প্রতিনিধি

শিবচর (মাদারীপুর): মা ফেরিতে থাকতেই কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েন। ফেরি ঘাটে ভিড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকজন হুড়োহুড়ি করে নামতে শুরু করে। এসময় সেও ব্যাগ হাতে নেমে আসে। পন্টুনে নামার পর মাকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে থাকে ভিড়ের মধ্যে। লোকজন নেমে গেলে ফেরির ডেকে পড়ে থাকতে দেখে মায়ের নিথর দেহ।
বাংলাবাজার ঘাটে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার পর কান্নারত অবস্থায় বিলাপ করে এসব বলছিল নিহত নিপা আক্তারের ছেলে রিফাত হোসেন (১৪)।
ফেরির অপর যাত্রী আমির হোসেন বলেন, ‘ফেরিতে প্রচুর ভিড়। ফেরির ডেকে বেশিরভাগ যাত্রী গায়ের সাথে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। দুই ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে থেকে ফেরি বাংলাবাজার ঘাটে ভিড়ার আগেই অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে। লোকজনের ভিড়ে আমরা প্রায় শ্বাস নিতে পারছিলাম না। তার ওপর রোদের কড়া তাপ। অনেকেই পানির জন্য চেঁচামেচি করছিল।'
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মাদারীপুরের শিবচরে বাংলাবাজার ৩নং ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। যাত্রীদের চাপে প্রাণ হারান পাঁচ জন। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।
শিবচর থানার ওসি মিরাজ হোসেন আজকের পত্রিকাকে হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মৃতদের মধ্যে দুজন পুরুষ, দুজন নারী এবং একজন শিশু। তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে লোকগুলো হিটস্ট্রোকে মারা গেছেন। অসুস্থদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে আছেন মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার বালীগ্রাম এলাকার নিপা আক্তার (৩৪) ও আনছার মাতবর (১২)। বাকিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
জানা গেছে, আজ সকালের দিকে শিমুলিয়া থেকে যাত্রী বোঝাই রোরো ফেরি এনায়েতপুরী বাংলাবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়। মাঝ পদ্মায় তীব্র গরমে জ্ঞান হারান চার যাত্রী। পরে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। এর আগে অন্য একটি ফেরি থেকে নামার সময় যাত্র্রীদের চাপে প্রাণ হারায় আনছার মাতবর।
ঘাট সূত্রে জানা গেছে, আনছারের বাড়ি শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায়। আনছার নড়িয়ার কালিকাপ্রসাদ গ্রামের গিয়াস উদ্দিন মাতবরের ছেলে।
আরও পড়ুন:

শিবচর (মাদারীপুর): মা ফেরিতে থাকতেই কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েন। ফেরি ঘাটে ভিড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোকজন হুড়োহুড়ি করে নামতে শুরু করে। এসময় সেও ব্যাগ হাতে নেমে আসে। পন্টুনে নামার পর মাকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে থাকে ভিড়ের মধ্যে। লোকজন নেমে গেলে ফেরির ডেকে পড়ে থাকতে দেখে মায়ের নিথর দেহ।
বাংলাবাজার ঘাটে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার পর কান্নারত অবস্থায় বিলাপ করে এসব বলছিল নিহত নিপা আক্তারের ছেলে রিফাত হোসেন (১৪)।
ফেরির অপর যাত্রী আমির হোসেন বলেন, ‘ফেরিতে প্রচুর ভিড়। ফেরির ডেকে বেশিরভাগ যাত্রী গায়ের সাথে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। দুই ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে থেকে ফেরি বাংলাবাজার ঘাটে ভিড়ার আগেই অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে। লোকজনের ভিড়ে আমরা প্রায় শ্বাস নিতে পারছিলাম না। তার ওপর রোদের কড়া তাপ। অনেকেই পানির জন্য চেঁচামেচি করছিল।'
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মাদারীপুরের শিবচরে বাংলাবাজার ৩নং ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। যাত্রীদের চাপে প্রাণ হারান পাঁচ জন। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।
শিবচর থানার ওসি মিরাজ হোসেন আজকের পত্রিকাকে হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মৃতদের মধ্যে দুজন পুরুষ, দুজন নারী এবং একজন শিশু। তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে লোকগুলো হিটস্ট্রোকে মারা গেছেন। অসুস্থদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে আছেন মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার বালীগ্রাম এলাকার নিপা আক্তার (৩৪) ও আনছার মাতবর (১২)। বাকিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
জানা গেছে, আজ সকালের দিকে শিমুলিয়া থেকে যাত্রী বোঝাই রোরো ফেরি এনায়েতপুরী বাংলাবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়। মাঝ পদ্মায় তীব্র গরমে জ্ঞান হারান চার যাত্রী। পরে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। এর আগে অন্য একটি ফেরি থেকে নামার সময় যাত্র্রীদের চাপে প্রাণ হারায় আনছার মাতবর।
ঘাট সূত্রে জানা গেছে, আনছারের বাড়ি শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায়। আনছার নড়িয়ার কালিকাপ্রসাদ গ্রামের গিয়াস উদ্দিন মাতবরের ছেলে।
আরও পড়ুন:

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে প্রচারণা চালাতে দেশব্যাপী ঘুরছে ভোটের গাড়ি। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শেরপুরের নালিতাবাড়ীতেও ঘুরে গেছে ভোটের গাড়ি। তবে উপজেলা শহর ও গ্রামাঞ্চলের লোকজন বলছে, ভোটের গাড়ি কী, কবে ও কখন এসেছে; তা জানে না তারা।
১৪ মিনিট আগে
ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান অংশে থেমে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিয়েছে যাত্রীবাহী বাস। এতে বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ছয় যাত্রী।
২ ঘণ্টা আগে
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে হিমালয় থেকে নেমে আসা হিম বাতাস ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে তীব্র শীত জেঁকে বসেছে। শীতের দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ট্রাকের চাপায় মো. মোতালেব মুন্সি (১৯) নামের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অটোরিকশার দুই যাত্রী গুরুতর আহত হন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের পঞ্চায়েত বাড়ি মসজিদের সামনে বাউফল-দশমিনা সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে