নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডায়রিয়া সংকট মোকাবিলা ও সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণের দাবিতে নাগরিক সংলাপের আয়োজন করেছিল পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক (বিএআরসিআইকে)। সোমবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংগঠন দুটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ওই সংলাপে বক্তারা রাজধানীসহ সারা দেশে ডায়রিয়া ও কলেরা সংকট মোকাবিলা এবং সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে ওয়াসাকে পানির মান পরীক্ষাসহ ৭টি সুপারিশ দিয়েছেন।
সংলাপে পানিবাহিত রোগ থেকে মানুষদের রক্ষা করতে ওয়াসাকে নিয়মিত পানির মান পরীক্ষা এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা, নগরের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া, যেসব এলাকায় ডায়রিয়া-কলেরা রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি করে সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা, রাস্তার পাশের ছোট দোকানে খাবার বিশুদ্ধ পানি রাখার জন্য নজরদারি বৃদ্ধি, যেসব এলাকায় ডায়ারিয়া রোগে মানুষ বেশি আক্রান্ত হচ্ছে সেখানকার পানি পরীক্ষা করে কারণ বের করা এবং দ্রুত সেখানে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা, ডায়ারিয়া ও কলেরা আক্রান্ত রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং ওয়াসার পানির মান নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত পরীক্ষার সুপারিশ জানান বক্তারা।
নাগরিক সংলাপের শুরুতে ধারণাপত্র উত্থাপন করেন বারসিকের কর্মসূচি কর্মকর্তা সুদিপ্তা কর্মকার। ধারণাপত্রে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে—চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) সারা দেশে অন্তত পক্ষে ৪ লাখ, ৬১ হাজার ৬১১ জন মানুষ ডায়ারিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আইসিডিডিআরবি বলছে, হাসপাতালে আসা রোগীদের ২৩ শতাংশ তীব্র ডায়ারিয়া বা কলেরা রোগে আক্রান্ত। বিশ্ব ব্যাংক পরিচালিত ২০১৮ সালের এক জরিপে বলা হয়েছে, পানির নিরাপদ উৎসগুলোর ৪১ শতাংশই ক্ষতিকর ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়াযুক্ত। ঢাকাসহ অন্যান্য শহরগুলোতে পাইপের মাধ্যমে বাসা-বাড়িতে সরবরাহ করা পানিতে এই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি প্রায় ৮২ শতাংশ। এর সঙ্গে, ১৩ শতাংশ রয়েছে আর্সেনিক সমস্যা। ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ফর পিপলস হেলথের তথ্য মতে, দেশের ৪১ শতাংশের অধিক মানুষ দূষিত পানি পান করছে।
সংলাপে বস্তিবাসী নেতা রাফেজা বলেন, ‘বস্তিবাসীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা সবচেয়ে জরুরি। আমরা যে কষ্ট করি তা শহরের অন্য মানুষেরা কিন্তু করে না। এই শহরের গরিব বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য সুপেয় ও নিরাপদ পানির দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার বিকল্প নেই।’
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিহির বিশ্বাস বলেন, ‘ওয়াসার উদাসীনতা আমাদের ব্যথিত করে। ওয়াসা বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না। তাঁরা “পানি ফুটিয়ে খাবেন” আর “আমাদের ল্যাবে কিছু পাওয়া যায়নি” বলে দায় সারছেন। কিন্তু অন্যান্য জায়গায় নানা জীবাণুর অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। সরকারের নীতি নির্ধারণী জায়গাগুলো থেকে নাগরিক অধিকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হচ্ছে।’
গবেষক পাভেল পার্থ বলেন, ‘এই পানিবাহিত রোগের সঙ্গে যেকোনো সময় ভিন্ন কোনো রোগের প্রাদুর্ভাবও হতে পারে। কারণ করোনা অভিজ্ঞতা আমাদের আতঙ্কিত হতে বাধ্য করছে। ডায়রিয়া মোকাবিলায় নীতিনির্ধারণী মহলের সচেতন হওয়া ও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। পানির সংকট নিরসনে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির জায়গায় আনা জরুরি।’
আওয়ামী বাস্তুহারা লীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ হাওলাদার বলেন, ‘প্রত্যেক সেক্টরের অসৎ ব্যক্তিদের কারণে সরকারের দুর্নাম হচ্ছে। সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করার চেষ্টা করছে কিন্তু একটা চক্র বারবার সরকারকে বিব্রত করছে।’
বিশিষ্ট পরিবেশবিদ প্রকৌশলী মো. আব্দুস সোবহান বলেন, ‘নিরাপদ পানির অধিকার সাংবিধানিক কিন্তু রাষ্ট্র সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে না। ওয়াসা পানি পরীক্ষা করে কোনো সমস্যা খুঁজে কেন পায়নি—সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। তাঁদের সকল কার্যক্রমের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। আমাদের দেশে অধিকাংশ প্রকল্প গ্রহণ হয় বাস্তবিক সমীক্ষা ছাড়াই। তাই বিশাল প্রকল্প নেওয়া হয়, কোটি কোটি টাকা খরচ হয়, কিন্তু তার সুফল মানুষ পায় না।’
ওয়াসার নিয়মিত পানি পরীক্ষা করে জনসম্মুখে রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে উল্লেখ করে পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ‘তাঁদের পানি পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে কিন্তু তাঁরা যেভাবে পানির মান নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন তা কোনো দায়িত্বশীল আচরণ নয়। সরকারকে সবচেয়ে বেশি ট্যাক্স প্রদান করেন নিম্ন আয়ের মানুষ কিন্তু তারাই নাগরিক সুবিধা থেকে বেশি বঞ্চিত হচ্ছেন।’
বারসিকের পরিচালক রোমাইসা সামাদের সভাপতিত্বে সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর গবেষক মো. জাহাঙ্গীর আলম, বারসিকের সমন্বয়ক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, পুরান ঢাকা নাগরিক উদ্যোগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সংগঠক ক্যামেলিয়া চৌধুরীসহ প্রমুখ।

ডায়রিয়া সংকট মোকাবিলা ও সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণের দাবিতে নাগরিক সংলাপের আয়োজন করেছিল পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক (বিএআরসিআইকে)। সোমবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংগঠন দুটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ওই সংলাপে বক্তারা রাজধানীসহ সারা দেশে ডায়রিয়া ও কলেরা সংকট মোকাবিলা এবং সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে ওয়াসাকে পানির মান পরীক্ষাসহ ৭টি সুপারিশ দিয়েছেন।
সংলাপে পানিবাহিত রোগ থেকে মানুষদের রক্ষা করতে ওয়াসাকে নিয়মিত পানির মান পরীক্ষা এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা, নগরের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া, যেসব এলাকায় ডায়রিয়া-কলেরা রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি করে সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা, রাস্তার পাশের ছোট দোকানে খাবার বিশুদ্ধ পানি রাখার জন্য নজরদারি বৃদ্ধি, যেসব এলাকায় ডায়ারিয়া রোগে মানুষ বেশি আক্রান্ত হচ্ছে সেখানকার পানি পরীক্ষা করে কারণ বের করা এবং দ্রুত সেখানে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা, ডায়ারিয়া ও কলেরা আক্রান্ত রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং ওয়াসার পানির মান নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত পরীক্ষার সুপারিশ জানান বক্তারা।
নাগরিক সংলাপের শুরুতে ধারণাপত্র উত্থাপন করেন বারসিকের কর্মসূচি কর্মকর্তা সুদিপ্তা কর্মকার। ধারণাপত্রে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে—চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) সারা দেশে অন্তত পক্ষে ৪ লাখ, ৬১ হাজার ৬১১ জন মানুষ ডায়ারিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আইসিডিডিআরবি বলছে, হাসপাতালে আসা রোগীদের ২৩ শতাংশ তীব্র ডায়ারিয়া বা কলেরা রোগে আক্রান্ত। বিশ্ব ব্যাংক পরিচালিত ২০১৮ সালের এক জরিপে বলা হয়েছে, পানির নিরাপদ উৎসগুলোর ৪১ শতাংশই ক্ষতিকর ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়াযুক্ত। ঢাকাসহ অন্যান্য শহরগুলোতে পাইপের মাধ্যমে বাসা-বাড়িতে সরবরাহ করা পানিতে এই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি প্রায় ৮২ শতাংশ। এর সঙ্গে, ১৩ শতাংশ রয়েছে আর্সেনিক সমস্যা। ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ফর পিপলস হেলথের তথ্য মতে, দেশের ৪১ শতাংশের অধিক মানুষ দূষিত পানি পান করছে।
সংলাপে বস্তিবাসী নেতা রাফেজা বলেন, ‘বস্তিবাসীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা সবচেয়ে জরুরি। আমরা যে কষ্ট করি তা শহরের অন্য মানুষেরা কিন্তু করে না। এই শহরের গরিব বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য সুপেয় ও নিরাপদ পানির দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার বিকল্প নেই।’
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিহির বিশ্বাস বলেন, ‘ওয়াসার উদাসীনতা আমাদের ব্যথিত করে। ওয়াসা বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না। তাঁরা “পানি ফুটিয়ে খাবেন” আর “আমাদের ল্যাবে কিছু পাওয়া যায়নি” বলে দায় সারছেন। কিন্তু অন্যান্য জায়গায় নানা জীবাণুর অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। সরকারের নীতি নির্ধারণী জায়গাগুলো থেকে নাগরিক অধিকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হচ্ছে।’
গবেষক পাভেল পার্থ বলেন, ‘এই পানিবাহিত রোগের সঙ্গে যেকোনো সময় ভিন্ন কোনো রোগের প্রাদুর্ভাবও হতে পারে। কারণ করোনা অভিজ্ঞতা আমাদের আতঙ্কিত হতে বাধ্য করছে। ডায়রিয়া মোকাবিলায় নীতিনির্ধারণী মহলের সচেতন হওয়া ও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। পানির সংকট নিরসনে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির জায়গায় আনা জরুরি।’
আওয়ামী বাস্তুহারা লীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ হাওলাদার বলেন, ‘প্রত্যেক সেক্টরের অসৎ ব্যক্তিদের কারণে সরকারের দুর্নাম হচ্ছে। সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করার চেষ্টা করছে কিন্তু একটা চক্র বারবার সরকারকে বিব্রত করছে।’
বিশিষ্ট পরিবেশবিদ প্রকৌশলী মো. আব্দুস সোবহান বলেন, ‘নিরাপদ পানির অধিকার সাংবিধানিক কিন্তু রাষ্ট্র সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে না। ওয়াসা পানি পরীক্ষা করে কোনো সমস্যা খুঁজে কেন পায়নি—সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। তাঁদের সকল কার্যক্রমের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। আমাদের দেশে অধিকাংশ প্রকল্প গ্রহণ হয় বাস্তবিক সমীক্ষা ছাড়াই। তাই বিশাল প্রকল্প নেওয়া হয়, কোটি কোটি টাকা খরচ হয়, কিন্তু তার সুফল মানুষ পায় না।’
ওয়াসার নিয়মিত পানি পরীক্ষা করে জনসম্মুখে রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে উল্লেখ করে পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ‘তাঁদের পানি পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে কিন্তু তাঁরা যেভাবে পানির মান নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন তা কোনো দায়িত্বশীল আচরণ নয়। সরকারকে সবচেয়ে বেশি ট্যাক্স প্রদান করেন নিম্ন আয়ের মানুষ কিন্তু তারাই নাগরিক সুবিধা থেকে বেশি বঞ্চিত হচ্ছেন।’
বারসিকের পরিচালক রোমাইসা সামাদের সভাপতিত্বে সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর গবেষক মো. জাহাঙ্গীর আলম, বারসিকের সমন্বয়ক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, পুরান ঢাকা নাগরিক উদ্যোগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সংগঠক ক্যামেলিয়া চৌধুরীসহ প্রমুখ।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
২ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে