নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য নিহতের ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কর্তৃপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) দুটি বুলডোজার দিয়ে উদ্যানের ভেতরের দোকানপাট ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত অন্তত ১০টি ছোট ছোট স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় সেখানে আনসার ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে কেউ বাধা দেননি।
অমিত নামের এক দোকানদার বলেন, ‘সরকার কিছু না বলেই ভেঙে দিয়েছে। আমাদের কিছু করার নেই। তবে দোকানের ভেতরে থাকা জিনিসপত্র নেওয়ার জন্য অনুমতি চেয়েছি।’
এ বিষয়ে উপস্থিত কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করেননি।

আজ সকাল ৯টা থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসি-সংলগ্ন ফটকে গিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে দেখা যায়। ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এস্টেট ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) ফাতেমা বিনতে মুস্তাফা উপস্থিত ছিলেন।

উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নেতৃত্বে গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ থানার পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সম্মিলিতভাবে অভিযান পরিচালনা করছি। এটি একটি জাতীয় উদ্যান। নারী-পুরুষ-নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। সবাই যাতে নির্বিঘ্নে, নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, সেই উদ্দেশ্যেই আমাদের এই অভিযান। এখানে যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে, আমরা উচ্ছেদ করে দিয়েছি।’

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক বৈঠকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসাধারণের প্রবেশ রাত ৮টার পর নিষিদ্ধসহ সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য নিহতের ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কর্তৃপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) দুটি বুলডোজার দিয়ে উদ্যানের ভেতরের দোকানপাট ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত অন্তত ১০টি ছোট ছোট স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় সেখানে আনসার ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে কেউ বাধা দেননি।
অমিত নামের এক দোকানদার বলেন, ‘সরকার কিছু না বলেই ভেঙে দিয়েছে। আমাদের কিছু করার নেই। তবে দোকানের ভেতরে থাকা জিনিসপত্র নেওয়ার জন্য অনুমতি চেয়েছি।’
এ বিষয়ে উপস্থিত কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করেননি।

আজ সকাল ৯টা থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসি-সংলগ্ন ফটকে গিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে দেখা যায়। ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এস্টেট ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) ফাতেমা বিনতে মুস্তাফা উপস্থিত ছিলেন।

উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নেতৃত্বে গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ থানার পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সম্মিলিতভাবে অভিযান পরিচালনা করছি। এটি একটি জাতীয় উদ্যান। নারী-পুরুষ-নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। সবাই যাতে নির্বিঘ্নে, নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, সেই উদ্দেশ্যেই আমাদের এই অভিযান। এখানে যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে, আমরা উচ্ছেদ করে দিয়েছি।’

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক বৈঠকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসাধারণের প্রবেশ রাত ৮টার পর নিষিদ্ধসহ সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে