কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে আসা এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুরের কাপাসিয়া থানা-পুলিশ।
গতকাল শনিবার ভোরে তাঁকে কাপাসিয়া উপজেলা টোক ইউনিয়ন এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ১২ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তাঁর নামে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামির নাম—নরসিংদী জেলার মনোহরদী থানার ঝালোয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মো. নয়ন মিয়া (৪৪)।
মামলার বাদী ও টোক নয়ন বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘শনিবার ভোরের দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে ঘোষেরকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার ইজিবাইকে ওঠার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় রাস্তার পাশের ঝোপের আড়াল থেকে চার সন্ত্রাসী এসে কিল-ঘুষি মারে। একজন রামদা গলায় ধরে বলে, ‘তোর সঙ্গে যা আছে দিয়ে দে, শোর ও চিৎকার করলে তোর গলা কেটে ফেলব।’ এ কথা বলে একজন সন্ত্রাসী বুক পকেটে থাকা নগদ ২ হাজার টাকা এবং অপর একজন প্যান্টের পকেটে থাকা ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।’
আবুল কাশেম আরও বলেন, ‘আমাকে ছেড়ে দিয়ে অন্যান্য পথচারীদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের জন্য তারা অবস্থান করতে থাকে। এ সময় ভয়ে দৌড়ে দূরে গিয়ে চিৎকার করি। ঘটনাস্থলের কিছু দূরে টোক নয়ন বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে থাকা পুলিশ দেখতে পায়। পুলিশকে বিষয়টি জানালে তারা ও স্থানীয় জনগণ মিলে একজন সন্ত্রাসীকে হাতেনাতে ধরে। সে সময় অপর তিনজন দৌড়ে পালিয়ে যায়।’
পালিয়ে আসা চার আসামি হলেন—কিশোরগঞ্জ জেলা পাকুন্দিয়া থানার চর দেওকান্দি গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে মো. হারুন, এগারসিন্দুর গ্রামের মৃত ইমাম উদ্দিনের ছেলে ভূট্টো মিয়া, জামালপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মো. সুমন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার আসামি নয়ন মিয়ার নামে তিনটি অস্ত্র, চিরটি ডাকাতি ও চারটি ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা চলমান রয়েছে। কাপাসিয়া থানায় নতুন করে মারপিট, জীবননাশের ভয়ভীতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি ২৭টি মামলা হয়েছে।
কাপাসিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুবকর মিয়া বলেন, সদ্য কোটা আন্দোলন সময় ১৯ জুলাই নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে নয়ন মিয়া পালিয়ে আসে। পুরোনো সঙ্গীদের নিয়ে ছিনতাইয়ের সময় তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। রিমান্ডের আবেদন করে আজ রোববার দুপুরে তাঁকে গাজীপুর জেলা আদালতের পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ওসি জানান, বহু মামলার আসামি নয়ন মিয়া তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন থানায়। সে এই উপজেলাতে বড় ধরনের অপরাধ ঘটাতে পারত।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে আসা এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুরের কাপাসিয়া থানা-পুলিশ।
গতকাল শনিবার ভোরে তাঁকে কাপাসিয়া উপজেলা টোক ইউনিয়ন এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ১২ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তাঁর নামে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামির নাম—নরসিংদী জেলার মনোহরদী থানার ঝালোয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মো. নয়ন মিয়া (৪৪)।
মামলার বাদী ও টোক নয়ন বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘শনিবার ভোরের দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে ঘোষেরকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার ইজিবাইকে ওঠার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় রাস্তার পাশের ঝোপের আড়াল থেকে চার সন্ত্রাসী এসে কিল-ঘুষি মারে। একজন রামদা গলায় ধরে বলে, ‘তোর সঙ্গে যা আছে দিয়ে দে, শোর ও চিৎকার করলে তোর গলা কেটে ফেলব।’ এ কথা বলে একজন সন্ত্রাসী বুক পকেটে থাকা নগদ ২ হাজার টাকা এবং অপর একজন প্যান্টের পকেটে থাকা ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।’
আবুল কাশেম আরও বলেন, ‘আমাকে ছেড়ে দিয়ে অন্যান্য পথচারীদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের জন্য তারা অবস্থান করতে থাকে। এ সময় ভয়ে দৌড়ে দূরে গিয়ে চিৎকার করি। ঘটনাস্থলের কিছু দূরে টোক নয়ন বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে থাকা পুলিশ দেখতে পায়। পুলিশকে বিষয়টি জানালে তারা ও স্থানীয় জনগণ মিলে একজন সন্ত্রাসীকে হাতেনাতে ধরে। সে সময় অপর তিনজন দৌড়ে পালিয়ে যায়।’
পালিয়ে আসা চার আসামি হলেন—কিশোরগঞ্জ জেলা পাকুন্দিয়া থানার চর দেওকান্দি গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে মো. হারুন, এগারসিন্দুর গ্রামের মৃত ইমাম উদ্দিনের ছেলে ভূট্টো মিয়া, জামালপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মো. সুমন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার আসামি নয়ন মিয়ার নামে তিনটি অস্ত্র, চিরটি ডাকাতি ও চারটি ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা চলমান রয়েছে। কাপাসিয়া থানায় নতুন করে মারপিট, জীবননাশের ভয়ভীতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি ২৭টি মামলা হয়েছে।
কাপাসিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুবকর মিয়া বলেন, সদ্য কোটা আন্দোলন সময় ১৯ জুলাই নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে নয়ন মিয়া পালিয়ে আসে। পুরোনো সঙ্গীদের নিয়ে ছিনতাইয়ের সময় তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। রিমান্ডের আবেদন করে আজ রোববার দুপুরে তাঁকে গাজীপুর জেলা আদালতের পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ওসি জানান, বহু মামলার আসামি নয়ন মিয়া তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন থানায়। সে এই উপজেলাতে বড় ধরনের অপরাধ ঘটাতে পারত।

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
৫ মিনিট আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
৮ মিনিট আগে
অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
২২ মিনিট আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
১ ঘণ্টা আগে