দেশে নদী দখলকারীদের তালিকা থাকা সত্ত্বেও তাঁদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার। রাজধানীর গাবতলীর ল্যান্ডিং স্টেশন ঘাটে গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কর্মসূচির আয়োজন করে পরিবেশবাদী সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)। এ সময় প্রতীকী পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মাঝিদের মাঝে ঝুড়ি বিতরণ ও মূকাভিনয় প্রদর্শনী করা হয়।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘আমরা জলাধারগুলো বিভিন্নভাবে নষ্ট করে ফেলছি। আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর একটা পৃথিবী রেখে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করতে হবে। কিন্তু নদী দখলকারীদের নামের তালিকা থাকা সত্ত্বেও তাদের উচ্ছেদ করা বা শাস্তির আওতায় আনা যাচ্ছে না। তাই যাঁরা আগামী দিনে ভোট চাইতে আসবেন, তাঁদের সরাসরি জিজ্ঞেস করবেন, তাঁরা তুরাগ-বুড়িগঙ্গার জন্য কী করবেন।’
ধরা সংগঠনের সদস্যসচিব শরীফ জামিল বলেন, ঢাকার নদীগুলোকে সংরক্ষণের নামে আমরা দূষিত নর্দমায় পরিণত করেছি। তুরাগ অববাহিকায় নদীর দখল মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এককালের কহর দরিয়ার এখন কোথাও কোথাও দুটি নৌকা একসঙ্গে চলতে পারে না। বর্তমানে নদীগুলোর পানি কুচকুচে কালো ও দুর্গন্ধময়। তিনি নদীসংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।
ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইবনুল সাঈদ রানার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন রিভার বাংলার সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত মুখ সোলায়মান সুখন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
১ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
২ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
২ ঘণ্টা আগে