Ajker Patrika

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় মেঘনায় ট্রলারডুবি: নিহত ১, নিখোঁজ ৪

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০: ৫৯
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় মেঘনায় ট্রলারডুবি: নিহত ১, নিখোঁজ ৪
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে একজন নিহত, নিখোঁজ ৪। ছবি: আজকের পত্রিকা

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমুদ্দি গ্রাম থেকে ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া বৈদ্যপাড়া গ্রামে যাচ্ছিলেন ১৩ স্বজন। সেখানে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁদের। ট্রলারে বিয়ের বাজার, দুটি গরু ও একটি খাসিও ছিল। হঠাৎ শুরু হয় ঝড়। সেই ঝড়ে ট্রলার ডুবে এক নারী নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন একই পরিবারের চার সদস্য।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনাময়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম রায়েশা বেগম (৫৫)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কাইল্লাপুর গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী। তাঁর মরদেহ সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।

নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন হেলাল মিয়া (৫৪), তাঁর ছেলে সজিব হোসেন (২৪), মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৭) ও ছেলে সামিন হোসেন (৫)। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হেলাল মিয়ার নাম হেলালউদ্দিন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমুদ্দি গ্রাম থেকে ১৩ জন স্বজন ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া বৈদ্যপাড়া গ্রামে যাচ্ছিলেন। সেখানে শাহপরানের মেয়ে সাজিয়া আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁদের। ট্রলারটি সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কোম্পানির কাছে পৌঁছালে ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় আমান সিমেন্ট কোম্পানির একটি ট্রলার এগিয়ে এসে নয়জনকে উদ্ধার করে।

দুর্ঘটনার পর রায়েশা বেগম, হেলাল মিয়া, সজিব হোসেন, সামিয়া আক্তার ও সামিন হোসেন নিখোঁজ হন। পরে রায়েশা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও অন্য চারজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা জাহিদ চৌধুরী বলেন, ‘খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মেঘনা নদীতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে কাজ শুরু করেন। সন্ধ্যা নেমে আসায় ডুবুরি দলের সদস্যরা এখন কাজ করতে পারছেন না। রাতে সন্ধান না মিললে আগামীকাল সকাল থেকে উদ্ধার তৎপরতা আবার চালানো হবে।’

বৈদ্যেরবাজার নৌ ফাঁড়ি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক শাহ কামাল বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা কাজ করছেন। ডুবুরি দল এলেও সন্ধ্যা নেমে আসায় তারা উদ্ধারকাজ চালাতে পারছেন না।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত