আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতে আশ্রিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার উদ্দেশে ফেসবুকে বক্তব্য দেওয়ার জেরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাদ যায়নি হাসিনার বাসভবন সুধা সদনও। সেখানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়েছে। এ সময় ছিন্নমূল থেকে মধ্যবিত্ত—সবাই কিছু না কিছু নিয়ে গেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির ৫ নম্বর রোডে সুধা সদনের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেছেন আজকের পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক তানিম আহমেদ।
সরেজমিন দেখা যায়, বেলা ১টার দিকে ভবনের ফটকের সামনে পড়ে আছে বুকশেলফ। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে আসবাব, কাঠের টুকরা। যার মধ্যে কয়েকটি আগুনে পোড়া। একই সময় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের উৎসুক জনতার ভিড় ছিল অনেক। তবে সুধা সদনের সামনে তেমনটি দেখা যায়নি। হাতে গোনা কয়েকজন উৎসুক জনতা। আর ভেতরে ছিল লুটপাটকারী। যাদের আপাদমস্তক শ্রী দেখলেই মনে হয় তাঁরা ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
ওই সময় দুই নারী ভবনটির ভেতর থেকে পুড়ে যাওয়া সোফা টেনে বের করছিলেন। পরে তাঁরা সেটি অটোরিকশা করে নিয়ে যান। এক নারী জানান, তাঁর বাসা কামরাঙ্গীরচরের দিকে। পুড়ে যাওয়া সোফাটি নিজের বাসার জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। পরে ঠিক করে ব্যবহার করবেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সুধা সদন পেয়েছিলেন স্বামী ওয়াজেদ মিয়ার থেকে। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এখানেই বাস করতেন। এরপর এটি ব্যবহার হয়েছিল আওয়ামী লীগের গবেষণা সেলের জন্য।
এর কিছুক্ষণ পর বিভিন্ন আসবাব বোঝাই একটি রিকশা বের হয় ভবনটির মূল ফটক দিয়ে। সেই রিকশার গন্তব্যও কামরাঙ্গীরচরে বলে জানান চালক। মূল ফটক পার হয়ে ভবনের প্রবেশপথের পাশে পড়ে ছিল নানা আসবাব। কয়েকটি জ্বলছিল আগুনে। ভবনের নিচতলায় ঘুটঘুটে অন্ধকার। সেখানে টর্চ জ্বালিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র জোগাড় করছিলেন ছিন্নমূলেরা। দুই, তিন ও চারতলাতেও একই অবস্থা। দুজন যুবক দোতলার বারান্দার গ্রিল হাতুড়ি দিয়ে ভাঙছিলেন। একই তলার একটি বাথরুমে গিজার ছিল। কিছুক্ষণ পরে দুজন যুবক শাবল দিয়ে তা ভেঙে নিয়ে যান।

সুধা সদনের গেটের সামনে দেখা যায়, তিন ছেলে-মেয়ে নিয়ে মধ্যবয়সী এক নারীকে। তাঁদের পরনে ছিল পশ্চিমা ধাঁচের পোশাক-আশাক। এক ছেলে ও এক মেয়ের হাতে ছিল তিনটি ইট। আরেক মেয়ের হাতে ছিল শেখ হাসিনার পরিবারে একাধিক ছবি। তাঁদের মা জানান, সন্তানদের ভালো লেগেছে বলেই এগুলো নিয়ে এসেছেন। ইট তিনটি ৩২ নম্বরের প্রথম ও দ্বিতীয় ভবনের বলে জানান ছেলে মেহেরান।
মেহেরান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশটা নেতাদের নয়, জনগণের। শেখ হাসিনা ভুল করেছেন। এই ইট তাঁর বাড়ি থেকে এনেছি। এখানে তাঁর আর কিছুই নেই। তিনি জীবনেও দেশে আসতে পারবেন না।’

৩২ নম্বর ও সুধা সদনের ভাঙচুরের মাধ্যমে ৫ আগস্ট পূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেন মেহেরানের মা। তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের কোনো চিহ্ন দেশে রাখা উচিত নয়। কারণ, এটি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মও যাতে ফ্যাসিবাদে না আসে, সেটার জন্য এটা শিক্ষা।’
সুধা সদন ভাঙচুরের প্রতিবাদও জানিয়েছেন মধ্যবয়স্ক এক নারী। যার হাতে ছিল ওয়াজেদ মিয়ার ছবি। তিনি বলেন, ‘এটা (সুধা সদন) জনগণের সম্পদ, সরকার তা রেখে দিতে পারত। জিনিসপত্রগুলো সবার সম্পদ।’

এ সময় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘এটা ব্যক্তি মালিকানার সম্পদ।’ জবাবে ওই নারী বলেন, ‘ব্যক্তি মালিকানার সম্পদ হলে কেউ না কেউ রক্ষা করতে আসত। কিন্তু আসেনি।’ তখন ওই লোক বলেন, ‘তাঁরা খুনি, হাজার লোককে হত্যা করছে।’ জবাবে ওই নারী বলেন, ‘ছাত্ররা আন্দোলন করলেও কোনো ছাত্র লুট করতে আসেনি, লুট করতে এসেছে বস্তির লোকেরা।’
এ সময় ওই নারীর সমর্থনে এক মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী কায়দায় ফ্যাসিবাদকে মোকাবিলা করা যায় না।’
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার কিছুক্ষণ পরে মধ্যবয়স্ক ওই নারী ধানমন্ডি লেকের পার ধরে চলে যান।

ভারতে আশ্রিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার উদ্দেশে ফেসবুকে বক্তব্য দেওয়ার জেরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাদ যায়নি হাসিনার বাসভবন সুধা সদনও। সেখানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়েছে। এ সময় ছিন্নমূল থেকে মধ্যবিত্ত—সবাই কিছু না কিছু নিয়ে গেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির ৫ নম্বর রোডে সুধা সদনের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেছেন আজকের পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক তানিম আহমেদ।
সরেজমিন দেখা যায়, বেলা ১টার দিকে ভবনের ফটকের সামনে পড়ে আছে বুকশেলফ। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে আসবাব, কাঠের টুকরা। যার মধ্যে কয়েকটি আগুনে পোড়া। একই সময় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের উৎসুক জনতার ভিড় ছিল অনেক। তবে সুধা সদনের সামনে তেমনটি দেখা যায়নি। হাতে গোনা কয়েকজন উৎসুক জনতা। আর ভেতরে ছিল লুটপাটকারী। যাদের আপাদমস্তক শ্রী দেখলেই মনে হয় তাঁরা ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
ওই সময় দুই নারী ভবনটির ভেতর থেকে পুড়ে যাওয়া সোফা টেনে বের করছিলেন। পরে তাঁরা সেটি অটোরিকশা করে নিয়ে যান। এক নারী জানান, তাঁর বাসা কামরাঙ্গীরচরের দিকে। পুড়ে যাওয়া সোফাটি নিজের বাসার জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। পরে ঠিক করে ব্যবহার করবেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সুধা সদন পেয়েছিলেন স্বামী ওয়াজেদ মিয়ার থেকে। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এখানেই বাস করতেন। এরপর এটি ব্যবহার হয়েছিল আওয়ামী লীগের গবেষণা সেলের জন্য।
এর কিছুক্ষণ পর বিভিন্ন আসবাব বোঝাই একটি রিকশা বের হয় ভবনটির মূল ফটক দিয়ে। সেই রিকশার গন্তব্যও কামরাঙ্গীরচরে বলে জানান চালক। মূল ফটক পার হয়ে ভবনের প্রবেশপথের পাশে পড়ে ছিল নানা আসবাব। কয়েকটি জ্বলছিল আগুনে। ভবনের নিচতলায় ঘুটঘুটে অন্ধকার। সেখানে টর্চ জ্বালিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র জোগাড় করছিলেন ছিন্নমূলেরা। দুই, তিন ও চারতলাতেও একই অবস্থা। দুজন যুবক দোতলার বারান্দার গ্রিল হাতুড়ি দিয়ে ভাঙছিলেন। একই তলার একটি বাথরুমে গিজার ছিল। কিছুক্ষণ পরে দুজন যুবক শাবল দিয়ে তা ভেঙে নিয়ে যান।

সুধা সদনের গেটের সামনে দেখা যায়, তিন ছেলে-মেয়ে নিয়ে মধ্যবয়সী এক নারীকে। তাঁদের পরনে ছিল পশ্চিমা ধাঁচের পোশাক-আশাক। এক ছেলে ও এক মেয়ের হাতে ছিল তিনটি ইট। আরেক মেয়ের হাতে ছিল শেখ হাসিনার পরিবারে একাধিক ছবি। তাঁদের মা জানান, সন্তানদের ভালো লেগেছে বলেই এগুলো নিয়ে এসেছেন। ইট তিনটি ৩২ নম্বরের প্রথম ও দ্বিতীয় ভবনের বলে জানান ছেলে মেহেরান।
মেহেরান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দেশটা নেতাদের নয়, জনগণের। শেখ হাসিনা ভুল করেছেন। এই ইট তাঁর বাড়ি থেকে এনেছি। এখানে তাঁর আর কিছুই নেই। তিনি জীবনেও দেশে আসতে পারবেন না।’

৩২ নম্বর ও সুধা সদনের ভাঙচুরের মাধ্যমে ৫ আগস্ট পূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেন মেহেরানের মা। তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের কোনো চিহ্ন দেশে রাখা উচিত নয়। কারণ, এটি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মও যাতে ফ্যাসিবাদে না আসে, সেটার জন্য এটা শিক্ষা।’
সুধা সদন ভাঙচুরের প্রতিবাদও জানিয়েছেন মধ্যবয়স্ক এক নারী। যার হাতে ছিল ওয়াজেদ মিয়ার ছবি। তিনি বলেন, ‘এটা (সুধা সদন) জনগণের সম্পদ, সরকার তা রেখে দিতে পারত। জিনিসপত্রগুলো সবার সম্পদ।’

এ সময় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘এটা ব্যক্তি মালিকানার সম্পদ।’ জবাবে ওই নারী বলেন, ‘ব্যক্তি মালিকানার সম্পদ হলে কেউ না কেউ রক্ষা করতে আসত। কিন্তু আসেনি।’ তখন ওই লোক বলেন, ‘তাঁরা খুনি, হাজার লোককে হত্যা করছে।’ জবাবে ওই নারী বলেন, ‘ছাত্ররা আন্দোলন করলেও কোনো ছাত্র লুট করতে আসেনি, লুট করতে এসেছে বস্তির লোকেরা।’
এ সময় ওই নারীর সমর্থনে এক মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী কায়দায় ফ্যাসিবাদকে মোকাবিলা করা যায় না।’
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার কিছুক্ষণ পরে মধ্যবয়স্ক ওই নারী ধানমন্ডি লেকের পার ধরে চলে যান।

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
৬ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
৭ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
৭ ঘণ্টা আগে