বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ৪৩ বছর পর বিজয় ধরা দিলো আওয়ামী লীগের হাতে। ৪৯ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে এই আসনে উপনির্বাচনে জয় লাভ করেছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু।
রিপু বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৬৪ ভোট। আজ রাত পৌনে ১০টার দিকে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপুকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
গত ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. জাহিদুর রহমান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট হাসেম আলী খান জাহেদী। এই সংসদটি ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিলো। এরপর জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে সদর আসনটি হাতছাড়া হয় আওয়ামী লীগের। দীর্ঘ ৪৩ বছরেও আওয়ামী লীগের কেউ এখানে আর নির্বাচিত হতে পারেননি। তবে ২০০৮ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (বর্তমানে প্রয়াত) মমতাজ উদ্দিন পেয়েছিলেন ৭৪ হাজার ৭০০ ভোট। সর্বশেষ ২০১৯ সালের উপনির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ৩২ হাজার ২৯৭ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। ওই উপনির্বাচনে বিএনপি নেতা গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ৮৯ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, বগুড়া সদর আসনে ১৪৩টি কেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ১০ হাজার ৭৪৩ জন ভোটারের মধ্যে ৯১ হাজার ৭৪২ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। শতকরা হিসেবে তা মোট ভোটারের ২২ দশমিক ৩৪ ভাগ। এর মধ্যে মাসুদার রহমান হেলাল পেয়েছেন (আপেল প্রতীকে) ১ হাজার ৬১৮ ভোট, নজরুল ইসলাম (বটগাছ) ৪৬৮ ভোট, সরকার বাদল (কুড়াল) ২ হাজার ৮১১ ভোট, ফয়সাল বিন শফিক (গোলাপ ফুল) ৪১৭ ভোট, হিরো আলম (একতারা) ৫ হাজার ২৭৪ ভোট, নূরুল ইসরাম ওমর (লাঙল) ৬ হাজার ৯৯৫ ভোট, আফজাল হোসেন (মাছ) ১৭০ ভোট, ইমদাদুল হক ইমদাদ (মশাল) ১ হাজার ৩৪০ ভোট এবং রাকিব হাসান (কুমির) ১ হাজার ৪৪৯ ভোট।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ৪৩ বছর পর বিজয় ধরা দিলো আওয়ামী লীগের হাতে। ৪৯ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে এই আসনে উপনির্বাচনে জয় লাভ করেছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু।
রিপু বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৬৪ ভোট। আজ রাত পৌনে ১০টার দিকে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপুকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
গত ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. জাহিদুর রহমান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট হাসেম আলী খান জাহেদী। এই সংসদটি ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিলো। এরপর জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে সদর আসনটি হাতছাড়া হয় আওয়ামী লীগের। দীর্ঘ ৪৩ বছরেও আওয়ামী লীগের কেউ এখানে আর নির্বাচিত হতে পারেননি। তবে ২০০৮ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (বর্তমানে প্রয়াত) মমতাজ উদ্দিন পেয়েছিলেন ৭৪ হাজার ৭০০ ভোট। সর্বশেষ ২০১৯ সালের উপনির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ৩২ হাজার ২৯৭ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। ওই উপনির্বাচনে বিএনপি নেতা গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ৮৯ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, বগুড়া সদর আসনে ১৪৩টি কেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ১০ হাজার ৭৪৩ জন ভোটারের মধ্যে ৯১ হাজার ৭৪২ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। শতকরা হিসেবে তা মোট ভোটারের ২২ দশমিক ৩৪ ভাগ। এর মধ্যে মাসুদার রহমান হেলাল পেয়েছেন (আপেল প্রতীকে) ১ হাজার ৬১৮ ভোট, নজরুল ইসলাম (বটগাছ) ৪৬৮ ভোট, সরকার বাদল (কুড়াল) ২ হাজার ৮১১ ভোট, ফয়সাল বিন শফিক (গোলাপ ফুল) ৪১৭ ভোট, হিরো আলম (একতারা) ৫ হাজার ২৭৪ ভোট, নূরুল ইসরাম ওমর (লাঙল) ৬ হাজার ৯৯৫ ভোট, আফজাল হোসেন (মাছ) ১৭০ ভোট, ইমদাদুল হক ইমদাদ (মশাল) ১ হাজার ৩৪০ ভোট এবং রাকিব হাসান (কুমির) ১ হাজার ৪৪৯ ভোট।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে তালুকদার ও খান পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
২৫ মিনিট আগে
গণ-অভ্যুত্থানের পরও এই গ্যাস সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও তিতাস বিদ্যমান সংযোগগুলোতেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি গ্যাস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা দখল নিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে গ্যাস-সংকট তৈরি করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ট্রাকচাপায় তাজুল ইসলাম (৪৭) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের সবুজপাড়া এলাকায় কুমিল্লা-মিরপুর সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
সোমবার রাতে নবাবপুর মার্কেট থেকে কাজ শেষে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন ইব্রাহিম। জুরাইন বালুর মাঠ এলাকায় আসার পর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। খবর পেয়ে রাস্তা থেকে ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে প্রথমে আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে