নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আলোচিত আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পাঁচ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরফাতুল রাকিব এই আদেশ দেন। রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন সানোয়ার কাজী (২৮) ও বিপ্লব হোসেন (৩১)।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন মাহমুদ হাসান মেহেদী (২৭), মোজাহিদ খান (২৭), আশিক সরকার (২৭), হৃদয় শেখ (২৪) ও সোহেল মোল্লা (২৫)।
বিকেলে আসামিদের আদালতে হাজির করে বনানী থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই মো. নূর উদ্দিন আসামি সানোয়ার কাজী ও বিপ্লব হোসেনকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। অন্য পাঁচ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান।
অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে তাঁর আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
দুজনের রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিদ্বয় ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলেও সময় স্বল্পতার কারণে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। অন্য পাঁচ আসামিও ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। কাজেই মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।
এর আগে আজ দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহকারী মো. সুজন রহমান শুভ বনানী থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ নির্বাচন চলাকালে সংসদ সদস্য প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করছিলেন। বেলা পৌনে ৪টার সময় বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বের হওয়ার সময় ১৫ থেকে ২০ জন বিবাদী বেআইনি জনতাবদ্ধ হয়ে হিরো আলমকে বিভিন্ন গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে হিরো আলমের ওপর আক্রমণ চালায় তারা। তাকে কিল ঘুষি মারতে থাকে। হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করায় হিরো আলমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। একপর্যায়ে একজন হিরো আলমের শার্টের কলার চেপে ধরে শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। একজন তলপেটে লাথি মারে। এ সময় হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহকারী মামলার বাদী এবং পরাণ সরকার, রাজীব খন্দকার রনি ও আলামিনকেও মারপিট করে জখম করে। পরে তারা সেখান থেকে দৌড়ে রক্ষা পান।

আলোচিত আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পাঁচ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরফাতুল রাকিব এই আদেশ দেন। রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন সানোয়ার কাজী (২৮) ও বিপ্লব হোসেন (৩১)।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন মাহমুদ হাসান মেহেদী (২৭), মোজাহিদ খান (২৭), আশিক সরকার (২৭), হৃদয় শেখ (২৪) ও সোহেল মোল্লা (২৫)।
বিকেলে আসামিদের আদালতে হাজির করে বনানী থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই মো. নূর উদ্দিন আসামি সানোয়ার কাজী ও বিপ্লব হোসেনকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। অন্য পাঁচ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান।
অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে তাঁর আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
দুজনের রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিদ্বয় ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলেও সময় স্বল্পতার কারণে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। অন্য পাঁচ আসামিও ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। কাজেই মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।
এর আগে আজ দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহকারী মো. সুজন রহমান শুভ বনানী থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ নির্বাচন চলাকালে সংসদ সদস্য প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করছিলেন। বেলা পৌনে ৪টার সময় বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বের হওয়ার সময় ১৫ থেকে ২০ জন বিবাদী বেআইনি জনতাবদ্ধ হয়ে হিরো আলমকে বিভিন্ন গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে হিরো আলমের ওপর আক্রমণ চালায় তারা। তাকে কিল ঘুষি মারতে থাকে। হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করায় হিরো আলমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। একপর্যায়ে একজন হিরো আলমের শার্টের কলার চেপে ধরে শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। একজন তলপেটে লাথি মারে। এ সময় হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহকারী মামলার বাদী এবং পরাণ সরকার, রাজীব খন্দকার রনি ও আলামিনকেও মারপিট করে জখম করে। পরে তারা সেখান থেকে দৌড়ে রক্ষা পান।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে