নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানা এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন মনোয়ার হাসান জীবন। তিনি ২৮টি মামলার আসামি হলেও মোহাম্মদপুরে কাটাতেন প্রভাবশালী জীবন। অবশেষে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর দারুস সালাম এলাকা থেকে বিদেশি পিস্তলসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
আজ শনিবার বিকেলে র্যাব-৪ এর মিডিয়া কর্মকর্তা মাযহারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
র্যাব কর্মকর্তা বলেন, এলাকায় নতুন কোনো ভবনের কাজ শুরু করতে হলে জীবনকে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দিতে হতো। চাঁদা না দিলে তার ক্যাডার বাহিনীর মাধ্যমে কাজ বন্ধ করে দিত। অস্ত্রধারী ও প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ জনগণ তার বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতে সাহস করতেন না। কেউ অভিযোগ করলে তাঁকে অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখানো ও মারপিট করা হতো।
মাযহারুল ইসলাম জানান, জীবন হাসান ২০১৭ সালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরে এস আর পলাশ নামে একজনকে হত্যা করে। আদাবর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি হত্যা মামলা চলছে। এ ছাড়া একটি অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজা রয়েছে তাঁর। মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি গাড়িতে আগুন দিয়ে দুজন মহিলাকে পুড়িয়ে হত্যা করারও একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।
জানা যায়, জীবনের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়। ১৯৯০ সালে লক্ষ্মীপুর থেকে তাঁর বাবার সঙ্গে ঢাকায় চলে আসেন তিনি। এর কিছুদিন পরে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন জীবন। ২০১০ সালে আলোচিত ওহিউদুজ্জামান হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে দুই বছর কারাগারে ছিলেন। পরে কারাগার থেকে বের হয়ে বেপরোয়া জীবনযাপন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপকর্ম করতে থাকেন। তাঁর বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, আদাবর থানাসহ বিভিন্ন থানায় খুন ও বিস্ফোরক মামলা রয়েছে।

অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানা এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন মনোয়ার হাসান জীবন। তিনি ২৮টি মামলার আসামি হলেও মোহাম্মদপুরে কাটাতেন প্রভাবশালী জীবন। অবশেষে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর দারুস সালাম এলাকা থেকে বিদেশি পিস্তলসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
আজ শনিবার বিকেলে র্যাব-৪ এর মিডিয়া কর্মকর্তা মাযহারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
র্যাব কর্মকর্তা বলেন, এলাকায় নতুন কোনো ভবনের কাজ শুরু করতে হলে জীবনকে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দিতে হতো। চাঁদা না দিলে তার ক্যাডার বাহিনীর মাধ্যমে কাজ বন্ধ করে দিত। অস্ত্রধারী ও প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ জনগণ তার বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতে সাহস করতেন না। কেউ অভিযোগ করলে তাঁকে অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখানো ও মারপিট করা হতো।
মাযহারুল ইসলাম জানান, জীবন হাসান ২০১৭ সালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরে এস আর পলাশ নামে একজনকে হত্যা করে। আদাবর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি হত্যা মামলা চলছে। এ ছাড়া একটি অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজা রয়েছে তাঁর। মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি গাড়িতে আগুন দিয়ে দুজন মহিলাকে পুড়িয়ে হত্যা করারও একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।
জানা যায়, জীবনের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়। ১৯৯০ সালে লক্ষ্মীপুর থেকে তাঁর বাবার সঙ্গে ঢাকায় চলে আসেন তিনি। এর কিছুদিন পরে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন জীবন। ২০১০ সালে আলোচিত ওহিউদুজ্জামান হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে দুই বছর কারাগারে ছিলেন। পরে কারাগার থেকে বের হয়ে বেপরোয়া জীবনযাপন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপকর্ম করতে থাকেন। তাঁর বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, আদাবর থানাসহ বিভিন্ন থানায় খুন ও বিস্ফোরক মামলা রয়েছে।

নিজের অবৈধ আয়কে বৈধ দেখাতে ‘মায়ের দান’ হিসেবে উল্লেখ করার অভিযোগ উঠেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে।
১ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানকে (৯) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। এর আগে দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল...
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বউভাতের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক নারী নিহত হয়েছেন। তিনি কনের নানি। এ ঘটনায় তিনজন আহত হন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার বাদামতলা এলাকায় বারইয়ারহাট-রামগড় সড়কের এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
সিলেট-৫ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণের কথা উল্লেখ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে