নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অযাচিতভাবে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জুলুম বন্ধ না হলে রেস্তোরাঁ বন্ধের হুমকি দিয়েছে মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। একই সঙ্গে তাঁরা ১২টি অধিদপ্তর নয়, একটি অধিদপ্তরের অধীনে কাজ করতে চান।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন মালিক সমিতির নেতারা।
সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আমাদের সেক্টরের সমস্যা থেকে কেউ উদ্ধার করতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে না।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে সব তথ্য হয়তো যাচ্ছে না। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই, ভোক্তা অধিদপ্তর, র্যাবের আদালত, সিটি করপোরেশন, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ এরকম ১২টি প্রতিষ্ঠান/সংস্থা আমাদের মনিটরিং করে যাচ্ছে। বছরের পর বছর আমরা বলে আসছি, যেকোনো একটি অধিদপ্তরের অধীনে আমাদের নেওয়া হোক।’
সরকারের বিভিন্ন সংস্থার প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইমরান হাসান বলেন, ‘আপনারা মানবিকভাবে চিন্তা করুন। আপনারা বুদ্ধিদীপ্ত খেলা দিয়ে আমাদের আইনের মারপ্যাঁচে ফেলে বিপদের মুখে ঠেলে দেবেন না। করোনা-পরবর্তী সময়ে আমরা সরকারের কোনো প্রণোদনা পাইনি, সহায়তাও পাইনি। প্রণোদনা পেয়েছেন বড় ব্যবসায়ীরা।’
‘আমরা সরকারের কাছে প্রণোদনা চাই না, এসএমই খাত থেকে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ চাই, যাতে আমরা টিকে থাকতে পারি।’ জোর আহ্বান জানিয়ে সংগঠনের নেতারা বলেন, ‘আমাদের একটি আহ্বান, অবিলম্বে একটি টাস্কফোর্স বা কমিশন গঠন করে একটি সংস্থার অধীনে আমাদের খাতকে নিয়ে আসা হোক।’
মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ আন্দালিব বলেন, ‘আমাদের রেস্তোরাঁয় পোড়া তেল, ভেজাল মেশানো অপরাধ। যারা করছে তাদের শাস্তি নিয়ে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের যারা ভালোভাবে রেস্তোরাঁ চালায়, তাদের কাছ থেকে কখনো বোতলজাত তেলের বোতলের মুখ খুলে স্যাম্পল নিয়ে বলছে, এটিতে পাম ওয়েল আছে। এর জন্য জরিমানা দিতে হচ্ছে আমাকে। কেন? ইনটেক সয়াবিন তেলের বোতলে যদি আপনি অন্য কিছু পান, তাহলে ওই কোম্পানিকে ধরুন। আমি তো এটি তৈরি করি না, আমি বাজার থেকে কিনে এনে রেস্তোরাঁয় ব্যবহার করি।’
বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি ওসমান গনি, যুগ্ম মহাসচিব ফিরোজ আলম সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ আন্দালিব, ঢাকা উত্তরের মহাসচিব বিপু চৌধুরী, ট্রেজারারসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অযাচিতভাবে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জুলুম বন্ধ না হলে রেস্তোরাঁ বন্ধের হুমকি দিয়েছে মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। একই সঙ্গে তাঁরা ১২টি অধিদপ্তর নয়, একটি অধিদপ্তরের অধীনে কাজ করতে চান।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন মালিক সমিতির নেতারা।
সংগঠনের মহাসচিব ইমরান হাসান লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আমাদের সেক্টরের সমস্যা থেকে কেউ উদ্ধার করতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে না।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে সব তথ্য হয়তো যাচ্ছে না। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই, ভোক্তা অধিদপ্তর, র্যাবের আদালত, সিটি করপোরেশন, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ এরকম ১২টি প্রতিষ্ঠান/সংস্থা আমাদের মনিটরিং করে যাচ্ছে। বছরের পর বছর আমরা বলে আসছি, যেকোনো একটি অধিদপ্তরের অধীনে আমাদের নেওয়া হোক।’
সরকারের বিভিন্ন সংস্থার প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইমরান হাসান বলেন, ‘আপনারা মানবিকভাবে চিন্তা করুন। আপনারা বুদ্ধিদীপ্ত খেলা দিয়ে আমাদের আইনের মারপ্যাঁচে ফেলে বিপদের মুখে ঠেলে দেবেন না। করোনা-পরবর্তী সময়ে আমরা সরকারের কোনো প্রণোদনা পাইনি, সহায়তাও পাইনি। প্রণোদনা পেয়েছেন বড় ব্যবসায়ীরা।’
‘আমরা সরকারের কাছে প্রণোদনা চাই না, এসএমই খাত থেকে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ চাই, যাতে আমরা টিকে থাকতে পারি।’ জোর আহ্বান জানিয়ে সংগঠনের নেতারা বলেন, ‘আমাদের একটি আহ্বান, অবিলম্বে একটি টাস্কফোর্স বা কমিশন গঠন করে একটি সংস্থার অধীনে আমাদের খাতকে নিয়ে আসা হোক।’
মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ আন্দালিব বলেন, ‘আমাদের রেস্তোরাঁয় পোড়া তেল, ভেজাল মেশানো অপরাধ। যারা করছে তাদের শাস্তি নিয়ে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের যারা ভালোভাবে রেস্তোরাঁ চালায়, তাদের কাছ থেকে কখনো বোতলজাত তেলের বোতলের মুখ খুলে স্যাম্পল নিয়ে বলছে, এটিতে পাম ওয়েল আছে। এর জন্য জরিমানা দিতে হচ্ছে আমাকে। কেন? ইনটেক সয়াবিন তেলের বোতলে যদি আপনি অন্য কিছু পান, তাহলে ওই কোম্পানিকে ধরুন। আমি তো এটি তৈরি করি না, আমি বাজার থেকে কিনে এনে রেস্তোরাঁয় ব্যবহার করি।’
বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি ওসমান গনি, যুগ্ম মহাসচিব ফিরোজ আলম সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ আন্দালিব, ঢাকা উত্তরের মহাসচিব বিপু চৌধুরী, ট্রেজারারসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে