নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার বন্ধে জারি করা রুল শুনানির বিষয়ে আবেদন নিয়ে গিয়েছিলেন রিটকারীর আইনজীবীরা। উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের আইনজীবীরাও। এ সময় শুনানিকে কেন্দ্র করে এজলাস কক্ষে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল বেধে যায়।
আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চে রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করতে আদালতে যান সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামসহ আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা। অন্যদিকে বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালসহ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরাও আদালতে যান।
শুরুতেই আইনজীবী কামরুল ইসলাম রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করতে আবেদন করেন। এ সময় আদালত বলেন, ‘তারেক রহমানকে তো নোটিশ দেওয়া হয়নি। তাহলে কীভাবে রুল শুনানি হবে?’ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘তাঁকে কোনো ঠিকানায় পাওয়া যায়নি।’
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘আগে রুল জারি হয়ে আসুক। এ ছাড়া বিষয়টি রাজনৈতিক। আর রাজনৈতিক বিষয় আদালতে আনা উচিত হবে না।’
এ সময় তারেক রহমানকে পলাতক আসামি বলে মন্তব্য করতে থাকেন আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলাম সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্য করেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। একপর্যায়ে এজলাসে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। পরে আদালতের হস্তক্ষেপে শান্ত হয় পরিস্থিতি।
পরে হাইকোর্ট বলেন, নিয়ম অনুযায়ী তারেক রহমানকে নোটিশ দিতে হবে। তবে কোন প্রক্রিয়ায় তার উপায় খুঁজতে হবে।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এর আগে বাংলাদেশের হাইকমিশনের মাধ্যমে তারেক রহমানের ঠিকানা খুঁজে বের করার নির্দেশনা ছিল। আদালত বলেন, সেই আদেশটি সরবরাহ করেন। এ বিষয়ে (আগামীকাল) বুধবার আদেশ দেওয়া হবে।
এর আগে গত ৩ আগস্ট রুল শুনানির জন্য আবেদন করলে হাইকোর্ট বলেন, ‘আগে রুল প্রস্তুত হোক, তখন আসেন।’
আইনের দৃষ্টিতে পলাতক থাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য-বিবৃতি গণমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ নিষিদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে তাঁর বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়েছিল।
২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি ওই রুল জারি হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। সম্প্রতি তারেক রহমানের বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। তাই ওই রুল শুনানি করতে আবেদন করা হয়েছে হাইকোর্টে।
এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমানকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে আজও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের প্রধান ফটকে বসে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, বারের সাবেক সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল, সাবেক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল, গাজী কামরুল ইসলাম সজলসহ শতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার বন্ধে জারি করা রুল শুনানির বিষয়ে আবেদন নিয়ে গিয়েছিলেন রিটকারীর আইনজীবীরা। উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের আইনজীবীরাও। এ সময় শুনানিকে কেন্দ্র করে এজলাস কক্ষে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল বেধে যায়।
আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চে রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করতে আদালতে যান সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামসহ আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা। অন্যদিকে বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালসহ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরাও আদালতে যান।
শুরুতেই আইনজীবী কামরুল ইসলাম রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করতে আবেদন করেন। এ সময় আদালত বলেন, ‘তারেক রহমানকে তো নোটিশ দেওয়া হয়নি। তাহলে কীভাবে রুল শুনানি হবে?’ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘তাঁকে কোনো ঠিকানায় পাওয়া যায়নি।’
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘আগে রুল জারি হয়ে আসুক। এ ছাড়া বিষয়টি রাজনৈতিক। আর রাজনৈতিক বিষয় আদালতে আনা উচিত হবে না।’
এ সময় তারেক রহমানকে পলাতক আসামি বলে মন্তব্য করতে থাকেন আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলাম সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্য করেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। একপর্যায়ে এজলাসে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। পরে আদালতের হস্তক্ষেপে শান্ত হয় পরিস্থিতি।
পরে হাইকোর্ট বলেন, নিয়ম অনুযায়ী তারেক রহমানকে নোটিশ দিতে হবে। তবে কোন প্রক্রিয়ায় তার উপায় খুঁজতে হবে।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এর আগে বাংলাদেশের হাইকমিশনের মাধ্যমে তারেক রহমানের ঠিকানা খুঁজে বের করার নির্দেশনা ছিল। আদালত বলেন, সেই আদেশটি সরবরাহ করেন। এ বিষয়ে (আগামীকাল) বুধবার আদেশ দেওয়া হবে।
এর আগে গত ৩ আগস্ট রুল শুনানির জন্য আবেদন করলে হাইকোর্ট বলেন, ‘আগে রুল প্রস্তুত হোক, তখন আসেন।’
আইনের দৃষ্টিতে পলাতক থাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য-বিবৃতি গণমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ নিষিদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে তাঁর বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়েছিল।
২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি ওই রুল জারি হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি। সম্প্রতি তারেক রহমানের বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। তাই ওই রুল শুনানি করতে আবেদন করা হয়েছে হাইকোর্টে।
এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমানকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে আজও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের প্রধান ফটকে বসে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, বারের সাবেক সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল, সাবেক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল, গাজী কামরুল ইসলাম সজলসহ শতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

শূন্য ভিটার ওপর দাঁড়িয়ে আছে বসতঘরের অবকাঠামো। নেই বেড়া, ছাউনি। বৃষ্টির পানিতে ভিটার মাটি ধুয়ে সমতলে মিশে গেছে অনেক আগে। এসব ঘরে এখন আর মানুষ বসবাস করে না। এমন দৃশ্য নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চর আতাউরের গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোর।
৩ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের জলাতঙ্ক ইউনিটের দরজায় তালা ঝুলিয়ে সাঁটানো একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ইনজেকশন-র্যাবিস ভ্যাকসিন’ এবং ‘ইনজেকশন-আরআইজি’ সরকারি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে রাজনৈতিক খুনোখুনি থামছেই না। গত ১৬ মাসে উপজেলায় খুন হয়েছেন ১৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৮ জন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং একজন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী।
৪ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাঁদের উদ্ধার করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে