লব অভিযোগ করেন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ও জিঞ্জিরার একাংশের ভোটকেন্দ্রগুলো থেকে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। অনেক কেন্দ্রে ভেতরে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহীন চেয়ারম্যানের লোকজন এসব করছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী (তালা প্রতীক) কেরানীগঞ্জ মডেল থানা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. মনির হোসেনও তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার এজেন্টদের কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রের বাইরে থেকেই এজেন্টদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’
জানতে চাইলে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, কিছু কিছু প্রার্থী ঢালাওভাবে অভিযোগ করছেন। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহীন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব মিথ্যা, বানোয়াট তথ্য। ওই প্রার্থী নিশ্চিত পরাজয় জেনে এসব অভিযোগ তুলেছেন।
জানা গেছে, নির্বাচন ঘিরে দুই প্যানেলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্থানীয় আওয়ামী লীগ। দুই এমপি দুটি প্যানেলকে আলাদা আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলতাফ হোসেন বিপ্লব ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন।
অন্যদিকে ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তাঁর সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহীন আহমেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন লিটন (মাইক), রেশমা জামান (কলস)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে