নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘কোরিয়ার গল্প’ বইয়ের আলোচনার জন্য কোরিয়ার ‘এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশি তরুণ লেখক মাজেদা মুজিব। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান লিটারেচার ট্রান্সলেশন ইনস্টিটিউট থেকে এই পুরস্কার পান তিনি। উজান প্রকাশিত ‘কোরিয়ার গল্প’ অনুবাদ বইয়ের আলোচনা লিখে এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার কোরিয়ার লিটারেচার ট্রান্সলেশন ইনস্টিটিউটের সাইটে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন উজান কর্তৃপক্ষ।
পুরস্কারের অর্থমূল্য হিসেবে তিনি তাঁকে দেওয়া হবে ৫ লাখ কোরিয়ান ওন।
তরুণ লেখক মাজেদা মুজিবের জন্ম ১৯৮৯ সালে টাঙ্গাইলের সখীপুরে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাসাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। বর্তমানে তিনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘রবীন্দ্রসাহিত্যে নিম্নবর্গের মুসলমান ও অন্যান্য লেখা’।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ৯টি দেশে কোরিয়ান সাহিত্যের অনুবাদ নিয়ে একযোগে আয়োজন করা হয় বই আলোচনা প্রতিযোগিতার। বাংলাদেশেও লিটারেচার ট্রান্সলেশন ইনস্টিটিউট অব কোরিয়া' র সহযোগিতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে প্রকাশনা সংস্থা ‘উজান’। ওই প্রতিযোগিতায় ৯ দেশের শীর্ষস্থান অর্জনকারী ৩ জন করে মোট ২৭ জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে মাজেদা মুজিবকে বাছাই করা হয় ‘এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’-এর জন্য। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আজারবাইজান, বাংলাদেশ, ব্রাজিল, চীন, কলম্বিয়া, জাপান, রাশিয়া, স্পেন এবং তাইওয়ান।
এর আগে একই বইয়ের আলোচনার জন্য ‘উজান বই আলোচনা প্রতিযোগিতা ২০২১’ এ তৃতীয় স্থান অর্জন করেন মাজেদা মুজিব। গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে বাংলাদেশের প্রকাশনা সংস্থা উজান। ওই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান সরোজ মোস্তফা এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন ইলিয়াস বাবর।
কোরিয়ান সাহিত্যের এক শ' বছরের গল্প নিয়ে অনুবাদ সংকলন ‘কোরিয়ার গল্প’ বইটি প্রকাশ করেছে উজান প্রকাশন। মোট ৪ জনের অনুবাদে এই গল্প সংকলন সম্পাদনা করেছেন কথাসাহিত্যিক, অনুবাদক ও সাংবাদিক ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ।
গত ৮ নভেম্বর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে ‘উজান বই আলোচনা প্রতিযোগিতা’ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত জ্যাং-গুন ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন।
প্রতিযোগিতায় আলোচনা লিখে নির্বাচিত আরও ১০ জন হলেন যথাক্রমে- মিলু হাসান, জাহিদ সোহাগ, সিরাজুম মুনিরা, সম্প্রীতি মল্লিক, অলাত এহ্সান, হারুন সুমন, রুম্মানা জান্নাত, ফাহাদ হোসেন, হাসান জামিল ও আবিদা তাহসিন প্রমি।

‘কোরিয়ার গল্প’ বইয়ের আলোচনার জন্য কোরিয়ার ‘এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশি তরুণ লেখক মাজেদা মুজিব। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান লিটারেচার ট্রান্সলেশন ইনস্টিটিউট থেকে এই পুরস্কার পান তিনি। উজান প্রকাশিত ‘কোরিয়ার গল্প’ অনুবাদ বইয়ের আলোচনা লিখে এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার কোরিয়ার লিটারেচার ট্রান্সলেশন ইনস্টিটিউটের সাইটে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন উজান কর্তৃপক্ষ।
পুরস্কারের অর্থমূল্য হিসেবে তিনি তাঁকে দেওয়া হবে ৫ লাখ কোরিয়ান ওন।
তরুণ লেখক মাজেদা মুজিবের জন্ম ১৯৮৯ সালে টাঙ্গাইলের সখীপুরে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাসাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। বর্তমানে তিনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘রবীন্দ্রসাহিত্যে নিম্নবর্গের মুসলমান ও অন্যান্য লেখা’।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ৯টি দেশে কোরিয়ান সাহিত্যের অনুবাদ নিয়ে একযোগে আয়োজন করা হয় বই আলোচনা প্রতিযোগিতার। বাংলাদেশেও লিটারেচার ট্রান্সলেশন ইনস্টিটিউট অব কোরিয়া' র সহযোগিতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে প্রকাশনা সংস্থা ‘উজান’। ওই প্রতিযোগিতায় ৯ দেশের শীর্ষস্থান অর্জনকারী ৩ জন করে মোট ২৭ জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে মাজেদা মুজিবকে বাছাই করা হয় ‘এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’-এর জন্য। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আজারবাইজান, বাংলাদেশ, ব্রাজিল, চীন, কলম্বিয়া, জাপান, রাশিয়া, স্পেন এবং তাইওয়ান।
এর আগে একই বইয়ের আলোচনার জন্য ‘উজান বই আলোচনা প্রতিযোগিতা ২০২১’ এ তৃতীয় স্থান অর্জন করেন মাজেদা মুজিব। গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে বাংলাদেশের প্রকাশনা সংস্থা উজান। ওই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান সরোজ মোস্তফা এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন ইলিয়াস বাবর।
কোরিয়ান সাহিত্যের এক শ' বছরের গল্প নিয়ে অনুবাদ সংকলন ‘কোরিয়ার গল্প’ বইটি প্রকাশ করেছে উজান প্রকাশন। মোট ৪ জনের অনুবাদে এই গল্প সংকলন সম্পাদনা করেছেন কথাসাহিত্যিক, অনুবাদক ও সাংবাদিক ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ।
গত ৮ নভেম্বর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে ‘উজান বই আলোচনা প্রতিযোগিতা’ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত জ্যাং-গুন ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন।
প্রতিযোগিতায় আলোচনা লিখে নির্বাচিত আরও ১০ জন হলেন যথাক্রমে- মিলু হাসান, জাহিদ সোহাগ, সিরাজুম মুনিরা, সম্প্রীতি মল্লিক, অলাত এহ্সান, হারুন সুমন, রুম্মানা জান্নাত, ফাহাদ হোসেন, হাসান জামিল ও আবিদা তাহসিন প্রমি।

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৩৯ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে