
রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন লেগেছে। ট্রেনটি বেনাপোল থেকে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনের দিকে আসছিল।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার বলেন, ‘বেনাপোল এক্সপ্রেসের ৫টি বগি একেবারে পুড়ে গেছে। ভয়াবহ অবস্থা! ভেতরে কী অবস্থা বলা যাচ্ছে না।’
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আজ শুক্রবার রাত ৯টা ৫ মিনিটে গোপীবাগ এলাকায় চলন্ত ট্রেনে আগুন লাগার খবর পাই। আমাদের ৭টি ইউনিট পাঠিয়েছি।’
এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আগুন লাগার পরপরই দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে ট্রেনটি। ট্রেনে কত যাত্রী ছিলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সেই আগুনে দগ্ধ হয়ে দুজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
রেলওয়ে পুলিশের ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ট্রেনের পাওয়ার কার থেকে আগুনের সূত্রপাত। এটি নাশকতা নাকি গোলযোগ, বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে।’
গত বছরের ২ নভেম্বর থেকে পদ্মা সেতু হয়ে বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৫) নতুন রুটে যাত্রা শুরু করে। ট্রেনটি বেনাপোল ছাড়ে বেলা ১টায় এবং ঢাকা পৌঁছানোর সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে। অন্যদিকে ট্রেনটি ঢাকা ছাড়ে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে এবং বেনাপোলে পৌঁছায় সকাল ৭টা ২০ মিনিটে।
বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি উভয় পথে ঝিকরগাছা, যশোর, মোবারকগঞ্জ, কোটচাঁদপুর, দর্শনা হল্ট, চুয়াডাঙ্গা, পোড়াদহ জংশন, কুষ্টিয়া কোর্ট, রাজবাড়ী, ফরিদপুর এবং ভাঙ্গা জংশন স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় বিএসএফের উদ্ধার করা ১০ বাংলাদেশিকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
৩৯ মিনিট আগে
দুই বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯টি নৌকার অংশগ্রহণে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে ক্ষমতাপুর গ্রামের শাপলা বয়েজ ক্লাবের নৌকা। নদীর দুই তীরে বিপুল দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে নারায়ণগঞ্জে কর্মস্থলে ফেরার পথে বাসে উঠে সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের কবলে পড়েন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ইউনিট ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম। বাসের অন্য যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা ও মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে তাঁদের রাস্তায় নামিয়ে দেওয়ার পর জাহাঙ্গীরকে বাসের ভেতর জিম্মি করে মারধর করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ভয়াবহ ভাঙনে একের পর এক বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে আটটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আরও কয়েকটি বিদ্যালয় রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে। ভবন হারিয়ে কোথাও খোলা আকাশের নিচে, আবার কোথাও ছাপড়ার নিচে চলছে শিশুদের পাঠদান। এতে
১ ঘণ্টা আগে