টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা আজ রোববার থেকে শুরু হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় টাঙ্গাইলের একটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মোমবাতি ও দেশলাই সঙ্গে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে সমালোচনার মুখে পড়েছে কর্তৃপক্ষ।
মোমবাতি ও দেশলাই আনার নির্দেশ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইলের মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ কেন্দ্রে। এই কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ গতকাল শনিবার কলেজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়।
এদিকে আজ রোববার থেকে বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বিভাগ ছাড়া সারা দেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে। এতে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ কেন্দ্রে প্রায় ১ হাজার ২০০ পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কায় মোমবাতি ও দেশলাই সামগ্রী আনতে নোটিশ জারি করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
কলেজ কর্তৃপক্ষের এমন নোটিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে অনেকে বিভিন্ন মন্তব্য করায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট ডিলিট করে।
কলেজের নোটিশে বলা হয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আশঙ্কা থাকায় পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে মোমবাতি ও দেশলাই সঙ্গে আনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। এই নোটিশ প্রস্তুত করেন সাজিয়া আফরিন নামে কলেজের একজন কম্পিউটার অপারেটর।
মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পরীক্ষা শুরুর দিন থেকে টানা সপ্তাহখানেক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকবে এমন আশঙ্কায় পরীক্ষার্থীদের একটি মোমবাতি ও দেশলাই আনতে বলা হয়েছিল। কলেজে জেনারেটরের ব্যবস্থা নেই। বিদ্যুৎ চলে গেলে সমস্যার সৃষ্টি হবে। এ ছাড়া ১ হাজার ২০০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য এত মোমবাতি জোগাড় করা সম্ভব না। একজন শিক্ষকের পরামর্শে নোটিশটি দিয়ে বিব্রত হয়েছি।’

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা আজ রোববার থেকে শুরু হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় টাঙ্গাইলের একটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মোমবাতি ও দেশলাই সঙ্গে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে সমালোচনার মুখে পড়েছে কর্তৃপক্ষ।
মোমবাতি ও দেশলাই আনার নির্দেশ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইলের মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ কেন্দ্রে। এই কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ গতকাল শনিবার কলেজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়।
এদিকে আজ রোববার থেকে বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বিভাগ ছাড়া সারা দেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে। এতে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ কেন্দ্রে প্রায় ১ হাজার ২০০ পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কায় মোমবাতি ও দেশলাই সামগ্রী আনতে নোটিশ জারি করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
কলেজ কর্তৃপক্ষের এমন নোটিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে অনেকে বিভিন্ন মন্তব্য করায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট ডিলিট করে।
কলেজের নোটিশে বলা হয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আশঙ্কা থাকায় পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে মোমবাতি ও দেশলাই সঙ্গে আনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। এই নোটিশ প্রস্তুত করেন সাজিয়া আফরিন নামে কলেজের একজন কম্পিউটার অপারেটর।
মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘পরীক্ষা শুরুর দিন থেকে টানা সপ্তাহখানেক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকবে এমন আশঙ্কায় পরীক্ষার্থীদের একটি মোমবাতি ও দেশলাই আনতে বলা হয়েছিল। কলেজে জেনারেটরের ব্যবস্থা নেই। বিদ্যুৎ চলে গেলে সমস্যার সৃষ্টি হবে। এ ছাড়া ১ হাজার ২০০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য এত মোমবাতি জোগাড় করা সম্ভব না। একজন শিক্ষকের পরামর্শে নোটিশটি দিয়ে বিব্রত হয়েছি।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা অতিরিক্ত সুবিধা চাই না, ন্যায়বিচার চাই। তাহরিমা জান্নাত সুরভী নাগরিক সুবিধা পাননি। তাঁর সাথে কোনো ন্যায়বিচার করা হয়নি। একটি মিথ্যা মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।’
১২ মিনিট আগে
দেশে আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই গণভোট সামনে রেখে এরই মধ্যে সরকারের তরফ থেকে শুরু হয়েছে প্রচারণা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোটের গাড়ি। তবে মৌলভীবাজারে এই প্রচারণা সীমাবদ্ধ রয়েছে কেবল জেলা শহর পর্যন্ত। কিন্তু জেলার ৯২টি চা-বাগানের ভোটার এবং
৬ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ আট বছরেও শুরু হয়নি। জমি অধিগ্রহণ ও সাইনবোর্ড স্থাপনেই থেমে আছে প্রকল্প। এদিকে উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের সেবা মিলছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা ও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক জায়গায় চারা মরে যাচ্ছে, আবার জীবিত চারাগুলো হলদে হয়ে পাতা নষ্ট হচ্ছে। ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকে
৭ ঘণ্টা আগে