নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের গেজেট স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। এর ফলে মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনের শপথ নিতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবীরা। তবে রিটকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন জানিয়েছেন, তিনি এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাবেন।
রিটকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন জানান, ইশরাক হোসেনকে ডিএসসিসি মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের গেজেট স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাবেন তাঁরা। আজ বৃহস্পতিবার রিট খারিজ হওয়ার পর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা চেম্বার আদালতে যাব। আজই যেতে পারি অথবা রোববার।’
এর আগে, আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি খারিজ করে দেন। আদেশের পর ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘রিট খারিজ হওয়ায় শপথ পড়াতে কোনো বাধা নেই। শপথ না পড়ালে সেটা আদালত অবমাননা হবে।’
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন। আর ইশরাক হোসেনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান মিলন ও খান জিয়াউর রহমান।
ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে দেওয়া রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করতে আইনি নোটিশ দিয়েছিলেন রফিকুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ নামে দুই ব্যক্তি। নোটিশে গেজেট প্রকাশ এবং ইশরাককে শপথ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। তবে নোটিশর পর রাতেই গেজেট প্রকাশ করা হয়। পরে ১৩ মে রিট করা হয়।
রিটে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায় এবং ২৭ এপ্রিলের গেজেট কেন বেআইনি হবে না এবং ইশরাক হোসেনের শপথ পরিচালনা থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়। এ ছাড়া রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় রায় ও গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়।
রিটটি গত মঙ্গলবার দুই দফা শুনানি শেষে গতকাল বুধবার আদেশের জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু গতকাল কার্যতালিকা অনুযায়ী মামলাটি আদেশের জন্য আসলে আদালত বলেন, আমরা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য রুল এবং স্থিতাবস্থা দেব। আমরা সবাইকে শুনতে চাই। তখনই ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘আবেদনকারীর আইনগত এখতিয়ার নেই।’ পরে শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য রাখা হয়।
আরও খবর পড়ুন:

বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের গেজেট স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। এর ফলে মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনের শপথ নিতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবীরা। তবে রিটকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন জানিয়েছেন, তিনি এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাবেন।
রিটকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন জানান, ইশরাক হোসেনকে ডিএসসিসি মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের গেজেট স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাবেন তাঁরা। আজ বৃহস্পতিবার রিট খারিজ হওয়ার পর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা চেম্বার আদালতে যাব। আজই যেতে পারি অথবা রোববার।’
এর আগে, আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি খারিজ করে দেন। আদেশের পর ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘রিট খারিজ হওয়ায় শপথ পড়াতে কোনো বাধা নেই। শপথ না পড়ালে সেটা আদালত অবমাননা হবে।’
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন। আর ইশরাক হোসেনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান মিলন ও খান জিয়াউর রহমান।
ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে দেওয়া রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করতে আইনি নোটিশ দিয়েছিলেন রফিকুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ নামে দুই ব্যক্তি। নোটিশে গেজেট প্রকাশ এবং ইশরাককে শপথ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। তবে নোটিশর পর রাতেই গেজেট প্রকাশ করা হয়। পরে ১৩ মে রিট করা হয়।
রিটে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায় এবং ২৭ এপ্রিলের গেজেট কেন বেআইনি হবে না এবং ইশরাক হোসেনের শপথ পরিচালনা থেকে বিরত রাখার নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়। এ ছাড়া রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় রায় ও গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়।
রিটটি গত মঙ্গলবার দুই দফা শুনানি শেষে গতকাল বুধবার আদেশের জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু গতকাল কার্যতালিকা অনুযায়ী মামলাটি আদেশের জন্য আসলে আদালত বলেন, আমরা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য রুল এবং স্থিতাবস্থা দেব। আমরা সবাইকে শুনতে চাই। তখনই ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘আবেদনকারীর আইনগত এখতিয়ার নেই।’ পরে শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য রাখা হয়।
আরও খবর পড়ুন:

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৭ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে