
পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটি পিছিয়ে বিকেল ৪টা ৫০ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে নীলসাগর এক্সপ্রেসের নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট। পরে সেটি সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ছাড়ার সময় দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সেই সূচিও বাতিল করা হয়।

কমলাপুর স্টেশনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘শুরু থেকেই ছাদে ওঠা বন্ধের চেষ্টা করা হয়েছে; কিন্তু শেষ মুহূর্তে যাত্রীর চাপ এত বেশি থাকে যে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। মানবিক দিক বিবেচনায় কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হচ্ছে, যাতে সবাই ঈদে বাড়ি যেতে পারে।’

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ হাজার যাত্রী বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রা করছেন। যাত্রীচাপ বাড়তে থাকায় অতিরিক্ত ট্রেন, কোচ সংযোজন এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের একই টিকিটের পিডিএফ কপি তিন যাত্রীর কাছে রয়েছে। ট্রেনে সিটে বসা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে তাঁরা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে যাচাই করে দেখা যায়, তিনজনের মধ্যে একজনের টিকিট বৈধ, বাকি দুজনের টিকিট জাল।