নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বিমান বহরে যুক্ত হয়েছে দ্বিতীয় কাসা-সি ২৯৫ ডব্লিউ মিডিয়াম ইউটিলিটি সামরিক বিমান। আজ রোববার এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে সামরিক বিমানটি বহরে যুক্ত হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি। আরও উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিসকো ডি আস-এস বেন-তেজ সালাস, সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও বিমান বাহিনী, বিজিবি, র্যাবের কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্পেনের নির্মাণ করা সামরিক বিমানটি আজ রোববার দুপুরে বাংলাদেশে অবতরণ করে। প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে বিমানটি তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে পৌঁছে। এসময় ওয়াটার ক্যানন স্যালুটের মাধ্যমে সামরিক বিমানটিকে অভ্যর্থনা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী দিক নির্দেশনা এবং বিশেষ আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। জাতির আস্থার প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সকল সময়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি তাঁর দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন।
দ্বিতীয় কাসা-সি ২৯৫ ডব্লিউ মিডিয়াম ইউটিলিটি বিমান সংযুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পেল। এই বিমানটি যুদ্ধক্ষেত্রে ছত্রীসেনা অবতরণ, এক স্থান হতে অন্য স্থানে দ্রুত সেনা স্থানান্তর, আকাশ হতে পর্যবেক্ষণ, কার্গো পরিবহন, ভিআইপি মিশন ছাড়াও অধিক সংখ্যক জরুরী রোগী পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হবে। বিমানটি দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও ঔষুধ সামগ্রী পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বিমান বহরে যুক্ত হয়েছে দ্বিতীয় কাসা-সি ২৯৫ ডব্লিউ মিডিয়াম ইউটিলিটি সামরিক বিমান। আজ রোববার এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে সামরিক বিমানটি বহরে যুক্ত হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি। আরও উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিসকো ডি আস-এস বেন-তেজ সালাস, সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও বিমান বাহিনী, বিজিবি, র্যাবের কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্পেনের নির্মাণ করা সামরিক বিমানটি আজ রোববার দুপুরে বাংলাদেশে অবতরণ করে। প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে বিমানটি তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে পৌঁছে। এসময় ওয়াটার ক্যানন স্যালুটের মাধ্যমে সামরিক বিমানটিকে অভ্যর্থনা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী দিক নির্দেশনা এবং বিশেষ আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। জাতির আস্থার প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সকল সময়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি তাঁর দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন।
দ্বিতীয় কাসা-সি ২৯৫ ডব্লিউ মিডিয়াম ইউটিলিটি বিমান সংযুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পেল। এই বিমানটি যুদ্ধক্ষেত্রে ছত্রীসেনা অবতরণ, এক স্থান হতে অন্য স্থানে দ্রুত সেনা স্থানান্তর, আকাশ হতে পর্যবেক্ষণ, কার্গো পরিবহন, ভিআইপি মিশন ছাড়াও অধিক সংখ্যক জরুরী রোগী পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হবে। বিমানটি দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও ঔষুধ সামগ্রী পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে