
আমাদের চারপাশের দেয়ালে কান পাতলে একটা দীর্ঘশ্বাস খুব বেশি শোনা যায়—‘এত চেষ্টা করি, এত টাকা আয় করি, তবু অভাব মেটে না, শান্তি আসে না!’ এই আক্ষেপ শুধু নিম্নবিত্তের নয়, বরং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে অনেক দ্বীনদার মানুষেরও। আমরা আসলে ভুলে গেছি—রিজিক কেবল পকেটের টাকা নয়; রিজিক হলো মনের স্থিরতা।
রহস্য, রোমাঞ্চ, পাহাড় আর অরণ্যের প্রতি আলাদা এক টান রয়েছে লেখক ইশতিয়াক হাসানের। সেই টানই বারবার ফিরে আসে তার লেখায়। কখনও গহিন জঙ্গলে, কখনও দুর্গম পাহাড়ি পথে, আবার কখনও অজানা রহস্যের দরজা খুলে দেওয়া কোনো গল্পে।

চারদিকে ছড়িয়ে রাখা স্টল বানানোর সামগ্রী। কর্মীরা কাজ করছেন। হাতুড়ির ঠকঠক আওয়াজ। পাশ দিয়ে একটা অটোভ্যান মালপত্র নিয়ে মেলার মধ্যে ঢুকে গেল। কার্টনে ভরা বই আসছে। কাজ শেষ হওয়া স্টলগুলোয় বই সাজিয়ে রাখছেন বিক্রয়কর্মীরা। তবে সিংহভাগ স্টলেরই এখনো নির্মাণকাজ চলছে।

বই মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে— এই সত্য স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে নূজহাত নাছিম দিয়ার জীবনে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের একটি শান্ত, বইপ্রেমী পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন দিয়া। পরিবারে মা-বাবা ও দুই ভাই সব সময় তাঁকে পড়াশোনা এবং সাহিত্যচর্চায় উৎসাহ দিয়ে এসেছেন।