রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে এক রোগীকে রক্ত দানের পর মাথা ঘুরে দুই তলা থেকে নিচে পড়ে শাহরিয়ার শুভ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার রাত ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রাত ১০টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালে শুভর বন্ধু মো. রাকিব হোসেন জানান, তাঁদের বাড়ি সাভারের উলাইল এলাকায়। তাঁদের পাশাপাশি বাড়ি। রাকিবের ছোটবোন তানজিলা বাতজ্বরে আক্রান্ত। ২০ দিন ধরে সে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি। তাকে রক্তদানের জন্যই বন্ধু শুভকে সাথে নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে গিয়েছিলেন। হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় রক্ত দেওয়ার পর সিড়ির পাশে বসে ছিল শুভ। তাঁকে রেখে রাকিব ৫ তলায় রোগীর কাছে যান। সেখান থেকে আবার দ্বিতীয় তলায় এসেই শুনতে পারেন, মাথা ঘুরে ভবনের নিচে পড়ে গেছে শুভ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যান। তবে সেখানকার চিকিৎসকেরা তাঁকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়ে দেন।
জানা গেছে, শুভর বাবার নাম গোলাম মওলা রিপন। স্থানীয় একটি ভার্সিটিতে পড়তো শুভ। পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করতো।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুভর মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার একই প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ মে রাজাসন পালোয়ান মার্কেটের সামনে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় ছাত্রদল নেতা সামিরের এক সহযোগীর সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং বিষয়টি সামিরকে জানান...
৪ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত জাহান নূপুর। ছেলের পরিবার গরিব হওয়ায় এ বিয়ে মেনে নেয়নি নূপুরের পরিবার। পরে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে নির্যাতন করা হয় নূপুর ও তার স্বামীকে। মার খেয়ে স্বামী চলে গেলে এলাকায় প্রচার করা হয় নূপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সঠিক বিচার দাবি করেছেন বেঁচে যাওয়া জুনায়েদ ইসলাম শিফাত।
৫ ঘণ্টা আগে