নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০ পেয়েছেন ছাত্রলীগের সহসভাপতি তিলোত্তমা শিকদার। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে মোস্ট ইমপ্যাক্টফুল ইনিশিয়েটিভ ক্যাটাগরিতে কোয়ান্টামের পক্ষে পুরস্কার ও সম্মাননা গ্রহণ করেন এই ছাত্রলীগ নেত্রী।
করোনাকালে সংকটময় মুহূর্তে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক যুবাদের অনন্য মানবিক অবদানের স্বীকৃতি দিতে ‘ঢাকা ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ২০২০’-এর অধীনে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর নামে ‘শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০’ দেওয়া হয়।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই পুরস্কার দেওয়া হয়। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যুবকদের একক ও দলীয়ভাবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার, সার্টিফিকেট ও সম্মাননা প্রদান করে।
তিলোত্তমা শিকদার বলেন, ‘কাজের স্বীকৃতি সব সময় আমাকে উচ্ছ্বসিত করে। তবে, সেই স্বীকৃতির সঙ্গে যখন আমার বাংলাদেশের স্বপ্নসারথি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম জুড়ে থাকে, তা আমাকে নবপ্রভার আলোয় উদ্ভাসিত করে।’
২০২০ সালে করোনার সময়ে রমজান মাসে তিলোত্তমা শিকদার রোজাদারদের মধ্যে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করে সাড়া ফেলেন।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বঙ্গভবন থেকে ওই অনুষ্ঠানে তরুণদের উদ্দেশে ভার্চুয়ালি ভাষণ দেন। তিনি বলেন, ‘তরুণেরাই আমাদের সাম্প্রতিক উন্নয়নের সম্মুখ সারির লড়াকু শক্তি। এটি আমাদের আশাবাদী ও আত্মবিশ্বাসী করে যে, এই তরুণেরাই একটি উন্নত ভবিষ্যৎ নিয়ে আসবে।’
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলসহ উপস্থিত ছিলেন রুশ ফেডারেশনের তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের যুববিষয়ক মন্ত্রী তিমুর সুলেইমানোভ, আইসিওয়াইএফ সভাপতি তাহা আয়হান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেন প্রমুখ।

শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০ পেয়েছেন ছাত্রলীগের সহসভাপতি তিলোত্তমা শিকদার। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে মোস্ট ইমপ্যাক্টফুল ইনিশিয়েটিভ ক্যাটাগরিতে কোয়ান্টামের পক্ষে পুরস্কার ও সম্মাননা গ্রহণ করেন এই ছাত্রলীগ নেত্রী।
করোনাকালে সংকটময় মুহূর্তে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক যুবাদের অনন্য মানবিক অবদানের স্বীকৃতি দিতে ‘ঢাকা ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ২০২০’-এর অধীনে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর নামে ‘শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০’ দেওয়া হয়।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই পুরস্কার দেওয়া হয়। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যুবকদের একক ও দলীয়ভাবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার, সার্টিফিকেট ও সম্মাননা প্রদান করে।
তিলোত্তমা শিকদার বলেন, ‘কাজের স্বীকৃতি সব সময় আমাকে উচ্ছ্বসিত করে। তবে, সেই স্বীকৃতির সঙ্গে যখন আমার বাংলাদেশের স্বপ্নসারথি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম জুড়ে থাকে, তা আমাকে নবপ্রভার আলোয় উদ্ভাসিত করে।’
২০২০ সালে করোনার সময়ে রমজান মাসে তিলোত্তমা শিকদার রোজাদারদের মধ্যে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করে সাড়া ফেলেন।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বঙ্গভবন থেকে ওই অনুষ্ঠানে তরুণদের উদ্দেশে ভার্চুয়ালি ভাষণ দেন। তিনি বলেন, ‘তরুণেরাই আমাদের সাম্প্রতিক উন্নয়নের সম্মুখ সারির লড়াকু শক্তি। এটি আমাদের আশাবাদী ও আত্মবিশ্বাসী করে যে, এই তরুণেরাই একটি উন্নত ভবিষ্যৎ নিয়ে আসবে।’
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলসহ উপস্থিত ছিলেন রুশ ফেডারেশনের তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের যুববিষয়ক মন্ত্রী তিমুর সুলেইমানোভ, আইসিওয়াইএফ সভাপতি তাহা আয়হান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেন প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে