সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের মহাসচিব সেলিম রেজা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম এবং আশুলিয়ার গাজীরচট শের আলী এলাকার মো. সোহেল পারভেজ। তাঁদের আশুলিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একদল লোক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের পতাকা হাতে নিয়ে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ফটকের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরে তাঁদের মধ্য থেকে তিন ব্যক্তিকে আটক করে আশুলিয়া থানার পুলিশ।
শাহজালাল নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘স্লোগান দিয়ে যখন এই দিকে (মূল ফটক) এসেছে, তখন দেখলাম (তাঁদের ধরতে) কিছু ভাই দৌড়ে এসেছে। পরে একেকজন একেক দিকে দৌড়ে পালিয়েছে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়েছে দেখে তাদের আওয়ামী লীগের লোকজনই মনে হয়েছে।’
দলটির সদস্যদের পরিচয় জানতে চাইলে একজন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। এটা আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়।’ পরে জানান, তাঁর নাম আমিন মুসল্লী। তিনি বরগুনা সদর থেকে এসেছেন।’ আরেকজন জানান তাঁর নাম জীবন হাওলাদার। পরে তাঁরা স্মৃতিসৌধ থেকে সরে যান।
স্লোগান দেওয়া দলটির সদস্যদের ধাওয়া দেন অনেকে। এমনকি কেউ মারধর করার চেষ্টাও করেন। তখন উপস্থিত সংবাদকর্মীসহ বেশ কয়েকজন তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেন। হামলাকারীদের মধ্যে জিয়াউর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে উপস্থিত জনতা কানে ধরায়। তাঁকে মারধরও করা হয়। পরে তাঁকে স্মৃতিসৌধ থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি প্রবাসী’।
তিনজনকে আটকের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহীনুর কবির। তিনি বলেন, উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে তাঁরা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছিলেন।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের মহাসচিব সেলিম রেজা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম এবং আশুলিয়ার গাজীরচট শের আলী এলাকার মো. সোহেল পারভেজ। তাঁদের আশুলিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একদল লোক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের পতাকা হাতে নিয়ে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ফটকের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরে তাঁদের মধ্য থেকে তিন ব্যক্তিকে আটক করে আশুলিয়া থানার পুলিশ।
শাহজালাল নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘স্লোগান দিয়ে যখন এই দিকে (মূল ফটক) এসেছে, তখন দেখলাম (তাঁদের ধরতে) কিছু ভাই দৌড়ে এসেছে। পরে একেকজন একেক দিকে দৌড়ে পালিয়েছে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়েছে দেখে তাদের আওয়ামী লীগের লোকজনই মনে হয়েছে।’
দলটির সদস্যদের পরিচয় জানতে চাইলে একজন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। এটা আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়।’ পরে জানান, তাঁর নাম আমিন মুসল্লী। তিনি বরগুনা সদর থেকে এসেছেন।’ আরেকজন জানান তাঁর নাম জীবন হাওলাদার। পরে তাঁরা স্মৃতিসৌধ থেকে সরে যান।
স্লোগান দেওয়া দলটির সদস্যদের ধাওয়া দেন অনেকে। এমনকি কেউ মারধর করার চেষ্টাও করেন। তখন উপস্থিত সংবাদকর্মীসহ বেশ কয়েকজন তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেন। হামলাকারীদের মধ্যে জিয়াউর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে উপস্থিত জনতা কানে ধরায়। তাঁকে মারধরও করা হয়। পরে তাঁকে স্মৃতিসৌধ থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি প্রবাসী’।
তিনজনকে আটকের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহীনুর কবির। তিনি বলেন, উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে তাঁরা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছিলেন।

কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিদেশে থাকা এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুছাব্বির খুন হন। এ জন্য বিদেশ থেকে খুনিদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিএমপ
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে আয়োজিত গণভোটে ‘না’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দল নেতা জুয়েল আরমান। তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে ‘সংবিধানে বিসমিল্লাহ এবং আল্লাহর নামে শুরু করলাম—এটা পরাজিত হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফসিউল আলম অনীক (৩০) নামের এক ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত অনীক ওই এলাকার মো. রানা মোল্লার ছেলে।
৩ ঘণ্টা আগে
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টেলিগ্রামে বিনিয়োগ ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার আসামির নাম মো. সোহেল মিয়া (৪১)।
৩ ঘণ্টা আগে