
পুলিশ সদর দপ্তরে মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উধ্বতন কর্মকর্তারা আজ দুপুর থেকে এক সঙ্গে ছিলেন। তারা সকাল থেকে বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। তবে দুপুরের পর যখন কারফিউ ভেঙ্গে ছাত্র জনতা শাহবাগের দিকে আসতে থাকেন, তখন তাদের নির্দেশনা কমে আসে। শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর তারা ওয়ালেসে আর নির্দেশনা দেননি। বিকেলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) ও সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ উর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা মাস্ক পরে পুলিশ সদর দপ্তরের দেওয়াল টপকে নগর ভবনে প্রবেশ করেন। এরপর সেখান থেকে তারা সিভিলে পালিয়ে যান।
পুলিশ সদর দপ্তরের তিন জন পরিদর্শক আজকের পত্রিকা’কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরিদর্শক বলেন, বিকেলে হারুন অর রশীদসহ কয়েকজন সিভিল পোশাকে বের হন। এরপর তারা দেওয়াল টপকে নগর ভবনে যান, সেখান থেকে তারা কই গেছে তা আর জানা যায়নি। তাদের মুখে মাস্ক পরা ছিল।
আইজিপি, অতিরিক্ত আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারসহ কয়েকজন কর্মকর্তা পুলিশ সদর দপ্তরের নতুন ভবনের ছাদের হেলিপ্যাডে উঠে হেলিকপ্টারে করে পালিয়ে যান।
এর আগে যাত্রাবাড়ী থানায় বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা হামলা করার পর থানা থেকে নির্দেশনা চায়। তখন হারুন থানার ওয়ারলেসে (ভিক্টর–৩) ওই থানার ওসি আবুল হাসানকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলে। তবে এরপর আর তার কোনো নির্দেশনা ছিল না।
এবিষয়ে বক্তব্যের জন্য ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান কে ফোন দিয়ে বক্তব্য জানতে চাইলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আরও খবর পড়ুন:

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় অবৈধভাবে অতিরিক্ত বালু বোঝাই করে চলাচলের অভিযোগে ৯টি ড্রাম ট্রাকের চালককে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ট্রাকগুলো জব্দ করা হয়।
১৯ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদকের টাকা জোগাড় করতেই চার বন্ধু মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। গত শনিবার (৭ মার্চ) অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সিয়ামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ। হত্যার পর সিয়ামের ব্যবহৃত দামি আইফোন ও নগদ টাকা নিয়ে নেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার সকালে দুই পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের চাচাতো ভাই ও তাঁর সমর্থক আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার বাদী হাবু মিয়া অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এরই মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে ২৭ আসামি আগাম জামিন নেন। এরপর ৮ মার্চ কিশোরগঞ্জ জেলা জজ আদালত থেকে এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে ১৬ জন পুনরায় জামিন পান।
২ ঘণ্টা আগে