আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুকে রাজধানীর পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তা মুহাম্মদ তালেবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আজ বেলা দেড়টার দিকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যা মামলাসহ তাঁর বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা রয়েছে।
তবে কোন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে তা জানানো হয়নি।
সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বর্তমানে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহাজোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে আমির হোসেন আমু লুকিয়ে আছেন সন্দেহে রাজধানীর বসুন্ধরায় একটি ভবন ঘেরাও করেন শিক্ষার্থীরা। প্রায় চার ঘণ্টা ভবনটি ঘেরাও করে রাখার পর তাঁকে না পেয়ে সেখানে ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা।
আমির হোসেন আমু ১৯৫৯ থেকে ৬৪ সাল পর্যন্ত বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন। পরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হন। ১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন।
১৯৭২ সালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠা কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। ১৯৭৮ থেকে ৮৬ সাল পর্যন্ত সংগঠনটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হন।
১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটার যুগ্ম সম্পাদক হন। ১৯৯২ সালের সম্মেলনে তিনি দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন। ২০০৭ সালের এক এগারোর পট পরিবর্তনে তিনি আওয়ামী লীগের সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিতি পান। ২০০৯ সালে সম্মেলনে তাকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হন।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় খাদ্যমন্ত্রী হন। এরপর ২০১৪ সালে গঠিত মন্ত্রিসভায় শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।

সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুকে রাজধানীর পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তা মুহাম্মদ তালেবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আজ বেলা দেড়টার দিকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যা মামলাসহ তাঁর বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা রয়েছে।
তবে কোন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে তা জানানো হয়নি।
সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বর্তমানে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহাজোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে আমির হোসেন আমু লুকিয়ে আছেন সন্দেহে রাজধানীর বসুন্ধরায় একটি ভবন ঘেরাও করেন শিক্ষার্থীরা। প্রায় চার ঘণ্টা ভবনটি ঘেরাও করে রাখার পর তাঁকে না পেয়ে সেখানে ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা।
আমির হোসেন আমু ১৯৫৯ থেকে ৬৪ সাল পর্যন্ত বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন। পরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হন। ১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন।
১৯৭২ সালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠা কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। ১৯৭৮ থেকে ৮৬ সাল পর্যন্ত সংগঠনটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হন।
১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটার যুগ্ম সম্পাদক হন। ১৯৯২ সালের সম্মেলনে তিনি দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন। ২০০৭ সালের এক এগারোর পট পরিবর্তনে তিনি আওয়ামী লীগের সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিতি পান। ২০০৯ সালে সম্মেলনে তাকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হন।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় খাদ্যমন্ত্রী হন। এরপর ২০১৪ সালে গঠিত মন্ত্রিসভায় শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
২ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে