ঢাবি প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সময় ভেঙে পড়েছে মঞ্চ। আজ শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সঞ্চালনায় মঞ্চে আওয়ামী লীগের নেতারা ও ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত নেতা-কর্মী মঞ্চ ওঠায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় আহত হন দলটির অন্তত ৮ জন নেতা কর্মী।
আহতেরা হলেন, স্বাচিপ সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুজ্জামান রানা, বিএমএর ইসি মেম্বার মো. জাবেদ, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি, সাবরিনা চৌধুরী এবং বঙ্গবন্ধু হলের সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি বরিকুল ইসলাম বাধন।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেওয়ার মাঝামাঝি সময়ে মঞ্চ ভেঙে পড়ে। এর আগে ওবায়দুল কাদের মঞ্চ এত নেতা কেন, সবাই নেতা? কর্মী কোথায় ইত্যাদি কথা বলে নেতা-কর্মীদের শাসাতে দেখা যায়। 
মঞ্চ ভেঙে পড়ার পর ওবায়দুল কাদেরসহ আহত নেতা-কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়। মঞ্চ ভেঙে পড়ার কিছুক্ষণ পর আবারও বক্তব্য শুরু করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বক্তব্য দেওয়ার সময় আচমকা মঞ্চ ভেঙে পড়েছে। এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। মঞ্চে অনেক নেতা ছিলেন। আমি বলব, আমাদের আরও কর্মীর দরকার। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট কর্মী দরকার। এত নেতা দরকার নেই। যেকোনো মঞ্চে গেলে সামনের লোকের চেয়ে মঞ্চের লোকের সংখ্যা বেশি হয়। এত নেতা কেন?’
আহতদের তথ্য নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো.বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চ ভেঙে পড়লে আহতদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়, এখানে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সময় ভেঙে পড়েছে মঞ্চ। আজ শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সঞ্চালনায় মঞ্চে আওয়ামী লীগের নেতারা ও ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত নেতা-কর্মী মঞ্চ ওঠায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় আহত হন দলটির অন্তত ৮ জন নেতা কর্মী।
আহতেরা হলেন, স্বাচিপ সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুজ্জামান রানা, বিএমএর ইসি মেম্বার মো. জাবেদ, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি, সাবরিনা চৌধুরী এবং বঙ্গবন্ধু হলের সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি বরিকুল ইসলাম বাধন।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেওয়ার মাঝামাঝি সময়ে মঞ্চ ভেঙে পড়ে। এর আগে ওবায়দুল কাদের মঞ্চ এত নেতা কেন, সবাই নেতা? কর্মী কোথায় ইত্যাদি কথা বলে নেতা-কর্মীদের শাসাতে দেখা যায়। 
মঞ্চ ভেঙে পড়ার পর ওবায়দুল কাদেরসহ আহত নেতা-কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়। মঞ্চ ভেঙে পড়ার কিছুক্ষণ পর আবারও বক্তব্য শুরু করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বক্তব্য দেওয়ার সময় আচমকা মঞ্চ ভেঙে পড়েছে। এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। মঞ্চে অনেক নেতা ছিলেন। আমি বলব, আমাদের আরও কর্মীর দরকার। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট কর্মী দরকার। এত নেতা দরকার নেই। যেকোনো মঞ্চে গেলে সামনের লোকের চেয়ে মঞ্চের লোকের সংখ্যা বেশি হয়। এত নেতা কেন?’
আহতদের তথ্য নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো.বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চ ভেঙে পড়লে আহতদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়, এখানে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।’

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাত সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুর রহিম (৫০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।
৯ মিনিট আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আরাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
৩৩ মিনিট আগে
টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
২ ঘণ্টা আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
২ ঘণ্টা আগে